জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ::
ছাতক উপজেলার হাওর, নদী-নালা, খাল-বিল ও বিভিন্ন জলাশয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বিদেশি আগ্রাসী প্রজাতির রাক্ষুসে সাকার মাছ (ঝঁপশবৎসড়ঁঃয ঈধঃভরংয)। স্থানীয় জেলেদের জালে এখন নিয়মিত ধরা পড়ছে রাক্ষুসে এ সাকার মাছ। ফলে দেশীয় মাছের অস্তিত্ব ও জলজ জীববৈচিত্র্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ছাতকের হলদিউরা গ্রামের শরীফ উদ্দিনের সুতার জালে সপ্তাহের ভিতরে ৩টি সাকার মাছ ধরা পড়ে। সে মাছটি চিনতে পারেনি। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় মাছটি চিনতে পারে। এছাড়াও ছাতক পৌরশহরে দক্ষিণ বাগবাড়ি মহল্লার আমির হোসেন সুরমা নদীর তীরবর্তী খালে মাছ ধরতে গিয়ে একটি আগ্রাসী প্রজাতির রাক্ষুসে সাকার মাছ ধরে বাসায় নিয়ে আসেন। মাছে অনেক ডিম পেয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, মাছটি না খেয়ে ফেলে দিয়েছি। স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, আগে যেসব জলাশয়ে টেংরা, পুঁটি, মলা, শিং, মাগুর, কৈসহ নানা দেশীয় ছোট মাছ পাওয়া যেত, এখন সেখানে সাকার মাছ দেখা যাচ্ছে। এই মাছের শক্ত বর্ম, দ্রুত বংশবিস্তার এবং প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার ক্ষমতার কারণে দেশীয় মাছের আবাস ও খাদ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি হবে বলে আশঙ্কা রয়েছে। মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ আমেরিকার এ মাছ উন্মুক্ত জলাশয়ে ছেড়ে দেওয়ায় এটি দেশের নদী-নালা, হাওর ও খাল-বিলে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো ছাতকের জলাশয়েও এর উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। জানা যায়, পোকামাকড়, জলজ উদ্ভিদ, ছোট মাছ ও মাছের পোনা সাকার মাছের খাদ্য। আকারে মাছটির ১৬ থেকে ১৮ ইঞ্চি লম্বা হয়। এটি পানি ছাড়াই ২৪ ঘণ্টা বাঁচতে পারে। সাকার মাছ কম অক্সিজেনযুক্ত পানিতেও বেঁচে থাকতে পারে এবং দ্রুত বংশবিস্তার করে। দেশীয় মাছের খাদ্য ও আবাসস্থলের ওপর নেতিবাচক প্রভাবের কারণে বাংলাদেশ সরকার ২০২২ সালে সাকার মাছের আমদানি, প্রজনন, চাষ, বিক্রি ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করেছে। মৎস্য গবেষকদের মতে, এ মাছের বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি। ছাতকের হলদিউরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মতলিব জানান, বিভিন্ন হাওর ও নদীতে মাছ ধরতে গেলে প্রায়ই জালে সাকার মাছ ধরা পড়ছে। বিষয়টি নিয়ে মৎস্য বিভাগের জরুরি নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। হলদিউরা গ্রামের আনামুল হক বলেন, এটি এক ধরণের রাক্ষুসে মাছ। পুকুর বা জলাশয়ে এ ধরণের মাছ থাকলে সেখানে অন্যান্য মাছ বিশেষ করে বড় মাছের পোনাসহ বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছ থাকতে পারে না। দ্রুত প্রজনন ক্ষমতা স¤পন্ন এই মাছ অন্যান্য ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে। প্রতিনিয়ত এ মাছটি জেলেদের জালে ধরা পড়ছে। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. হানিফ উদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ছাতকে সাকার মাছ থাকার কথা না। এটা ঢাকার মেঘনায় পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু ছাতকে জেলেদের জালে এই মাছটি ধরা পড়েছে এই প্রথম আপনার কাছ থেকে জানলাম। সাকার মাছ দেশি জাতের মাছের পোনা ও ছোট মাছ এবং মাছের খাদ্য খেয়ে ফেলে এবং দ্রুত বংশ বিস্তার লাভ করে। দেশীয় জাতের মাছে প্রভাব ফেলেতে পারে। এই মাছ পাওয়া গেলে এটাকে আর পানিতে ছেড়ে দেয়া যাবে না। এ বিষয়টা আমাদের হাওরের জন্য অনেক ক্ষতিকর। এখন থেকে আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে সচেতনতা তৈরি করতে দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ছাতক উপজেলার হাওর, নদী-নালা, খাল-বিল ও বিভিন্ন জলাশয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বিদেশি আগ্রাসী প্রজাতির রাক্ষুসে সাকার মাছ (ঝঁপশবৎসড়ঁঃয ঈধঃভরংয)। স্থানীয় জেলেদের জালে এখন নিয়মিত ধরা পড়ছে রাক্ষুসে এ সাকার মাছ। ফলে দেশীয় মাছের অস্তিত্ব ও জলজ জীববৈচিত্র্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ছাতকের হলদিউরা গ্রামের শরীফ উদ্দিনের সুতার জালে সপ্তাহের ভিতরে ৩টি সাকার মাছ ধরা পড়ে। সে মাছটি চিনতে পারেনি। