রনেন্দ্র তালুকদার পিংকু:
২০০১ সালে বাঁধন ক্রিকেট ক্লাব ২য় বিভাগ থেকে ১ম বিভাগে উন্নীত হওয়ার পরপর বাঁধন ক্লাব নবরূপে আত্মপ্রকাশ লাভ করে এবং একটি শক্তিশালী কার্যকারী কমিটি ও উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়। আমি রনেন্দ্র তালুকদার পিংকু, বাঁধনপাড়া নিবাসী রাকাব উদ্দিন, রেজাউল করিম নিক্কু ভাই, মানবেন্দ্র তালুকদার পিনু উপদেষ্টা এবং আকবর আলীকে প্রেসিডেন্ট সাজিদুর রহমানকে সেক্রেটারি করে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়। ইতিপূর্বে মাহিন হোসেন-অজয় ধর, প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি হিসেবে সংগঠনের কাজকর্ম করে আসছিলেন। বাঁধন ক্লাবে কমিটিতে আরো যারা ছিলেনÑ সুধাংশু শেখর দাস, হিরক দাস, অজয় ধর, অসীম ধর, তাজু, মকদ্দুস আলী, সাজিদুর রহমান, সাহিদুর রহমান, গোবিন্দ চক্রবর্তী, কৃষ্ণ চক্রবর্তী, মদন চক্রবর্তী, অনুপ ধর, জুনিয়রদের মধ্যে বিজন দেব বিল্টু, নিউটন তালুকদার, কপিল তালুকদার, সুমন, মোহন, পিনাক, রাজাসহ আরো অনেকে। বাঁধন ক্রিকেট ক্লাবের অফিসিয়াল ছিলেন গোলাম সাবেরীন সাবু। ক্লাবের যাত্রা এবং কাজকর্ম পুরোদমে শুরু হতে থাকে আকবর আলীর নেতৃত্বে। ১ম বিভাগ ক্রিকেট লীগে মাহিন রহমানের নেতৃত্বে আমরা ১ম বিভাব ক্রিকেট লীগের লেখায় অংশগ্রহণ করি। পাড়ার কৃষ্ণ’র দোকানে প্রতিদিনই খেলা শেষে আমি, আকবর, মাহিন, সুধাংশু, হিরন, অজয়, সাবু, সাজিদুরসহ অনেকেই মিটিং করতাম। তখন থেকেই ক্রিকেটারদের সম্মানী শুরু হয়। আমরা ক্লাব কর্মকর্তাদের বেকার থাকার কারণে অনেক কষ্ট করতে হতো ক্লাব চালাতে। আকবরের নেতৃত্বে তখন আমরা সবাই পাড়ার বাসায় বাসায় চাঁদা তুলতে যেতাম। আমাদের পাড়ার সম্মানিত উপদেষ্টা নূরুল ইসলাম ভাই, নিক্কু ভাই, রমেন্দ্র তালুকদার অনু ভাই, তিন জনই আমাদের অনেক সহযোগিতা করেছেন। আমাদের ক্রিকেটের সরঞ্জামাদি আমরা রাখতাম বন্ধু সুকোমল রায়ের বাসায়। বড়ভাই শংকর দা অনেক সহযোগিতা করতেন। এগুলো অনেক সময় দেখভাল করতেন বড় বিভাষ দা। প্রথম বছর ক্রিকেটে সেলিম দুর্দান্ত পারফর্ম করে। মাহিন, সাবু, কাজল অপ্রতিরোধ্য পারফর্ম করায় আমাদের মনোবল চাঙ্গা হতে থাকে। ঠিক এরপরের বছর আমি, হিরক, আকবর এবং সাজিদ মিলে পাড়ার কৃষ্ণর দোকানে আড্ডারত অবস্থায় খবর পাই জগন্নাথপুর উপজেলা মিষ্টু নামে একজন ক্রিকেটার সিলেট মোহামেডানে ভালো পারফর্ম করছে। এই খবর পেয়ে মিষ্টু এবং তার মামাতো ভাই পিংকুকে আমাদের বাঁধন ক্রিকেট ক্লাবে খেলার জন্য আমরা তাদের সাথে যোগাযোগ করি। এক পর্যায়ে উনারা রাজি হন এবং আমাদের টিমে খেলেন। এদিকে পাড়ার দুই কর্মকর্তা সাজিদুর রহমান এবং গোলাম সাবেরীন সাবু সুনামগঞ্জের একজন প্লেয়ারকে আনার জন্য নীলফামারী জেলায় চলে যান। অনেক কষ্ট করে সেই সোহেল নামক প্লেয়ারকে খেলাতে আমরা সক্ষম হই। ওই বছর আমাদের টিম অপরাজিত থেকে ফাইনাল উঠলে আমাদের টিমের বিরুদ্ধে একটা কমপ্লেইন হয় জেলা ক্রীড়া সংস্থায়। কমপ্লেইনের বিষয়বস্তু মিষ্টু নামক প্লেয়ারের বাড়ি জগন্নাথপুর নয় এইমর্মে। মূলত মিষ্টুর মামার বাড়ি জগন্নাথপুরে এবং মিষ্টু বাড়ি ছিল মৌলভীবাজার। কিন্তু মিষ্টু জন্মগ্রহণ করে জগন্নাথপুরে। প্রাইমারি স্কুলে লেখাপড়া করেও জগন্নাথপুরে। সে জগন্নাথপুর একাদশে হয়ে খেলাধুলাও করে। এক পর্যায়ে এই বিষয়টি নিয়ে তদন্তের ভার পরে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তার উপর। কোনো একদিন জগন্নাথপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থায় তদন্ত হয়। তদন্তে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান মিষ্টুকে জগন্নাথপুরের বলে সার্টিফিকেট দেন। জগন্নাথপুর ক্রীড়া সংস্থার স¤পাদক সার্টিফিকেট দেন। এতো সব প্রমাণের পরেও তাকে আর আমাদের দলে খেলতে দেয়া হয়নি। আমি, আকবর এবং হিরক তিনজনই তখন সারাদিন জগন্নাথপুরে ছিলাম। জগন্নাথপুর থেকে বাসায় ফিরতে ফিরতে তখন রাত ৩টা। তারপরেও আমাদের টিম থেকে ২ পয়েন্ট কর্তন করা হয়। আমরা ওই বছর খেলা থেকে ছিটকে পরি। ক্রিকেট খেলার জন্য আমাদের ওই সকল কর্মকর্তারা যে কি পরিমাণ কষ্ট করেছেন তা ভাষায় প্রকাশ করারা মতো নয়। অথচ ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা ক্রীড়া সংস্থায় বসে বসে কলমের খোঁচা দিয়ে দলগুলোকে নিঃশেষ করে ফেলেন। এরকম একটি দল চালাতে দলের সংগঠকদের কি ধরনের পরিশ্রম এবং কি পরিমাণ টাকা খরচ হয় তা সম্ভবত উনাদের বোধগম্য নয়। একজন ক্রিকেটার বের করতে একটি ক্লাবকে দিনের পর দিন পরিশ্রম করতে হয়। অথচ উনা কি ধরনের আইন সামনে আনেন যে একটি দলে জেলার কোনো জায়গায় জন্মগ্রহণ করা সত্ত্বেও জেলা ক্রীড়া সংস্থার অধিভুক্ত কোনো ক্লাবে খেলতে পারে না। আমরা সেটা কোনোভাবে মেনে নিতে পারিনি বিধায় আমরা কখনো ক্রীড়া সংস্থায় যাইনি। আমি এবং আকবর বাঁধন ক্লাবের পক্ষে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ছিলাম। আমরা শুধু মাঠ এবং পাড়া এই ছিলো আমাদের নিত্যদিনের রুটিন। ক্লাবগুলো এতো পরিশ্রম করার পরেও ক্রীড়া সংস্থা এদিকে কোনো কর্ণপাতই করে না। বিশেষ করে আমি, আকবর, হিরক এবং সাজিদ যখনই খবর পেতাম যে শাল্লায় কোনো ক্রিকেট প্লেয়ার আছে অথবা ধর্মপাশায় কোনো ক্রিকেট প্লেয়ার আছে তখনই আমরা সেই তৃণমূলে চলে যেতাম। এভাবে প্রায় ২০১০ সাল পর্যন্ত আমি, আকবর, মাহিন, সুধাংশু, অজয়, হিরক, গোবিন্দ, অসীম, বিল্টু, মকদ্দুস, পিযুষ, সেন্টু, মদন, নিউটন, পিনাক, সুমন, সাবু, সাহিদুর, সাজু, বিপ্লব, কাজল, মনুসহ অনেকেই ক্লাবের অগ্রযাত্রায় ব্যাপক ভূমিকা রেখেছি। আমি আমেরিকায় চলে আসার পর শত ঝড়ঝাপ্টা ডিঙিয়ে আকবর নিজেই ক্লাবকে এগিয়ে নিয়ে যান। তার অক্লান্ত পরিশ্রমে ২০২৫ সালে বাঁধন ক্লাব চ্যা¤িপয়ন হয়। এটিই ১ম বিভাগ ক্রিকেটে আমাদের ক্লাব ১ম বার চ্যাম্পিয়ন। আকবরের জীবনেও প্রথম এবং শেষ চ্যাম্পিয়ন। আকবর খুব অসময়ে চলে গেল। এমন সজ্জন-ভালো মানুষের শূন্যতা সহজে পূরণ হবার নয়। না ফেরার দেশে ভালো থেকো প্রিয় আকবর।
২০০১ সালে বাঁধন ক্রিকেট ক্লাব ২য় বিভাগ থেকে ১ম বিভাগে উন্নীত হওয়ার পরপর বাঁধন ক্লাব নবরূপে আত্মপ্রকাশ লাভ করে এবং একটি শক্তিশালী কার্যকারী কমিটি ও উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়। আমি রনেন্দ্র তালুকদার পিংকু, বাঁধনপাড়া নিবাসী রাকাব উদ্দিন, রেজাউল করিম নিক্কু ভাই, মানবেন্দ্র তালুকদার পিনু উপদেষ্টা এবং আকবর আলীকে প্রেসিডেন্ট সাজিদুর রহমানকে সেক্রেটারি করে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়। ইতিপূর্বে মাহিন হোসেন-অজয় ধর, প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি হিসেবে সংগঠনের কাজকর্ম করে আসছিলেন। বাঁধন ক্লাবে কমিটিতে আরো যারা ছিলেনÑ সুধাংশু শেখর দাস, হিরক দাস, অজয় ধর, অসীম ধর, তাজু, মকদ্দুস আলী, সাজিদুর রহমান, সাহিদুর রহমান, গোবিন্দ চক্রবর্তী, কৃষ্ণ চক্রবর্তী, মদন চক্রবর্তী, অনুপ ধর, জুনিয়রদের মধ্যে বিজন দেব বিল্টু, নিউটন তালুকদার, কপিল তালুকদার, সুমন, মোহন, পিনাক, রাজাসহ আরো অনেকে। বাঁধন ক্রিকেট ক্লাবের অফিসিয়াল ছিলেন গোলাম সাবেরীন সাবু। ক্লাবের যাত্রা এবং কাজকর্ম পুরোদমে শুরু হতে থাকে আকবর আলীর নেতৃত্বে। ১ম বিভাগ ক্রিকেট লীগে মাহিন রহমানের নেতৃত্বে আমরা ১ম বিভাব ক্রিকেট লীগের লেখায় অংশগ্রহণ করি। পাড়ার কৃষ্ণ’র দোকানে প্রতিদিনই খেলা শেষে আমি, আকবর, মাহিন, সুধাংশু, হিরন, অজয়, সাবু, সাজিদুরসহ অনেকেই মিটিং করতাম। তখন থেকেই ক্রিকেটারদের সম্মানী শুরু হয়। আমরা ক্লাব কর্মকর্তাদের বেকার থাকার কারণে অনেক কষ্ট করতে হতো ক্লাব চালাতে। আকবরের নেতৃত্বে তখন আমরা সবাই পাড়ার বাসায় বাসায় চাঁদা তুলতে যেতাম। আমাদের পাড়ার সম্মানিত উপদেষ্টা নূরুল ইসলাম ভাই, নিক্কু ভাই, রমেন্দ্র তালুকদার অনু ভাই, তিন জনই আমাদের অনেক সহযোগিতা করেছেন। আমাদের ক্রিকেটের সরঞ্জামাদি আমরা রাখতাম বন্ধু সুকোমল রায়ের বাসায়। বড়ভাই শংকর দা অনেক সহযোগিতা করতেন। এগুলো অনেক সময় দেখভাল করতেন বড় বিভাষ দা। প্রথম বছর ক্রিকেটে সেলিম দুর্দান্ত পারফর্ম করে। মাহিন, সাবু, কাজল অপ্রতিরোধ্য পারফর্ম করায় আমাদের মনোবল চাঙ্গা হতে থাকে। ঠিক এরপরের বছর আমি, হিরক, আকবর এবং সাজিদ মিলে পাড়ার কৃষ্ণর দোকানে আড্ডারত অবস্থায় খবর পাই জগন্নাথপুর উপজেলা মিষ্টু নামে একজন ক্রিকেটার সিলেট মোহামেডানে ভালো পারফর্ম করছে। এই খবর পেয়ে মিষ্টু এবং তার মামাতো ভাই পিংকুকে আমাদের বাঁধন ক্রিকেট ক্লাবে খেলার জন্য আমরা তাদের সাথে যোগাযোগ করি। এক পর্যায়ে উনারা রাজি হন এবং আমাদের টিমে খেলেন। এদিকে পাড়ার দুই কর্মকর্তা সাজিদুর রহমান এবং গোলাম সাবেরীন সাবু সুনামগঞ্জের একজন প্লেয়ারকে আনার জন্য নীলফামারী জেলায় চলে যান। অনেক কষ্ট করে সেই সোহেল নামক প্লেয়ারকে খেলাতে আমরা সক্ষম হই। ওই বছর আমাদের টিম অপরাজিত থেকে ফাইনাল উঠলে আমাদের টিমের বিরুদ্ধে একটা কমপ্লেইন হয় জেলা ক্রীড়া সংস্থায়। কমপ্লেইনের বিষয়বস্তু