স্টাফ রিপোর্টার::
হাসপাতাল দ্রুত চালু, একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং পর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল ক্লাস নিশ্চিতের দাবিতে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন নতুন মাত্রা পেয়েছে। আন্দোলনের অষ্টম দিনে রোববার শিক্ষার্থীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ও ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করে কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম কার্যত অচল করে দেন। এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আগামী মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের চলমান সংকট নিয়ে আলোচনা করবেন বলে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত ও লিখিত নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে একাডেমিক ভবনের মূল ফটকে ‘শাটডাউন’ ব্যানার টাঙিয়ে অবস্থান নেন। আন্দোলনকারীরা কোনো শিক্ষক বা কর্মচারীকে একাডেমিক ভবনে প্রবেশ করতে দেননি। এ সময় তারা ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘চলছে লড়াই চলবে’, ‘হাসপাতাল চালু চাই’ এবং ‘হাসপাতালের অবহেলা মানি না মানব না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দারাও শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানান। আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক সাইদুল ইসলাম সাকিব জানান, আগামী মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অচলাবস্থা নিয়ে আলোচনা করবেন বলে অধ্যক্ষ আমাদের জানিয়েছেন। পরে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও মন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে। কিন্তু অতীতে একাধিকবার আশ্বাস দিয়েও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সকালে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোস্তাক আহম্মদ ভূঁইয়া ক্যাম্পাসে এসে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি দলের সংখ্যা ও সম্ভাব্য সময় জানাতে বলেছেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ চেয়ে বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা না আসা পর্যন্ত তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করবেন না। একপর্যায়ে অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শাটডাউন ও প্রশাসনিক ব্লকেড তুলে নেওয়ার আহ্বান জানালেও তারা তাতে সাড়া দেননি। পরে অধ্যক্ষ ক্যা¤পাস ত্যাগ করেন। উল্লেখ্য, হাসপাতাল চালু, একাডেমিক কার্যক্রম যথাযথভাবে নিশ্চিত এবং পর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল ক্লাসের দাবিতে গত ২১ জুন থেকে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে আসছেন সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। এর আগে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছেন তারা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজের নিজস্ব ৫০০ শয্যার হাসপাতাল এখনও চালু না হওয়ায় তাদের ক্লিনিক্যাল ক্লাস করতে হয় জেলা সদর হাসপাতালে, যা কলেজ থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যাতায়াতের জন্য পর্যাপ্ত পরিবহন সুবিধাও নেই। ২০২৩ সালে হাসপাতাল চালুর কথা থাকলেও পরে সময়সীমা কয়েক দফা বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ২০২৬ সালে হাসপাতাল চালুর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্থায়ী ক্যা¤পাসে ৫০ শিক্ষার্থী নিয়ে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হয়। তবে হাসপাতাল চালু না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম এখনও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
হাসপাতাল দ্রুত চালু, একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং পর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল ক্লাস নিশ্চিতের দাবিতে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন নতুন মাত্রা পেয়েছে। আন্দোলনের অষ্টম দিনে রোববার শিক্ষার্থীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ও ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করে কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম কার্যত অচল করে দেন। এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আগামী মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের চলমান সংকট নিয়ে আলোচনা করবেন বলে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত ও লিখিত নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে একাডেমিক ভবনের মূল ফটকে ‘শাটডাউন’ ব্যানার টাঙিয়ে অবস্থান নেন। আন্দোলনকারীরা কোনো শিক্ষক বা কর্মচারীকে একাডেমিক ভবনে প্রবেশ করতে দেননি। এ সময় তারা ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘চলছে লড়াই চলবে’, ‘হাসপাতাল চালু চাই’ এবং ‘হাসপাতালের অবহেলা মানি না মানব না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দারাও শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানান। আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক সাইদুল ইসলাম সাকিব জানান, আগামী মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অচলাবস্থা নিয়ে আলোচনা করবেন বলে অধ্যক্ষ আমাদের জানিয়েছেন। পরে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও মন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে। কিন্তু অতীতে একাধিকবার আশ্বাস দিয়েও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সকালে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোস্তাক আহম্মদ ভূঁইয়া ক্যাম্পাসে এসে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি দলের সংখ্যা ও সম্ভাব্য সময় জানাতে বলেছেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ চেয়ে বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা না আসা পর্যন্ত তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করবেন না। একপর্যায়ে অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শাটডাউন ও প্রশাসনিক ব্লকেড তুলে নেওয়ার আহ্বান জানালেও তারা তাতে সাড়া দেননি। পরে অধ্যক্ষ ক্যা¤পাস ত্যাগ করেন। উল্লেখ্য, হাসপাতাল চালু, একাডেমিক কার্যক্রম যথাযথভাবে নিশ্চিত এবং পর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল ক্লাসের দাবিতে গত ২১ জুন থেকে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে আসছেন সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। এর আগে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছেন তারা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজের নিজস্ব ৫০০ শয্যার হাসপাতাল এখনও চালু না হওয়ায় তাদের ক্লিনিক্যাল ক্লাস করতে হয় জেলা সদর হাসপাতালে, যা কলেজ থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যাতায়াতের জন্য পর্যাপ্ত পরিবহন সুবিধাও নেই। ২০২৩ সালে হাসপাতাল চালুর কথা থাকলেও পরে সময়সীমা কয়েক দফা বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ২০২৬ সালে হাসপাতাল চালুর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্থায়ী ক্যা¤পাসে ৫০ শিক্ষার্থী নিয়ে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হয়। তবে হাসপাতাল চালু না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম এখনও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে।