স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে জেলা যুবদলের এক নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেছেন, সেখানে চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
জানা যায়, গত ১৬ জুলাই মধ্যনগর বাজার স্পিডবোট ঘাটে সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহসম্পাদক এম শহীদের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী তাহিরপুর উপজেলার স্পিডবোট চালক রাজু আহমেদের ভাড়া-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে রাজু আহমেদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এম শহীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন। তবে ঘটনাটি নিয়ে অনুসন্ধানে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী।
ঘটনার সময় মধ্যনগর উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল হক, উপজেলা প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কয়েকজন স্পিডবোট চালক উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী স্পিডবোট চালক শাহারুল বলেন, “গত ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় মধ্যনগর বাজার স্পিডবোট ঘাটে ভাড়া নিয়ে রাজু আহমেদের সঙ্গে এম শহীদের কথা-কাটাকাটি হয়। তবে শহীদ কোনো চাঁদা দাবি করেননি। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
মধ্যনগর উপজেলা উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নানু মিয়া বলেন, “সামান্য একটি বিষয় নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। তবে পরে বিদ্বেষমূলকভাবে চাঁদাবাজির অভিযোগ ছড়ানো ঠিক হয়নি।”
মধ্যনগর উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল হক বলেন, “আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম। সেখানে কোনো চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটতে দেখিনি।”
অন্যদিকে স্পিডবোট চালক রাজু আহমেদের দাবি, “কথা-কাটাকাটির সময় শহীদ ভাইয়ের লোকজন আমার ওপর হামলা চালায় এবং আমাকে হুমকি দিয়ে বলে চাঁদা দিলেই স্পিডবোট চালাতে পারবি।’
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহসম্পাদক এম শহীদ বলেন, “রাজু আহমেদকে আমি ভালোভাবে চিনি না। ভাড়া নিয়ে আমাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। আমি কখনো তার কাছে চাঁদা দাবি করিনি। ঘটনাস্থলে অনেক প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন, তারাই প্রকৃত ঘটনা জানেন।
সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে জেলা যুবদলের এক নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেছেন, সেখানে চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
জানা যায়, গত ১৬ জুলাই মধ্যনগর বাজার স্পিডবোট ঘাটে সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহসম্পাদক এম শহীদের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী তাহিরপুর উপজেলার স্পিডবোট চালক রাজু আহমেদের ভাড়া-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে রাজু আহমেদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এম শহীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন। তবে ঘটনাটি নিয়ে অনুসন্ধানে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী।
ঘটনার সময় মধ্যনগর উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল হক, উপজেলা প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কয়েকজন স্পিডবোট চালক উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী স্পিডবোট চালক শাহারুল বলেন, “গত ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় মধ্যনগর বাজার স্পিডবোট ঘাটে ভাড়া নিয়ে রাজু আহমেদের সঙ্গে এম শহীদের কথা-কাটাকাটি হয়। তবে শহীদ কোনো চাঁদা দাবি করেননি। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
মধ্যনগর উপজেলা উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নানু মিয়া বলেন, “সামান্য একটি বিষয় নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। তবে পরে বিদ্বেষমূলকভাবে চাঁদাবাজির অভিযোগ ছড়ানো ঠিক হয়নি।”
মধ্যনগর উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল হক বলেন, “আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম। সেখানে কোনো চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটতে দেখিনি।”
অন্যদিকে স্পিডবোট চালক রাজু আহমেদের দাবি, “কথা-কাটাকাটির সময় শহীদ ভাইয়ের লোকজন আমার ওপর হামলা চালায় এবং আমাকে হুমকি দিয়ে বলে চাঁদা দিলেই স্পিডবোট চালাতে পারবি।’
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহসম্পাদক এম শহীদ বলেন, “রাজু আহমেদকে আমি ভালোভাবে চিনি না। ভাড়া নিয়ে আমাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। আমি কখনো তার কাছে চাঁদা দাবি করিনি। ঘটনাস্থলে অনেক প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন, তারাই প্রকৃত ঘটনা জানেন।