গত ১৬ জুলাই সুনামগঞ্জের তাহিরপুর-মধ্যনগর নৌপথের এক স্পিডবোট চালকের ওপর নির্যাতন এবং এর জের ধরে অনির্দিষ্টকালের নৌ-ধর্মঘট সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমাকে (এম শহীদ) জড়িয়ে যে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে, তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা মাত্র। আমি এই মিথ্যা ও কাল্পনিক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রকৃত সত্য ও আমার অবস্থান:
১৬ জুলাই সন্ধ্যায় মধ্যনগর উপজেলা প্রশাসনিক ভবন-সংলগ্ন এলাকায় একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক স্পিডবোট চালকের সঙ্গে সাধারণ কথা-কাটাকাটি হয়। সেখানে কোনো ধরনের অশালীন আচরণ, গালিগালাজ বা অনাকাঙ্ক্ষিত নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—উক্ত ঘটনার সাথে আমার দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই। একটি কায়েমি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এবং সামাজিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ঘটনার সাথে আমার নাম জড়িয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমি সর্বদা সচেষ্ট এবং যেকোনো ধরনের অন্যায় ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমার অবস্থান সবসময়ই সুস্পষ্ট। শ্রমজীবী স্পিডবোট চালক ভাইদের সাথে আমার কোনো বিরোধ নেই; কাউকে নির্যাতন বা মারধর করার প্রশ্নই আসে না। এছাড়াও ঘটনার সময় সেখানে মধ্যনগর খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশাসনের দুজন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বেশ কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন, যারা পুরো বিষয়টির প্রত্যক্ষদর্শী।
তদন্ত ও বস্তুনিষ্ঠতার আহ্বান:
আমি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, তাঁরা যেন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনাটি উদ্ঘাটন করেন। সঠিক তদন্তেই সত্য বেরিয়ে আসবে এবং আমার নির্দোষিতা প্রমাণিত হবে।একই সাথে, গণমাধ্যম ও সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ, যেকোনো একপেশে বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সংবাদ প্রকাশ না করে, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রকাশ করবেন। দেশ ও সমাজের দর্পণ হিসেবে গণমাধ্যমের কাছে আমরা এটাই প্রত্যাশা করি।
এম শহীদ,
বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক
সুনামগঞ্জ জেলা যুবদল।
প্রকৃত সত্য ও আমার অবস্থান:
১৬ জুলাই সন্ধ্যায় মধ্যনগর উপজেলা প্রশাসনিক ভবন-সংলগ্ন এলাকায় একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক স্পিডবোট চালকের সঙ্গে সাধারণ কথা-কাটাকাটি হয়। সেখানে কোনো ধরনের অশালীন আচরণ, গালিগালাজ বা অনাকাঙ্ক্ষিত নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—উক্ত ঘটনার সাথে আমার দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই। একটি কায়েমি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এবং সামাজিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ঘটনার সাথে আমার নাম জড়িয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমি সর্বদা সচেষ্ট এবং যেকোনো ধরনের অন্যায় ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমার অবস্থান সবসময়ই সুস্পষ্ট। শ্রমজীবী স্পিডবোট চালক ভাইদের সাথে আমার কোনো বিরোধ নেই; কাউকে নির্যাতন বা মারধর করার প্রশ্নই আসে না। এছাড়াও ঘটনার সময় সেখানে মধ্যনগর খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশাসনের দুজন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বেশ কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন, যারা পুরো বিষয়টির প্রত্যক্ষদর্শী।
তদন্ত ও বস্তুনিষ্ঠতার আহ্বান:
আমি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, তাঁরা যেন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনাটি উদ্ঘাটন করেন। সঠিক তদন্তেই সত্য বেরিয়ে আসবে এবং আমার নির্দোষিতা প্রমাণিত হবে।একই সাথে, গণমাধ্যম ও সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ, যেকোনো একপেশে বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সংবাদ প্রকাশ না করে, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রকাশ করবেন। দেশ ও সমাজের দর্পণ হিসেবে গণমাধ্যমের কাছে আমরা এটাই প্রত্যাশা করি।
এম শহীদ,
বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক
সুনামগঞ্জ জেলা যুবদল।