স্টাফ রিপোর্টার ::
কার্যক্রম নিষিদ্ধ সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নূরুল হুদা মুকুট, সাধারণ সম্পাদক নোমান বখত পলিন, সদস্য অ্যাড. মো. খায়রুল কবির রুমেন, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক খায়রুল হুদা চপল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দীপঙ্কর কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রিপনসহ ৬৩ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, বিশৃঙ্খলা তৈরি ও নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে বৃহ¯পতিবার আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৬৩ জন নেতার নামসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জন নেতাকর্মীকে আসামি করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। এই মামলায় অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বড়পাড়া এলাকার বাসিন্দা সবুজ মিয়ার ছেলে মাহমুদুল হাসান ফারদিন (২০) ও পশ্চিম তেঘরিয়ার জুবায়ের আহমদের ছেলে সালেহ আহমদ ফাইয়াজ (২৭)। এই দুজনকে শুক্রবার আদালতে হাজির করলে তাদের কারাগারে পাঠান বিচারক। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল হাসান পলাশ (২৮), জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মেহেদী হাসান সাকিব (২৫), সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রিপন (৩৩), সহ-সভাপতি শামসুল আবেদীন রাজন (২৭), অরিন্দম মৈত্র অমিয় (৩০), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ (৩০), সহ-সভাপতি আবু তালহা মিতুল (২৮), সহ-সভাপতি আতাউল হক সানি (৩০), সাবেক সহ-সভাপতি পাবেল আহমেদ (৩৮), সহ-সভাপতি সুয়েব আহমদ চৌধুরী (৫০), ধর্মপাশা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দেলোয়ার (৩৫), ফেনারবাঁক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নাফিউদ্দুয়া (৩৫), সহ-সম্পাদক পরাণ চৌধুরী (৩১), জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তানভীর (৩২), টিংকু চৌধুরী (৩৬), ইয়াকুব (৩২), জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দীপঙ্কর কান্তি দে (৩২), বরুন (৩৮), সুনামগঞ্জ পৌর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক বখতিয়ারুল হক মাহি (২৩), ইয়াকুব শরীফ, রিফাত (৪০), গোলাম কাদের সুজন (৪১), অলিউর রহমান (২৮), জিয়াবুল (৩৫), আল আমিন (৩৫), জেলা শাখার বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সাধারণ সম্পাদক আছকির আলী (৪০), সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত জামিল (২৮), জেলা শাখার আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনাম আহমেদ (৪০), জেলা শ্রমিকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ (৪২), আল আমিন (৩২), হেলাল মিঞা (৩৫), সুনামগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি শিহাব (২৮), বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহাত আহমদ (২৭), জাহাঙ্গীরনগর ইউপি আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রমজান (৪৮), জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সুব্রত তালুকদার সেতু (৪৫), সুনামগঞ্জ সদর মৎস্যজীবী লীগের সহ-সভাপতি রিগান আহমেদ (৩৭), জাহাঙ্গীরনগর ইউপি আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বোরহান উদ্দিন চৌধুরী (৪৫), সুনামগঞ্জ জেলা শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি শাহনুর (৪৮), জাহাঙ্গীরনগর ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমদ (৩৮), কাঠইর ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান (৪৫), এহসান উল্লাহ প্রকাশ মো. উজ্জ্বল আহমদ (৩৯), তুষার (২২), অমল চৌধুরী হাবলু (৫৫), ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নিহান (২৫), ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য আক্তারুজ্জামান (৩৫), ফুয়াদ আহমেদ (৩৮), সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফরহাদ উদ্দিন (৩৫), সামন্ত চন্দ্র দাস (৪০), সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক (৪৯), ফারুক আহমেদ সুজন (২৮), আনন্দ (২১), ইশতিয়াকুর রহমান দিনার (১৪), তানজিন (২২), হাবিব আহমদ (২৩), আবু বক্কর সিদ্দিক (২৩), রাহাত (২৫), মো. আক্তার হোসেন (২৮)। মামলায় অজ্ঞাত আরও ১৫/২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গেল ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৬টায় সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম হাজীপাড়ার সার্কিট হাউজের সামনে সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের উপর সেখানে আসামিরা একত্রিত হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিল বের করে। পরবর্তীতে পুলিশ উপস্থিত হলে আসামিরা পালিয়ে যায়। সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন শেখ জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। মিছিলে থাকা দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই দুইজনকে আদালতে সোপর্দ করলে বিজ্ঞ বিচারক তাদেরকে জেল হাজতে