মিষ্টু নামক প্লেয়ারের বাড়ি জগন্নাথপুর নয় এইমর্মে। মূলত মিষ্টুর মামার বাড়ি জগন্নাথপুরে এবং মিষ্টু বাড়ি ছিল মৌলভীবাজার। কিন্তু মিষ্টু জন্মগ্রহণ করে জগন্নাথপুরে। প্রাইমারি স্কুলে লেখাপড়া করেও জগন্নাথপুরে। সে জগন্নাথপুর একাদশে হয়ে খেলাধুলাও করে। এক পর্যায়ে এই বিষয়টি নিয়ে তদন্তের ভার পরে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তার উপর। কোনো একদিন জগন্নাথপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থায় তদন্ত হয়। তদন্তে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান মিষ্টুকে জগন্নাথপুরের বলে সার্টিফিকেট দেন। জগন্নাথপুর ক্রীড়া সংস্থার স¤পাদক সার্টিফিকেট দেন। এতো সব প্রমাণের পরেও তাকে আর আমাদের দলে খেলতে দেয়া হয়নি। আমি, আকবর এবং হিরক তিনজনই তখন সারাদিন জগন্নাথপুরে ছিলাম। জগন্নাথপুর থেকে বাসায় ফিরতে ফিরতে তখন রাত ৩টা। তারপরেও আমাদের টিম থেকে ২ পয়েন্ট কর্তন করা হয়। আমরা ওই বছর খেলা থেকে ছিটকে পরি। ক্রিকেট খেলার জন্য আমাদের ওই সকল কর্মকর্তারা যে কি পরিমাণ কষ্ট করেছেন তা ভাষায় প্রকাশ করারা মতো নয়। অথচ ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা ক্রীড়া সংস্থায় বসে বসে কলমের খোঁচা দিয়ে দলগুলোকে নিঃশেষ করে ফেলেন। এরকম একটি দল চালাতে দলের সংগঠকদের কি ধরনের পরিশ্রম এবং কি পরিমাণ টাকা খরচ হয় তা সম্ভবত উনাদের বোধগম্য নয়। একজন ক্রিকেটার বের করতে একটি ক্লাবকে দিনের পর দিন পরিশ্রম করতে হয়। অথচ উনা কি ধরনের আইন সামনে আনেন যে একটি দলে জেলার কোনো জায়গায় জন্মগ্রহণ করা সত্ত্বেও জেলা ক্রীড়া সংস্থার অধিভুক্ত কোনো ক্লাবে খেলতে পারে না। আমরা সেটা কোনোভাবে মেনে নিতে পারিনি বিধায় আমরা কখনো ক্রীড়া সংস্থায় যাইনি। আমি এবং আকবর বাঁধন ক্লাবের পক্ষে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ছিলাম। আমরা শুধু মাঠ এবং পাড়া এই ছিলো আমাদের নিত্যদিনের রুটিন। ক্লাবগুলো এতো পরিশ্রম করার পরেও ক্রীড়া সংস্থা এদিকে কোনো কর্ণপাতই করে না। বিশেষ করে আমি, আকবর, হিরক এবং সাজিদ যখনই খবর পেতাম যে শাল্লায় কোনো ক্রিকেট প্লেয়ার আছে অথবা ধর্মপাশায় কোনো ক্রিকেট প্লেয়ার আছে তখনই আমরা সেই তৃণমূলে চলে যেতাম। এভাবে প্রায় ২০১০ সাল পর্যন্ত আমি, আকবর, মাহিন, সুধাংশু, অজয়, হিরক, গোবিন্দ, অসীম, বিল্টু, মকদ্দুস, পিযুষ, সেন্টু, মদন, নিউটন, পিনাক, সুমন, সাবু, সাহিদুর, সাজু, বিপ্লব, কাজল, মনুসহ অনেকেই ক্লাবের অগ্রযাত্রায় ব্যাপক ভূমিকা রেখেছি। আমি আমেরিকায় চলে আসার পর শত ঝড়ঝাপ্টা ডিঙিয়ে আকবর নিজেই ক্লাবকে এগিয়ে নিয়ে যান। তার অক্লান্ত পরিশ্রমে ২০২৫ সালে বাঁধন ক্লাব চ্যা¤িপয়ন হয়। এটিই ১ম বিভাগ ক্রিকেটে আমাদের ক্লাব ১ম বার চ্যাম্পিয়ন। আকবরের জীবনেও প্রথম এবং শেষ চ্যাম্পিয়ন। আকবর খুব অসময়ে চলে গেল। এমন সজ্জন-ভালো মানুষের শূন্যতা সহজে পূরণ হবার নয়। না ফেরার দেশে ভালো থেকো প্রিয় আকবর।