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় মাছটি চিনতে পারে। এছাড়াও ছাতক পৌরশহরে দক্ষিণ বাগবাড়ি মহল্লার আমির হোসেন সুরমা নদীর তীরবর্তী খালে মাছ ধরতে গিয়ে একটি আগ্রাসী প্রজাতির রাক্ষুসে সাকার মাছ ধরে বাসায় নিয়ে আসেন। মাছে অনেক ডিম পেয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, মাছটি না খেয়ে ফেলে দিয়েছি। স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, আগে যেসব জলাশয়ে টেংরা, পুঁটি, মলা, শিং, মাগুর, কৈসহ নানা দেশীয় ছোট মাছ পাওয়া যেত, এখন সেখানে সাকার মাছ দেখা যাচ্ছে। এই মাছের শক্ত বর্ম, দ্রুত বংশবিস্তার এবং প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার ক্ষমতার কারণে দেশীয় মাছের আবাস ও খাদ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি হবে বলে আশঙ্কা রয়েছে। মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ আমেরিকার এ মাছ উন্মুক্ত জলাশয়ে ছেড়ে দেওয়ায় এটি দেশের নদী-নালা, হাওর ও খাল-বিলে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো ছাতকের জলাশয়েও এর উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। জানা যায়, পোকামাকড়, জলজ উদ্ভিদ, ছোট মাছ ও মাছের পোনা সাকার মাছের খাদ্য। আকারে মাছটির ১৬ থেকে ১৮ ইঞ্চি লম্বা হয়। এটি পানি ছাড়াই ২৪ ঘণ্টা বাঁচতে পারে। সাকার মাছ কম অক্সিজেনযুক্ত পানিতেও বেঁচে থাকতে পারে এবং দ্রুত বংশবিস্তার করে। দেশীয় মাছের খাদ্য ও আবাসস্থলের ওপর নেতিবাচক প্রভাবের কারণে বাংলাদেশ সরকার ২০২২ সালে সাকার মাছের আমদানি, প্রজনন, চাষ, বিক্রি ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করেছে। মৎস্য গবেষকদের মতে, এ মাছের বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি। ছাতকের হলদিউরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মতলিব জানান, বিভিন্ন হাওর ও নদীতে মাছ ধরতে গেলে প্রায়ই জালে সাকার মাছ ধরা পড়ছে। বিষয়টি নিয়ে মৎস্য বিভাগের জরুরি নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। হলদিউরা গ্রামের আনামুল হক বলেন, এটি এক ধরণের রাক্ষুসে মাছ। পুকুর বা জলাশয়ে এ ধরণের মাছ থাকলে সেখানে অন্যান্য মাছ বিশেষ করে বড় মাছের পোনাসহ বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছ থাকতে পারে না। দ্রুত প্রজনন ক্ষমতা স¤পন্ন এই মাছ অন্যান্য ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে। প্রতিনিয়ত এ মাছটি জেলেদের জালে ধরা পড়ছে। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. হানিফ উদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ছাতকে সাকার মাছ থাকার কথা না। এটা ঢাকার মেঘনায় পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু ছাতকে জেলেদের জালে এই মাছটি ধরা পড়েছে এই প্রথম আপনার কাছ থেকে জানলাম। সাকার মাছ দেশি জাতের মাছের পোনা ও ছোট মাছ এবং মাছের খাদ্য খেয়ে ফেলে এবং দ্রুত বংশ বিস্তার লাভ করে। দেশীয় জাতের মাছে প্রভাব ফেলেতে পারে। এই মাছ পাওয়া গেলে এটাকে আর পানিতে ছেড়ে দেয়া যাবে না। এ বিষয়টা আমাদের হাওরের জন্য অনেক ক্ষতিকর। এখন থেকে আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে সচেতনতা তৈরি করতে দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।