স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে হঠাৎ শিশুদের হাম, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত রোগীদের চাপ বেড়েছে।
শনিবার সকাল পর্যন্ত জেলা সদর হাসপাতালে প্রায় ৯ শতাধিক রোগি ভর্তি ছিলেন। এর মধ্যে তিন শতাধিক রোগীই হাম, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশু। হঠাৎ এত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎকরা। তাছাড়া হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটের কারণেও চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সরকারি ছুটির দিনেও হাসপাতালের ইনডোর ছিল উপচেপড়া রোগীদের চাপ। আউটডোরেও একই চাপ ছিল। হাসপাতালের বারান্দা, মেঝে সর্বত্রই রোগীদের ভিড়। এর মধ্যে ডায়রিয়া ও শিশু ওয়ার্ডে প্রায় ৩ শতাধিক শিশু রোগী। যার মধ্যে ১০০ জনের বেশিই হামে আক্রান্ত শিশু। সংক্রামক হামের রোগীদের চিকিৎসা করতে গিয়ে হাসপাতালের কর্তব্যরত আউটসোর্সিং কর্মী ও স্বাস্থ্যসেবীরাও আক্রান্ত হচ্ছেন। এদিকে অপর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়ে বিপুল রোগীর সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। অত্যধিক রোগীর চাপে হাসপাতালের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। সূত্র জানায়, হাসপাতালের ৭৪ জন চিকিৎসকের মধ্যে ৫০ জনের পদই শূন্য। ৬৪ জন নার্সের পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি আছে। মোট ৪৭২ জন জনবলের মধ্যে হাসপাতালে ২২২ জনের পদই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পড়ে আছে। তবে হাসপাতালের ৬৭ ভাগ চিকিৎসক না থাকায় কাক্সিক্ষত সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এখন হঠাৎ রোগীদের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় চোখে অন্ধকার দেখছেন হাসপাতালের সংশ্লিষ্টরা। সুনামগঞ্জ শহরের হাসননগর এলাকাবার বাসিন্দা মোজাহিদুল ইসলাম মজনু বলেন, হাসপতালে এখন তিনগুণের বেশি রোগী ভর্তি আছে। স্থান সংকুলান হচ্ছেনা বারান্দায়। তাছাড়া হামে আক্রান্ত শিশুরা সংক্রমণজনিত কারণে ঝুঁকিতে আছে। এখন এই সংক্রমণ আরো ঝুঁকি তৈরি করেছে। রোগীর চাপে হাসপাতালের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের পরিচালক ডা. আহম্মদ হোসেন বলেন, শনিবার হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সকালেই ছিল ৯১২জন। এখন আরো বাড়বে কিছু। এত বিপুল রোগীর চাপ অল্প চিকিৎসক নিয়ে সামলানো কঠিন। হামে আক্রান্তদের সেবা দিতে গিয়ে হামে স্বাস্থ্যকর্মীরাও আক্রান্ত হচ্ছেন। তিনি বলেন, হাম, ডায়রিয়া ও শিশুদের নানাবিধ রোগের চাপ বেশি। হাসপাতালের শূন্য পদে চিকিৎসক নিয়োগ জরুরি হয়ে ওঠেছে। যেভাবে রোগীর চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে তাতে সেই চাপ সামলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে হঠাৎ শিশুদের হাম, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত রোগীদের চাপ বেড়েছে।
শনিবার সকাল পর্যন্ত জেলা সদর হাসপাতালে প্রায় ৯ শতাধিক রোগি ভর্তি ছিলেন। এর মধ্যে তিন শতাধিক রোগীই হাম, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশু। হঠাৎ এত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎকরা। তাছাড়া হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটের কারণেও চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সরকারি ছুটির দিনেও হাসপাতালের ইনডোর ছিল উপচেপড়া রোগীদের চাপ। আউটডোরেও একই চাপ ছিল। হাসপাতালের বারান্দা, মেঝে সর্বত্রই রোগীদের ভিড়। এর মধ্যে ডায়রিয়া ও শিশু ওয়ার্ডে প্রায় ৩ শতাধিক শিশু রোগী। যার মধ্যে ১০০ জনের বেশিই হামে আক্রান্ত শিশু। সংক্রামক হামের রোগীদের চিকিৎসা করতে গিয়ে হাসপাতালের কর্তব্যরত আউটসোর্সিং কর্মী ও স্বাস্থ্যসেবীরাও আক্রান্ত হচ্ছেন। এদিকে অপর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়ে বিপুল রোগীর সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। অত্যধিক রোগীর চাপে হাসপাতালের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। সূত্র জানায়, হাসপাতালের ৭৪ জন চিকিৎসকের মধ্যে ৫০ জনের পদই শূন্য। ৬৪ জন নার্সের পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি আছে। মোট ৪৭২ জন জনবলের মধ্যে হাসপাতালে ২২২ জনের পদই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পড়ে আছে। তবে হাসপাতালের ৬৭ ভাগ চিকিৎসক না থাকায় কাক্সিক্ষত সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এখন হঠাৎ রোগীদের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় চোখে অন্ধকার দেখছেন হাসপাতালের সংশ্লিষ্টরা। সুনামগঞ্জ শহরের হাসননগর এলাকাবার বাসিন্দা মোজাহিদুল ইসলাম মজনু বলেন, হাসপতালে এখন তিনগুণের বেশি রোগী ভর্তি আছে। স্থান সংকুলান হচ্ছেনা বারান্দায়। তাছাড়া হামে আক্রান্ত শিশুরা সংক্রমণজনিত কারণে ঝুঁকিতে আছে। এখন এই সংক্রমণ আরো ঝুঁকি তৈরি করেছে। রোগীর চাপে হাসপাতালের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের পরিচালক ডা. আহম্মদ হোসেন বলেন, শনিবার হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সকালেই ছিল ৯১২জন। এখন আরো বাড়বে কিছু। এত বিপুল রোগীর চাপ অল্প চিকিৎসক নিয়ে সামলানো কঠিন। হামে আক্রান্তদের সেবা দিতে গিয়ে হামে স্বাস্থ্যকর্মীরাও আক্রান্ত হচ্ছেন। তিনি বলেন, হাম, ডায়রিয়া ও শিশুদের নানাবিধ রোগের চাপ বেশি। হাসপাতালের শূন্য পদে চিকিৎসক নিয়োগ জরুরি হয়ে ওঠেছে। যেভাবে রোগীর চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে তাতে সেই চাপ সামলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।