স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকায় অবস্থিত হক মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ক্ষত এখনো শুকায়নি। গত ২৯ মার্চের সেই আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা অনেক কষ্টে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু অগ্নিকা-ের মাত্র আড়াই মাসের মাথায় মার্কেটের দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ, আতঙ্ক ও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অগ্নিকান্ডের পরপরই সংঘটিত এ চুরির ঘটনা নিছক সাধারণ অপরাধ নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো পরিকল্পিত আক্রোশ বা ষড়যন্ত্র - তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সোমবার দিবাগত রাতে শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকায় অবস্থিত মেসার্স হক ফার্মেসি ও মেসার্স পপুলার ইলেক্ট্রনিক্সে চুরির ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা ছাদের টিন খুলে ও সিলিং ভেঙে দোকানের ভেতরে প্রবেশ করে সিসি ক্যামেরা, আইপিএসসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। একই কায়দায় পাশের ইলেক্ট্রনিক্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকেও বিভিন্ন পণ্য চুরি করা হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের ভাষ্য, অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হক মার্কেটের বেশিরভাগ দোকানের পুনর্নির্মাণ কাজ এখনো চলমান। কিছু দোকান মাত্র চালু হয়েছে এবং ব্যবসায়ীরা নতুন করে মালামাল তুলতে শুরু করেছিলেন। এমন সময় চুরির ঘটনায় তারা হতাশ ও শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। ব্যবসায়ী সুলেমান মিয়া বলেন, অগ্নিকান্ডের ক্ষতি সামলে উঠতেই পারিনি। এর মধ্যেই নতুন করে চুরি হলো। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আওয়াল মিয়ার মতে, অগ্নিকান্ডের পর নতুন দোকানে চুরির ঘটনা কোনো হিংসা বা পরিকল্পিত ঘটনার অংশ হতে পারে। দোকানের সবকিছুই নতুন ছিল, ছাদের টিন ও সিলিং খুলে চুরি করা হয়েছে। অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী জুয়েল মিয়া বলেন, আগুনে আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। কিন্তু এখনো সেই ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন হয়নি। এর মধ্যেই আবার চুরির ঘটনা ঘটল। একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করে পারভেজ আহমদ বলেন, সর্বস্ব হারানোর পর কষ্ট করে দোকান দাঁড় করিয়েছি। এখন আবার চুরির ঘটনায় আমরা চরম আতঙ্কে আছি। হক ফার্মেসির ম্যানেজার রূপক তালুকদার জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে দোকান বন্ধ করে চলে যাওয়ার পর সকালে এসে তারা চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ফার্মেসির স্বত্বাধিকারী তাহমিদ হক বলেন, কয়েক মাস আগে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এখন দোকান খুলতেই আবার চুরির ঘটনা ঘটল। এদিকে শহরে ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। গত ২০ মে সদর মডেল থানার সামনেই অবস্থিত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরিতে চুরি হয়। এছাড়া সবজি বাজারের একটি চালের দোকানসহ বিভিন্ন স্থানে গত এক মাসে অন্তত পাঁচটি চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকান্ড ও পরবর্তী চুরির ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে সামগ্রিকভাবে তদন্ত করা হোক। তারা দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি শহরের বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকায় অবস্থিত হক মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ক্ষত এখনো শুকায়নি। গত ২৯ মার্চের সেই আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা অনেক কষ্টে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু অগ্নিকা-ের মাত্র আড়াই মাসের মাথায় মার্কেটের দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ, আতঙ্ক ও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অগ্নিকান্ডের পরপরই সংঘটিত এ চুরির ঘটনা নিছক সাধারণ অপরাধ নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো পরিকল্পিত আক্রোশ বা ষড়যন্ত্র - তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সোমবার দিবাগত রাতে শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকায় অবস্থিত মেসার্স হক ফার্মেসি ও মেসার্স পপুলার ইলেক্ট্রনিক্সে চুরির ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা ছাদের টিন খুলে ও সিলিং ভেঙে দোকানের ভেতরে প্রবেশ করে সিসি ক্যামেরা, আইপিএসসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। একই কায়দায় পাশের ইলেক্ট্রনিক্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকেও বিভিন্ন পণ্য চুরি করা হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের ভাষ্য, অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হক মার্কেটের বেশিরভাগ দোকানের পুনর্নির্মাণ কাজ এখনো চলমান। কিছু দোকান মাত্র চালু হয়েছে এবং ব্যবসায়ীরা নতুন করে মালামাল তুলতে শুরু করেছিলেন। এমন সময় চুরির ঘটনায় তারা হতাশ ও শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। ব্যবসায়ী সুলেমান মিয়া বলেন, অগ্নিকান্ডের ক্ষতি সামলে উঠতেই পারিনি। এর মধ্যেই নতুন করে চুরি হলো। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আওয়াল মিয়ার মতে, অগ্নিকান্ডের পর নতুন দোকানে চুরির ঘটনা কোনো হিংসা বা পরিকল্পিত ঘটনার অংশ হতে পারে। দোকানের সবকিছুই নতুন ছিল, ছাদের টিন ও সিলিং খুলে চুরি করা হয়েছে। অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী জুয়েল মিয়া বলেন, আগুনে আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। কিন্তু এখনো সেই ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন হয়নি। এর মধ্যেই আবার চুরির ঘটনা ঘটল। একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করে পারভেজ আহমদ বলেন, সর্বস্ব হারানোর পর কষ্ট করে দোকান দাঁড় করিয়েছি। এখন আবার চুরির ঘটনায় আমরা চরম আতঙ্কে আছি। হক ফার্মেসির ম্যানেজার রূপক তালুকদার জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে দোকান বন্ধ করে চলে যাওয়ার পর সকালে এসে তারা চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ফার্মেসির স্বত্বাধিকারী তাহমিদ হক বলেন, কয়েক মাস আগে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এখন দোকান খুলতেই আবার চুরির ঘটনা ঘটল। এদিকে শহরে ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। গত ২০ মে সদর মডেল থানার সামনেই অবস্থিত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরিতে চুরি হয়। এছাড়া সবজি বাজারের একটি চালের দোকানসহ বিভিন্ন স্থানে গত এক মাসে অন্তত পাঁচটি চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকান্ড ও পরবর্তী চুরির ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে সামগ্রিকভাবে তদন্ত করা হোক। তারা দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি শহরের বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।