দিরাই প্রতিনিধি::
সরকারি নির্ধারিত সময়ের আগেই দিরাই উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে তালা ঝুলিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে এমন চিত্র দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জীব সরকার। বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সরকারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলার কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে এ অনিয়মের চিত্র ধরা পড়ে। ইউএনও সঞ্জীব সরকার প্রথমে উজান বাউসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যালয়টি বন্ধ দেখতে পান। এ সময় বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ইউএনওকে জানায়, শিক্ষকরা প্রতিদিন বেলা ৩টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে চলে যান। এর আগে চন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নাছনি-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সন্তোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নোয়াগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেও একই ধরনের চিত্র দেখতে পান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এসব বিদ্যালয়েও সরকারি নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই তালা ঝুলিয়ে শিক্ষকরা চলে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ইউএনও সঞ্জীব সরকার বলেন, সরকার হাওরপাড়ের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে আন্তরিক হলেও শিক্ষকদের সরকারি নিয়ম-নীতির প্রতি অবহেলা খুবই দুঃখজনক। আমি আশা করবো শিক্ষকরা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে আন্তরিক হবেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়সহ কয়েকটি বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে উজান বাউসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিদ্যালয় নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ পাওয়া যায়। শিক্ষকদের দায়িত্বের এমন অবহেলা খুবই দুঃখজনক। তাদের বিরুদ্ধে সরকারি বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, একাধিক অভিভাবক ক্ষোভের সাথে বলেন, অধিকাংশ শিক্ষক উপজেলা সদরে বসবাস করেন। তাদের আসা-যাওয়াতে সময় শেষ হয়ে যায়। হাওরপাড়ের অধিকাংশ বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা সকাল ১০-১১টায় আসেন এবং আড়াই - ৩টায় চলে যান। কোনো বিদ্যালয়ই সরকারি বিধি অনুযায়ী ক্লাস হয় না।
সরকারি নির্ধারিত সময়ের আগেই দিরাই উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে তালা ঝুলিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে এমন চিত্র দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জীব সরকার। বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সরকারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলার কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে এ অনিয়মের চিত্র ধরা পড়ে। ইউএনও সঞ্জীব সরকার প্রথমে উজান বাউসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যালয়টি বন্ধ দেখতে পান। এ সময় বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ইউএনওকে জানায়, শিক্ষকরা প্রতিদিন বেলা ৩টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে চলে যান। এর আগে চন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নাছনি-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সন্তোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নোয়াগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেও একই ধরনের চিত্র দেখতে পান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এসব বিদ্যালয়েও সরকারি নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই তালা ঝুলিয়ে শিক্ষকরা চলে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ইউএনও সঞ্জীব সরকার বলেন, সরকার হাওরপাড়ের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে আন্তরিক হলেও শিক্ষকদের সরকারি নিয়ম-নীতির প্রতি অবহেলা খুবই দুঃখজনক। আমি আশা করবো শিক্ষকরা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে আন্তরিক হবেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়সহ কয়েকটি বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে উজান বাউসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিদ্যালয় নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ পাওয়া যায়। শিক্ষকদের দায়িত্বের এমন অবহেলা খুবই দুঃখজনক। তাদের বিরুদ্ধে সরকারি বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, একাধিক অভিভাবক ক্ষোভের সাথে বলেন, অধিকাংশ শিক্ষক উপজেলা সদরে বসবাস করেন। তাদের আসা-যাওয়াতে সময় শেষ হয়ে যায়। হাওরপাড়ের অধিকাংশ বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা সকাল ১০-১১টায় আসেন এবং আড়াই - ৩টায় চলে যান। কোনো বিদ্যালয়ই সরকারি বিধি অনুযায়ী ক্লাস হয় না।