পাঠান। অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নূরুল হুদা মুকুট, সাধারণ সম্পাদক নোমান বখত পলিন, সদস্য অ্যাড. মো. খায়রুল কবির রুমেন, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক খায়রুল হুদা চপল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দীপঙ্কর কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রিপনসহ ৬৩ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, বিশৃঙ্খলা তৈরি ও নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে বৃহ¯পতিবার আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৬৩ জন নেতার নামসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জন নেতাকর্মীকে আসামি করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। এই মামলায় অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বড়পাড়া এলাকার বাসিন্দা সবুজ মিয়ার ছেলে মাহমুদুল হাসান ফারদিন (২০) ও পশ্চিম তেঘরিয়ার জুবায়ের আহমদের ছেলে সালেহ আহমদ ফাইয়াজ (২৭)। এই দুজনকে শুক্রবার আদালতে হাজির করলে তাদের কারাগারে পাঠান বিচারক। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল হাসান পলাশ (২৮), জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মেহেদী হাসান সাকিব (২৫), সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রিপন (৩৩), সহ-সভাপতি শামসুল আবেদীন রাজন (২৭), অরিন্দম মৈত্র অমিয় (৩০), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ (৩০), সহ-সভাপতি আবু তালহা মিতুল (২৮), সহ-সভাপতি আতাউল হক সানি (৩০), সাবেক সহ-সভাপতি পাবেল আহমেদ (৩৮), সহ-সভাপতি সুয়েব আহমদ চৌধুরী (৫০), ধর্মপাশা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দেলোয়ার (৩৫), ফেনারবাঁক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নাফিউদ্দুয়া (৩৫), সহ-সম্পাদক পরাণ চৌধুরী (৩১), জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তানভীর (৩২), টিংকু চৌধুরী (৩৬), ইয়াকুব (৩২), জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দীপঙ্কর কান্তি দে (৩২), বরুন (৩৮), সুনামগঞ্জ পৌর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক বখতিয়ারুল হক মাহি (২৩), ইয়াকুব শরীফ, রিফাত (৪০), গোলাম কাদের সুজন (৪১), অলিউর রহমান (২৮), জিয়াবুল (৩৫), আল আমিন (৩৫), জেলা শাখার বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সাধারণ সম্পাদক আছকির আলী (৪০), সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত জামিল (২৮), জেলা শাখার আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনাম আহমেদ (৪০), জেলা শ্রমিকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ (৪২), আল আমিন (৩২), হেলাল মিঞা (৩৫), সুনামগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি শিহাব (২৮), বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহাত আহমদ (২৭), জাহাঙ্গীরনগর ইউপি আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রমজান (৪৮), জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সুব্রত তালুকদার সেতু (৪৫), সুনামগঞ্জ সদর মৎস্যজীবী লীগের সহ-সভাপতি রিগান আহমেদ (৩৭), জাহাঙ্গীরনগর ইউপি আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বোরহান উদ্দিন চৌধুরী (৪৫), সুনামগঞ্জ জেলা শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি শাহনুর (৪৮), জাহাঙ্গীরনগর ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমদ (৩৮), কাঠইর ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান (৪৫), এহসান উল্লাহ প্রকাশ মো. উজ্জ্বল আহমদ (৩৯), তুষার (২২), অমল চৌধুরী হাবলু (৫৫), ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নিহান (২৫), ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য আক্তারুজ্জামান (৩৫), ফুয়াদ আহমেদ (৩৮), সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফরহাদ উদ্দিন (৩৫), সামন্ত চন্দ্র দাস (৪০), সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক (৪৯), ফারুক আহমেদ সুজন (২৮), আনন্দ (২১), ইশতিয়াকুর রহমান দিনার (১৪), তানজিন (২২), হাবিব আহমদ (২৩), আবু বক্কর সিদ্দিক (২৩), রাহাত (২৫), মো. আক্তার হোসেন (২৮)। মামলায় অজ্ঞাত আরও ১৫/২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গেল ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৬টায় সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম হাজীপাড়ার সার্কিট হাউজের সামনে সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের উপর সেখানে আসামিরা একত্রিত হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিল বের করে। পরবর্তীতে পুলিশ উপস্থিত হলে আসামিরা পালিয়ে যায়। সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন শেখ জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। মিছিলে থাকা দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই দুইজনকে আদালতে সোপর্দ করলে বিজ্ঞ বিচারক তাদেরকে জেল হাজতে পাঠান। অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।