স্টাফ রিপোর্টার ::
তাহিরপুর উপজেলা সদরের ভাটি তাহিরপুর গ্রামে তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও ভূমি অফিসে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দুটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে বালুর বস্তা ফেলে ও লাল পতাকা টানিয়ে বিপদ সংকেত দেওয়া হয়েছে। এতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন ভাটি তাহিরপুর, টাকুরহাটি, গোবিন্দশ্রী, রতনশ্রীসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলা পোস্ট অফিসের সামনে থেকে কালীবাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১০০ গজ সড়কের দুটি স্থানে নিচের মাটি ধসে পাকা সড়কটি নিচের দিকে দেবে গেছে। শনির হাওরের ঢেউয়ের পানি নালা দিয়ে প্রবেশ করে সড়কের নিচের মাটি সরে যাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। একই সড়কের কালীবাড়ির সামনেও একই ধরনের ভাঙন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় সড়কটির ভাঙা অংশ স¤পূর্ণ ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ অংশ দিয়ে অটোরিকশা, রিকশা ও ভ্যান চলাচলে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ পথচারীদের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও দুর্ভোগে পড়েছেন। সড়কটি দিয়ে মালামাল পরিবহনও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তুষা মিয়াসহ অনেকে জানান, প্রতিদিন কয়েকটি গ্রামের শত শত মানুষ এই সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। সড়কের ভাঙা ও ঝুঁকিপূর্ণ অংশে রিকশা, অটোরিকশা ও ভ্যানগাড়ি প্রায়ই আটকে যায়। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে।
ব্যবসায়ী সামায়ুন কবির, আসাদুজ্জামান হিরুসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, উপজেলা সদরের পাশে এমন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল দশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দেখেও যেন না দেখার ভান করছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান তারা।
সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুনাব আলী বলেন, ভাটি তাহিরপুরসহ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা বিষয়টি তাকে জানিয়েছেন। তিনি নিজেও সড়কটির ভাঙন দেখেছেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম বলেন, জনদুর্ভোগ লাঘবে খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।