জালাল উদ্দিন নাসিম::
বর্ষা যেন বাংলার প্রাণ। কালো মেঘ, টাপুর-টুপুর বৃষ্টি, কদমফুলের সুবাস আর নদী-হাওরের উচ্ছ্বাস - এই চিরচেনা রূপকে নৃত্য, সংগীত ও কবিতার আবহে তুলে ধরল সুনামগঞ্জের নৃত্য সংগঠন ‘অয়নৃত্য’। সংগঠনটির তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ বর্ষা উৎসব ‘নীল নবঘনে’ পরিণত হয় শিল্প-সংস্কৃতির এক বর্ণিল মিলনমেলায়। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাছন রাজা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন শুরু থেকেই দর্শক-শ্রোতার প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে। বর্ষার রিমঝিম আবহ, আলো-ছায়ার নান্দনিক মঞ্চসজ্জা এবং একের পর এক নৃত্য ও সংগীত পরিবেশনায় মিলনায়তনে তৈরি হয় মোহনীয় পরিবেশ। অনুষ্ঠানের শুরুতে অয়নৃত্যের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সৌরভ অধিকারী অয়নের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে বক্তব্য দেন দৈনিক সুনামগঞ্জের ডাক সম্পাদক ও প্রকাশক এবং সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ (অব.) মো. শেরগুল আহমেদ, জেলা জাসাসের সাধারণ স¤পাদক মুনাজ্জির হোসেন সুজন, জেলা কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাভেল, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক অ্যাডভোকেট খলিল রহমান, নিউজ টোয়েন্টিফোরের জেলা প্রতিনিধি বুরহান উদ্দিন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষক সন্তোষ কুমার চন্দ এবং নাট্যকর্মী সামির পল্লব। বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার সঙ্গে স¤পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। নৃত্য, সংগীত ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে ইতিবাচক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব। অয়নৃত্যের তিন বছরের ধারাবাহিক পথচলা এবং বর্ষাকেন্দ্রিক এ আয়োজন নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আলোচনা পর্ব শেষে শুরু হয় প্রতীক্ষিত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ‘নীল নবঘনে’। বর্ষার সৌন্দর্য, প্রকৃতির রূপ এবং বাংলার লোকজ ঐতিহ্যকে উপজীব্য করে একের পর এক নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পীরা। নৃত্যের ছন্দে কখনও ধরা পড়ে মেঘ-বৃষ্টির উচ্ছ্বাস, আবার কখনও ফুটে ওঠে বাংলার চিরায়ত গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির সৌন্দর্য। অনুষ্ঠানে অংশ নেয় ছাতকের নৃত্যকলি, সপ্তসুর সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র, নৃত্যম নৃত্যালয়, সুরআলোক সংগীত বিদ্যালয়, স্বরবিতান সংগীত বিদ্যালয় এবং আয়োজক সংগঠন অয়নৃত্য। প্রতিটি পরিবেশনাই দর্শকদের করতালিতে বারবার মুখরিত হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশীয় নৃত্যধারা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি শিশু-কিশোর ও তরুণদের শিল্প-সংস্কৃতিমুখী করাই অয়নৃত্যের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও ঋতুভিত্তিক ও ঐতিহ্যনির্ভর নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
বর্ষা যেন বাংলার প্রাণ। কালো মেঘ, টাপুর-টুপুর বৃষ্টি, কদমফুলের সুবাস আর নদী-হাওরের উচ্ছ্বাস - এই চিরচেনা রূপকে নৃত্য, সংগীত ও কবিতার আবহে তুলে ধরল সুনামগঞ্জের নৃত্য সংগঠন ‘অয়নৃত্য’। সংগঠনটির তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ বর্ষা উৎসব ‘নীল নবঘনে’ পরিণত হয় শিল্প-সংস্কৃতির এক বর্ণিল মিলনমেলায়। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাছন রাজা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন শুরু থেকেই দর্শক-শ্রোতার প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে। বর্ষার রিমঝিম আবহ, আলো-ছায়ার নান্দনিক মঞ্চসজ্জা এবং একের পর এক নৃত্য ও সংগীত পরিবেশনায় মিলনায়তনে তৈরি হয় মোহনীয় পরিবেশ। অনুষ্ঠানের শুরুতে অয়নৃত্যের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সৌরভ অধিকারী অয়নের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে বক্তব্য দেন দৈনিক সুনামগঞ্জের ডাক সম্পাদক ও প্রকাশক এবং সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ (অব.) মো. শেরগুল আহমেদ, জেলা জাসাসের সাধারণ স¤পাদক মুনাজ্জির হোসেন সুজন, জেলা কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাভেল, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক অ্যাডভোকেট খলিল রহমান, নিউজ টোয়েন্টিফোরের জেলা প্রতিনিধি বুরহান উদ্দিন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষক সন্তোষ কুমার চন্দ এবং নাট্যকর্মী সামির পল্লব। বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার সঙ্গে স¤পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। নৃত্য, সংগীত ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে ইতিবাচক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব। অয়নৃত্যের তিন বছরের ধারাবাহিক পথচলা এবং বর্ষাকেন্দ্রিক এ আয়োজন নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আলোচনা পর্ব শেষে শুরু হয় প্রতীক্ষিত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ‘নীল নবঘনে’। বর্ষার সৌন্দর্য, প্রকৃতির রূপ এবং বাংলার লোকজ ঐতিহ্যকে উপজীব্য করে একের পর এক নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পীরা। নৃত্যের ছন্দে কখনও ধরা পড়ে মেঘ-বৃষ্টির উচ্ছ্বাস, আবার কখনও ফুটে ওঠে বাংলার চিরায়ত গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির সৌন্দর্য। অনুষ্ঠানে অংশ নেয় ছাতকের নৃত্যকলি, সপ্তসুর সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র, নৃত্যম নৃত্যালয়, সুরআলোক সংগীত বিদ্যালয়, স্বরবিতান সংগীত বিদ্যালয় এবং আয়োজক সংগঠন অয়নৃত্য। প্রতিটি পরিবেশনাই দর্শকদের করতালিতে বারবার মুখরিত হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশীয় নৃত্যধারা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি শিশু-কিশোর ও তরুণদের শিল্প-সংস্কৃতিমুখী করাই অয়নৃত্যের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও ঋতুভিত্তিক ও ঐতিহ্যনির্ভর নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে।