দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি ::
দোয়ারাবাজারে রাস্তায় হারিয়ে যাওয়া খালি চেক ব্যবহার করে আদালতে মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। হারানো চেক দিয়ে মামলা করে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে - এমন অভিযোগ এনে প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. বজলু মিয়া। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বাংলাবাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বজলু মিয়া বলেন, ২০২৪ সালে সিলেট যাওয়ার পথে তার একটি খালি চেক ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) হারিয়ে যায়। বিষয়টি জানার পরদিনই তিনি দোয়ারাবাজার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডি নম্বর ৪৯৪/১১/১১/২০২৪।
বজলু মিয়ার দাবি, থানায় জিডি করার পর তিনি জানতে পারেন, তার বিরুদ্ধে একটি চেক ডিজঅনার মামলা করা হয়েছে। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, হারিয়ে যাওয়া ওই চেকটি ব্যবহার করে উপজেলার বোগলাবাজার ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের কবিরাজ মাওলানা ইলিয়াস মোল্লা বাদী হয়ে আদালতে মামলাটি করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বজলু মিয়া অভিযোগ করেন, ইলিয়াস মোল্লার সঙ্গে আমার আগে কোনো পরিচয় ছিল না। তার সঙ্গে আমার কোনো আর্থিক লেনদেনও হয়নি। রাস্তায় হারিয়ে যাওয়া চেক পেয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হয়রানি করার জন্যই মামলা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি সমাধানের জন্য বাদী পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জেলা উলামা দলের সভাপতি পরিচয় দিয়ে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বজলু মিয়া বলেন, আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রতিকার চাই। হারানো চেক কীভাবে অন্যের হাতে গেল এবং সেটি ব্যবহার করে কীভাবে মামলা করা হলো, তা তদন্ত করে বের করা প্রয়োজন।
তবে বজলু মিয়ার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মামলার বাদী মাওলানা ইলিয়াস মোল্লা। তিনি বলেন, আমরা তিনজন বজলু মিয়াকে ১১ লাখ টাকা দিয়েছি লোন হিসেবে, ডকুমেন্টস হিসেবে চেকও দিয়েছেন। এখন টাকা না দেওয়ার জন্য সে মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে।