বিল-নদী-জলাশয়ে অবাধে শিকার, হুমকিতে জলজ জীববৈচিত্র্য

নিষিদ্ধ জালে বিপন্ন দেশি মাছ

আপলোড সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০৯:৩০:৩০ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০৯:৩১:০৪ পূর্বাহ্ন
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী::
ছাতক উপজেলার বিভিন্ন হাওর, বিল, নদী, খাল ও জলাশয়ে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, চায়না দোয়ারী, রিং জাল, ম্যাজিক জালসহ নানা ধরনের অবৈধ জাল দিয়ে অবাধে মাছ শিকার হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে এসব জালের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ডিমওয়ালা মাছ, পোনা ও ছোট আকারের দেশি মাছ নির্বিচারে ধরা পড়ছে। এতে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দিন দিন কমে যাচ্ছে দেশি মাছের বৈচিত্র্য। স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার কুড়ি বিল, সিংগাপই বিল, নলুয়া বিল, মৌআলু বিল, দেউসাফরা বিল, বোকা নদী ও রাংড়িংগা নদীসহ বিভিন্ন জলাশয়ে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, চায়না রিং জাল, ম্যাজিক জাল, সুতিজাল, চায়না দোয়ারী ও রিংচাই ব্যবহার করে মাছ শিকার করা হচ্ছে। এসব জালের সূক্ষ্ম ফাঁকে বড় মাছের পাশাপাশি পোনা, ছোট মাছ এবং বিভিন্ন জলজ প্রাণীও আটকা পড়ছে। দেবেরগাঁও গ্রামের মৎস্যজীবী নরেশ চন্দ্র বলেন, কুড়ি বিলের আশপাশে এবং বিলের ভেতরে অবৈধ চায়না দোয়ারী ও রিং জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করা হচ্ছে। বিষয়টি মৎস্য অফিসকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। স্থানীয়দের দাবি, নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন। তাদের অভিযোগ, লিখিত ও মৌখিকভাবে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হলেও অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তবে মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়দের মতে, উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে দেশি মাছের সংকট ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে তারা অবৈধ ও নিষিদ্ধ জালের অবাধ ব্যবহারকে দায়ী করছেন। বর্ষা মৌসুমে মাছের প্রজনন ও ডিম ছাড়ার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসব জাল দিয়ে নির্বিচারে পোনা ও ছোট মাছ ধরার ফলে জলাশয়ে মাছের স্বাভাবিক বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। একসময় ছাতকের বিল ও নদীগুলোতে শোল, বোয়াল, গজার, মাগুর, শিং, কৈ, সরপুঁটি, পাবদা, আইড়, বাইম, খলসে, টেংরা, রিঠা, বেতাগা, বাঁশপাতা, রয়না, কালিবাউশ ও রানীমাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছ প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেত। বর্তমানে এসব মাছের অনেক প্রজাতিই আগের তুলনায় কমে গেছে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহারে মাছের পাশাপাশি সাপ, ব্যাঙ, শামুক-ঝিনুকসহ বিভিন্ন

সম্পাদকীয় :

  • সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মো. জিয়াউল হক
  • সম্পাদক ও প্রকাশক : বিজন সেন রায়
  • বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : মোক্তারপাড়া রোড, সুনামগঞ্জ-৩০০০।

অফিস :

  • ই-মেইল : [email protected]
  • ওয়েবসাইট : www.sunamkantha.com