শান্তিগঞ্জে দিনমজুরের বসতভিটার বারান্দা ভেঙে জোরপূর্বক রাস্তা তৈরি

আপলোড সময় : ০৯-০৯-২০২৬ ০৯:৪১:২৭ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০৯-০৯-২০২৬ ০৯:৪১:২৭ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার :: শান্তিগঞ্জ-রজনীগঞ্জ রাস্তার নির্মাণকাজে টাইলা বাজারের পাশে এক দিনমজুরের রেকর্ডিয় পৈতৃক সম্পত্তি বসতভিটার বারান্দা ভেঙে ঠিকাদারের লোকজন রাস্তা নির্মাণ করার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিবাদ করায় তাকে হুমকি-ধমকি দিয়েছে তারা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দিনমজুর জেলা প্রশাসক ও এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। টাইলা গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী অরুণ দাসের গত ৩১ আগস্ট দাখিলকৃত অভিযোগ থেকে জানাযায়, শান্তিগঞ্জ-রজনীগঞ্জ রাস্তার নির্মাণকাজ চলমান আছে। টাইলা বাজারের পাশে গ্রামের অদ্বৈত চন্দ্র দাসের ছেলে অরুণ চন্দ্র দাসের ভোগদখলীয় রেকর্ডিয় পৈতৃক ভিটা রয়েছে। বর্তমান সেটেলমেন্টের জরিপে ২৮৫ দাগের এবং এই খতিয়ানের ১৯৪ অংশের ৭ শতক জায়গাতে ঘর নির্মাণ করে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছেন। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর। কিন্তু সম্প্রতি এই রাস্তার কাজের ঠিকাদার লিটন সিংহের ম্যানেজার কনক দত্ত নামের এক ব্যক্তি কাজটি তদারকি করছেন। সম্প্রতি কনক দত্ত জোরপূর্বক তার কাজের সুবিধার্থে ওই দিনমজুরের বসতঘরের বারান্দার স্থায়ী স্থাপনা ভেঙে জোরপূর্বক রাস্তার নির্মাণকাজ শুরু করেন। তিনি বাধা দিলে সে তাকে হুমকি ধমকি দেয়। তিনি নিজের মালিকানাধীন বসতভিটা ভাঙতে দিবেন না বলার পর তাকে এলাকাছাড়া করার হুমকিও দেয় ঠিকাদারের লোকজন। সরেজমিনে টাইলা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ঠিকাদারের লোকজন জোরপূর্বক অরুণ দাসের বসতঘরের বারান্দা ভেঙে ফেলেছে। ভুক্তভোগী অরুণ কুমার দাস বলেন, আমার পৈতৃক রেকর্ডীয় জায়গায় ছেলে সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছি। এখন কাজের দোহাই দিয়ে ঠিকাদারের প্রতিনিধি কনক দত্ত আমার বসতঘরের সামনের বারান্দা ভেঙে ফেলেছে। আমি বাধা দিলে আমাকে হুমকি ধমকি দিয়েছে। আমি নিরীহ ও গরিব মানুষ। তারা আমার বাধা না শুনেই জোরপূর্বক আমার জায়গায় কাজ শুরু করেছে। তাই ন্যায় বিচারের আশায় আমি জেলা প্রশাসক ও এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ঠিকাদারের প্রতিনিধি কনক দত্ত বলেন, আমি টাইলা গ্রামের কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে রাস্তার মাপজোক নিয়েই অরুণ দাসের বারান্দার কিছুটা অংশ ভেঙেছি। স্থানীয় মানুষ আমাকে কাজে সহযোগিতা করছেন। আমি কাউকে হুমকি ধমকি দেইনি। সুনামগঞ্জ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার কাছে একটি অভিযোগ এসেছে। অভিযোগের পর নির্দেশনা দেওয়া আছে সরেজমিনে তদন্ত করে অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। কোন জোর-জবরদস্তি হবেনা।

সম্পাদকীয় :

  • সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মো. জিয়াউল হক
  • সম্পাদক ও প্রকাশক : বিজন সেন রায়
  • বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : মোক্তারপাড়া রোড, সুনামগঞ্জ-৩০০০।

অফিস :

  • ই-মেইল : [email protected]
  • ওয়েবসাইট : www.sunamkantha.com