স্টাফ রিপোর্টার::
জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শুভ্রদীপ রায় এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ (গোল্ডেন জিপিএ) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১১৭১ পেয়ে উপজেলার সর্বাধিক নম্বর প্রাপ্তির কৃতিত্ব অর্জন করেছে শুভ্রদীপ। আর্তপীড়িত মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়ার স্বপ্ন শুভ্রদীপের। সে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রদীপ রায় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সমাপিকা রায়ের ছেলে। শুভ্রদীপ রায় বাংলায় ১৭১, ইংরেজিতে ১৮০, গণিতে ৯৮, ধর্ম শিক্ষায় ৯৯, পদার্থ বিজ্ঞানে ৯৭, রসায়ন বিজ্ঞানে ৯৭, জীববিজ্ঞানে ৯৩, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ৪৮ এবং উচ্চতর গণিতে ১০০ নম্বর পেয়ে গোল্ডেন জিপিএ প্রাপ্ত হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হওয়া বড় সফলতা উল্লেখ করে শুভ্রদীপ রায় বলেন, এ সফলতার মূল ভিত্তি আমার মা-বাবা। তাঁদের ইতিবাচক সহযোগিতা আমাকে সাহস জুগিয়েছে। তার সাথে বিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকম-লী আমার সাফল্যের শক্তিকে আরও শাণিত করেছেন। সঠিক দিক-নির্দেশনা দিয়ে যাঁরা সহযোগিতা করেছেন তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শুভ্রদীপ জানায়, সবার আগে একজন ভালো মানুষ হওয়ার স্বপ্ন তার। ভবিষ্যতে আর্তপীড়িত মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শুভ্রদীপ। শুভ্রদীপের মা ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সমাপিকা রায় বলেন, কঠোর অধ্যবসায় ও সবকিছুতে তার নিয়মানুবর্তিতা এই সফলতায় ভূমিকা রেখেছে। সে ভবিষ্যতে ভালো চিকিৎসক হবে এমন স্বপ্ন ছিল আমাদের। তবে শুভ্রদীপের ভালো মানুষ হওয়ার আকাক্সক্ষা আমাদের আনন্দ দিচ্ছে। তার সফলতার জন্য সম্মানিত শিক্ষকম-লী ও আত্মীয়স্বজনসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লুৎফুর রহমান বলেন, এই ফলাফল শুভ্রদীপের প্রাপ্য ছিল। কারণ সে অত্যন্ত মেধাবী, পরিশ্রমী, শান্তশিষ্ট এবং পড়ালেখায় বেশ মনোযোগী ছাত্র। বিশেষ করে তার পরিবার অর্থাৎ মা-বাবা অত্যন্ত শিক্ষা সচেতন মানুষ। তাঁরা সার্বক্ষণিক আমাদের সাথে যোগাযোগ রেখেছেন। শিক্ষকের পাশাপাশি মা-বাবার ভূমিকাই এ ফলাফলে বড় ভূমিকা রেখেছে। আমি শুভ্রদীপের সফলতা কামনা করছি।
জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শুভ্রদীপ রায় এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ (গোল্ডেন জিপিএ) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১১৭১ পেয়ে উপজেলার সর্বাধিক নম্বর প্রাপ্তির কৃতিত্ব অর্জন করেছে শুভ্রদীপ। আর্তপীড়িত মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়ার স্বপ্ন শুভ্রদীপের। সে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রদীপ রায় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সমাপিকা রায়ের ছেলে। শুভ্রদীপ রায় বাংলায় ১৭১, ইংরেজিতে ১৮০, গণিতে ৯৮, ধর্ম শিক্ষায় ৯৯, পদার্থ বিজ্ঞানে ৯৭, রসায়ন বিজ্ঞানে ৯৭, জীববিজ্ঞানে ৯৩, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ৪৮ এবং উচ্চতর গণিতে ১০০ নম্বর পেয়ে গোল্ডেন জিপিএ প্রাপ্ত হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হওয়া বড় সফলতা উল্লেখ করে শুভ্রদীপ রায় বলেন, এ সফলতার মূল ভিত্তি আমার মা-বাবা। তাঁদের ইতিবাচক সহযোগিতা আমাকে সাহস জুগিয়েছে। তার সাথে বিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকম-লী আমার সাফল্যের শক্তিকে আরও শাণিত করেছেন। সঠিক দিক-নির্দেশনা দিয়ে যাঁরা সহযোগিতা করেছেন তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শুভ্রদীপ জানায়, সবার আগে একজন ভালো মানুষ হওয়ার স্বপ্ন তার। ভবিষ্যতে আর্তপীড়িত মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শুভ্রদীপ। শুভ্রদীপের মা ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সমাপিকা রায় বলেন, কঠোর অধ্যবসায় ও সবকিছুতে তার নিয়মানুবর্তিতা এই সফলতায় ভূমিকা রেখেছে। সে ভবিষ্যতে ভালো চিকিৎসক হবে এমন স্বপ্ন ছিল আমাদের। তবে শুভ্রদীপের ভালো মানুষ হওয়ার আকাক্সক্ষা আমাদের আনন্দ দিচ্ছে। তার সফলতার জন্য সম্মানিত শিক্ষকম-লী ও আত্মীয়স্বজনসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লুৎফুর রহমান বলেন, এই ফলাফল শুভ্রদীপের প্রাপ্য ছিল। কারণ সে অত্যন্ত মেধাবী, পরিশ্রমী, শান্তশিষ্ট এবং পড়ালেখায় বেশ মনোযোগী ছাত্র। বিশেষ করে তার পরিবার অর্থাৎ মা-বাবা অত্যন্ত শিক্ষা সচেতন মানুষ। তাঁরা সার্বক্ষণিক আমাদের সাথে যোগাযোগ রেখেছেন। শিক্ষকের পাশাপাশি মা-বাবার ভূমিকাই এ ফলাফলে বড় ভূমিকা রেখেছে। আমি শুভ্রদীপের সফলতা কামনা করছি।