স্টাফ রিপোর্টার::
তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি যেন আরও ভয়াবহ। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোথাও পাঁচ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ মিলছে না। কোনো কোনো এলাকায় ১৫ থেকে ১৭ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এতে একদিকে মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে, অন্যদিকে শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষি কার্যক্রমেও পড়েছে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব। ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে ঘাটতির কারণে সুনামগঞ্জেও লোডশেডিং বেড়েছে। গ্যাস, কয়লা ও এলএনজি সংকটের পাশাপাশি বিদ্যুৎ আমদানিতে ঘাটতির কারণে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ-চাহিদার বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ লোডশেডিং ৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। ফলে সবচেয়ে বেশি ভুগছেন গ্রাম ও পল্লী অঞ্চলের মানুষ। জেলা বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুনামগঞ্জে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পল্লী বিদ্যুৎ মিলিয়ে গ্রাহক সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার লাখ। খোঁজ নিয়ে জানাযায়, শহরের চেয়ে গ্রামে-গঞ্জে বিদ্যুতের পরিস্থিতি আরও নাজুক। লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন মানুষজন। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে, কোথাও দিনে কয়েক দফায় বিদ্যুৎ যাচ্ছে, আবার কোথাও একবার চলে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। লোডশেডিংয়ের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থী, রোগী, শিশু ও বয়স্করা। রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতেও চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ওয়ার্কশপ, ক¤িপউটার ও ফটোকপি ব্যবসা, ক্ষুদ্র শিল্পসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অতিরিক্ত খরচ করে জেনারেটর কিংবা বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের ব্যয়ও বাড়ছে। এদিকে, বিদ্যুতের দাবিতে ক্ষোভও বাড়ছে। সম্প্রতি ছাতকের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। গ্রাহকদের প্রশ্ন- এই বিদ্যুৎ ভোগান্তি কাটবে কবে? দিনের পর দিন লোডশেডিং চললেও নির্দিষ্ট সময়সূচি না থাকায় গ্রাহকদের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে। কখন বিদ্যুৎ আসবে, কখন চলে যাবে - তা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তাদের। সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা বলছেন, এটি স্থানীয় বিতরণ ব্যবস্থার সংকটের চেয়ে জাতীয় পর্যায়ের উৎপাদন ও সরবরাহ ঘাটতির সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত। চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম পাওয়ায় বাধ্য হয়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ বাড়লে সুনামগঞ্জেও পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছেন তাঁরা।
তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি যেন আরও ভয়াবহ। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোথাও পাঁচ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ মিলছে না। কোনো কোনো এলাকায় ১৫ থেকে ১৭ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এতে একদিকে মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে, অন্যদিকে শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষি কার্যক্রমেও পড়েছে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব। ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে ঘাটতির কারণে সুনামগঞ্জেও লোডশেডিং বেড়েছে। গ্যাস, কয়লা ও এলএনজি সংকটের পাশাপাশি বিদ্যুৎ আমদানিতে ঘাটতির কারণে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ-চাহিদার বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ লোডশেডিং ৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। ফলে সবচেয়ে বেশি ভুগছেন গ্রাম ও পল্লী অঞ্চলের মানুষ। জেলা বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুনামগঞ্জে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পল্লী বিদ্যুৎ মিলিয়ে গ্রাহক সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার লাখ। খোঁজ নিয়ে জানাযায়, শহরের চেয়ে গ্রামে-গঞ্জে বিদ্যুতের পরিস্থিতি আরও নাজুক। লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন মানুষজন। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে, কোথাও দিনে কয়েক দফায় বিদ্যুৎ যাচ্ছে, আবার কোথাও একবার চলে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। লোডশেডিংয়ের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থী, রোগী, শিশু ও বয়স্করা। রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতেও চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ওয়ার্কশপ, ক¤িপউটার ও ফটোকপি ব্যবসা, ক্ষুদ্র শিল্পসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অতিরিক্ত খরচ করে জেনারেটর কিংবা বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের ব্যয়ও বাড়ছে। এদিকে, বিদ্যুতের দাবিতে ক্ষোভও বাড়ছে। সম্প্রতি ছাতকের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। গ্রাহকদের প্রশ্ন- এই বিদ্যুৎ ভোগান্তি কাটবে কবে? দিনের পর দিন লোডশেডিং চললেও নির্দিষ্ট সময়সূচি না থাকায় গ্রাহকদের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে। কখন বিদ্যুৎ আসবে, কখন চলে যাবে - তা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তাদের। সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা বলছেন, এটি স্থানীয় বিতরণ ব্যবস্থার সংকটের চেয়ে জাতীয় পর্যায়ের উৎপাদন ও সরবরাহ ঘাটতির সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত। চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম পাওয়ায় বাধ্য হয়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ বাড়লে সুনামগঞ্জেও পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছেন তাঁরা।