স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের মাদক সেবনের অভিযোগসংবলিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভাইরাল হওয়া প্রায় ১৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, টাঙ্গুয়ার হাওরের একটি মাছ ধরার ট্রলারে কয়েকজনের উপস্থিতিতে আগুনের তাপে একটি যন্ত্র ব্যবহার করে পাইপের মাধ্যমে একটি পদার্থ গ্রহণ করছেন এক ব্যক্তি। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের অনেকে দাবি করেন, ওই ব্যক্তি বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এবং তিনি ইয়াবা সেবন করছিলেন। এই বিষয়ে জানতে চাইলে বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে যে ভিডিওটি ছড়ানো হচ্ছে সেটি আমার নয়,এটি ইডিট করা।
বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইনামুল গণি তালুকদার রুবেল বলেন, “মাদকাসক্ত কোনো ব্যক্তির বিএনপিতে জায়গা হবে না। বিএনপি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। আনোয়ারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে দলীয় বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের মাদক সেবনের অভিযোগসংবলিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভাইরাল হওয়া প্রায় ১৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, টাঙ্গুয়ার হাওরের একটি মাছ ধরার ট্রলারে কয়েকজনের উপস্থিতিতে আগুনের তাপে একটি যন্ত্র ব্যবহার করে পাইপের মাধ্যমে একটি পদার্থ গ্রহণ করছেন এক ব্যক্তি। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের অনেকে দাবি করেন, ওই ব্যক্তি বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এবং তিনি ইয়াবা সেবন করছিলেন। এই বিষয়ে জানতে চাইলে বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে যে ভিডিওটি ছড়ানো হচ্ছে সেটি আমার নয়,এটি ইডিট করা।
বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইনামুল গণি তালুকদার রুবেল বলেন, “মাদকাসক্ত কোনো ব্যক্তির বিএনপিতে জায়গা হবে না। বিএনপি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। আনোয়ারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে দলীয় বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”