স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জের সীমান্ত নদী যাদুকাটা এবং খনিজ বালুতে ভরাট হওয়া মাহরাম নদী থেকে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন করে এলাকার পরিবেশ, প্রতিবেশ ধ্বংস করে ফেলছে দুষ্কৃতিকারীরা। বালু লুট করে হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা। নদী ও পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষায় রবিবার বিকেলে নদী এলাকা লাউড়েরগড়ে সমাবেশ করেছেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি কামরুজ্জামান কামরুল। সভায় বালু উত্তোলন ও লুটপাটের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, কেউ যদি অবৈধভাবে যাদুকাটা বা মাহরাম নদী থেকে বালু লুট করে নদীকে বিপন্ন করে, তাহলে আপনারা তাকে আটকে রাখবেন। সে যদি আমার আত্মীয় বা দলের নেতাকর্মীও হয় তাকে বেঁধে রাখবেন। এ ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা। নদীতে বাঁশের বেড়া দিয়ে সব নৌকা প্রবেশ বন্ধ, পাহারাদার নিয়োগের নির্দেশনাও দেন তিনি। তিনি আরও বলেন, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে শুধু প্রভাবশালী ব্যক্তিরাই নন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এবং নদীতীরবর্তী জমির কিছু মালিকও জড়িত রয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। তবে অপরাধী যে-ই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সম্মিলিতভাবে তাদের প্রতিরোধ করার আহ্বান জানান তিনি। এমপি কামরুজ্জামান কামরুল আরো বলেন, অভিযোগ পেয়েছি যাদুকাটা নদীর সেতুর নিচ থেকে এবং মাহরাম নদী থেকে অনেকে বালু তোলছে। যারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে, তাদের একটি তালিকা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণকে সমন্বিতভাবে নদী রক্ষায় কাজ করার আহ্বান জানান। এমপি বলেন, যাদুকাটা ও মাহরাম নদী স্থানীয় পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং মানুষের জীবিকার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই নদী ধ্বংসের যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল আরো বলেন, নদী রক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে কোনো ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন বরদাশত করা হবে না। এ কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদি হাসান মানিক, ওসি ফারুক আহমদ, তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রতন মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক জুনাব আলী, মেহেদি হাসান উজ্জ্বল, জেলা বিএনপির সদস্য রাকাব উদ্দিন, আব্দুস সামাদ মুন্সী, মাহবুব মল্লিক প্রমুখ বক্তব্য দেন।
সুনামগঞ্জের সীমান্ত নদী যাদুকাটা এবং খনিজ বালুতে ভরাট হওয়া মাহরাম নদী থেকে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন করে এলাকার পরিবেশ, প্রতিবেশ ধ্বংস করে ফেলছে দুষ্কৃতিকারীরা। বালু লুট করে হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা। নদী ও পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষায় রবিবার বিকেলে নদী এলাকা লাউড়েরগড়ে সমাবেশ করেছেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি কামরুজ্জামান কামরুল। সভায় বালু উত্তোলন ও লুটপাটের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, কেউ যদি অবৈধভাবে যাদুকাটা বা মাহরাম নদী থেকে বালু লুট করে নদীকে বিপন্ন করে, তাহলে আপনারা তাকে আটকে রাখবেন। সে যদি আমার আত্মীয় বা দলের নেতাকর্মীও হয় তাকে বেঁধে রাখবেন। এ ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা। নদীতে বাঁশের বেড়া দিয়ে সব নৌকা প্রবেশ বন্ধ, পাহারাদার নিয়োগের নির্দেশনাও দেন তিনি। তিনি আরও বলেন, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে শুধু প্রভাবশালী ব্যক্তিরাই নন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এবং নদীতীরবর্তী জমির কিছু মালিকও জড়িত রয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। তবে অপরাধী যে-ই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সম্মিলিতভাবে তাদের প্রতিরোধ করার আহ্বান জানান তিনি। এমপি কামরুজ্জামান কামরুল আরো বলেন, অভিযোগ পেয়েছি যাদুকাটা নদীর সেতুর নিচ থেকে এবং মাহরাম নদী থেকে অনেকে বালু তোলছে। যারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে, তাদের একটি তালিকা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণকে সমন্বিতভাবে নদী রক্ষায় কাজ করার আহ্বান জানান। এমপি বলেন, যাদুকাটা ও মাহরাম নদী স্থানীয় পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং মানুষের জীবিকার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই নদী ধ্বংসের যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল আরো বলেন, নদী রক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে কোনো ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন বরদাশত করা হবে না। এ কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদি হাসান মানিক, ওসি ফারুক আহমদ, তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রতন মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক জুনাব আলী, মেহেদি হাসান উজ্জ্বল, জেলা বিএনপির সদস্য রাকাব উদ্দিন, আব্দুস সামাদ মুন্সী, মাহবুব মল্লিক প্রমুখ বক্তব্য দেন।