আবারও হাসপাতালে ঢুকে নারী কর্মীকে পেটালো বখাটে

আপলোড সময় : ১৬-০৮-২০২৬ ১০:১৫:৫০ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১৬-০৮-২০২৬ ১০:১৫:৫০ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার :: মাত্র তিন মাসের মাথায় আবারও সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের টেকনোলজিস্টকে আগে এক্স-রে না দেওয়ায় বেধড়ক মারধর করেছে স্থানীয় এক বখাটে যুবক। পরে সহকর্মীরা এগিয়ে আসলে মিজানুর রহমান নামের ওই বখাটে যুবক ছুরি বের করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় হাসপাতালের বিক্ষুব্ধ কর্মীরা পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। বখাটেকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা। এ ঘটনায় হাসপাতালের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছে। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসারের কার্যালয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শহরের হাছননগর এলাকার আকিল মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান (৩১) প্রায়ই হাসপাতালে এসে নারী কর্মীদের উত্ত্যক্ত করে। কখনো দালাল হয়ে, কখনো তদবির নিয়ে এসে হুমকি-ধমকি দেয়। তিনমাস আগে এভাবে হাসপাতালে ঢুকে আনোয়ার ও মোজাহিদ নামের দুই মেডিকেল সহকারীকে মারধর করেছে সে। তখন কর্তৃপক্ষের কাছে মুচলেকা দিয়ে রেহাই পায়। এর আগেও সে আরেকবার এক নার্সকে পিটিয়েছিল বখাটে মিজানুর রহমান। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্যাথলজির এক্সরে বিভাগে গিয়ে মিজান জোরপূর্বক সিরিয়াল ভেঙে এক্সরে করাতে চাইলে টেকনোলজিস্ট কাকলী দাস সিরিয়াল মানার অনুরোধ জানান। এতে মিজান ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মারধর করে ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে সহকর্মীরা প্রতিবাদ করলে ছুরি উঁচিয়ে পালিয়ে যায়। প্যাথলজি বিভাগের কর্মীরা জানান, মিজান এর আগেও একবার হাসপাতালের একজন নার্সকে মারধর করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে তার মুচলেকা দেওয়া আছে। থানায়ও এ বিষয়ে অভিযোগও করা আছে। স্থানীয়ভাবে সে বখাটে হিসেবে পরিচিত। এদিকে সহকর্মীকে মারধরের ঘটনায় হাসপাতালের টেকনিশিয়ানেরা কিছু সময় কর্মবিরতি পালন করেন। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আহম্মদ হোসেন বলেন, তিনমাস আগেও সে হাসপাতালে এসে মারধর করেছে। আজও করেছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সম্পাদকীয় :

  • সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মো. জিয়াউল হক
  • সম্পাদক ও প্রকাশক : বিজন সেন রায়
  • বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : মোক্তারপাড়া রোড, সুনামগঞ্জ-৩০০০।

অফিস :

  • ই-মেইল : [email protected]
  • ওয়েবসাইট : www.sunamkantha.com