স্টাফ রিপোর্টার::
জামালগঞ্জ উপজেলায় ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট তৈরি করে এক কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে জামালগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কিশোরের বড়ভাই আলী মিয়া। বুধবার রাতে জামালগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই কিশোরের বড়ভাই আলী মিয়া। অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার কামধরপুর গ্রামের মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে ছামিরুল ইসলামকে (১৫) উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য একই গ্রামের মেয়ে (২৮) নিজেকে অন্তঃসত্ত্বা দাবি করেন। পরে ওই দাবির পক্ষে প্রমাণ তৈরির উদ্দেশ্যে জামালগঞ্জের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট সংগ্রহের চেষ্টা করেন। অভিযোগে আরো বলা হয়, অভিযুক্ত ওই নারী একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দায়িত্বরত ব্যক্তিদের কাছে পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রেগন্যান্সির ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। তবে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে কাক্সিক্ষত রিপোর্ট সংগ্রহে ব্যর্থ হওয়ার পর ওই নারী নতুন কৌশল অবলম্বন করে তার গ্রাম থেকে এক সন্তানসম্ভবা নারীকে সঙ্গে নিয়ে জামালগঞ্জ মেহেরুন্নেছা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান এবং ওই নারীর আলট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষা করিয়ে নিজের নামে প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট নেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে এবং পূর্বে টাকা দিয়ে ভুয়া রিপোর্ট সংগ্রহের চেষ্টা করা একই নারী বলে নিশ্চিত হলে তাকে আটক করা হয়। পরে হট্টগোল সৃষ্টি হলে লোকজন জড়ো হয়। এসময় স্থানীয় ইউপি সদস্য, উপজেলা বিএনপি নেতা এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে অভিযুক্ত ওই নারী ভুয়া রিপোর্ট সংগ্রহের চেষ্টার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন। এ ব্যাপারে মেহেরুন্নেছা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক মিসবাহ উদ্দিন বলেন, বিষয়টি অনিয়মপূর্ণ নিশ্চিত হয়ে অভিযুক্ত নারীর নামে কোনো রিপোর্ট সরবরাহ করা হয়নি। মেডিকো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দায়িত্বে থাকা মো. এফাউল মিয়া বলেন, একজন মহিলা আমাদের প্রতিষ্ঠানে এসে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ভুয়া প্রেগন্যান্সির রিপোর্ট সংগ্রহের চেষ্টা করেছে। আমরা তাকে এ ব্যাপার অস্বীকৃতি জানিয়েছি। অভিযোগকারী আলী মিয়া বলেন, আমার ছোট ভাই এখনো অপ্রাপ্তবয়স্ক। তাকে ফাঁসিয়ে আমাদের পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ওই নারী ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই। অভিযোগের বিষয়ে ওই নারীর কাছে গণমাধ্যকর্মীরা বক্তব্য জানতে চাইলে সংবাদ প্রকাশ করলে তিনি মানহানির মামলা করবেন বলে জানান। যার রেকর্ড সাংবাদিকদের হাতে রয়েছে। ওই মহিলা পরে আরো বলেন, টাকার বিমিময়ে ভুয়া প্রেগন্যান্সির রিপোর্ট নেওয়ার ব্যাপারটি মিথ্যা। আমাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বন্দে আলী জানান, একজন নারীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জামালগঞ্জ উপজেলায় ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট তৈরি করে এক কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে জামালগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কিশোরের বড়ভাই আলী মিয়া। বুধবার রাতে জামালগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই কিশোরের বড়ভাই আলী মিয়া। অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার কামধরপুর গ্রামের মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে ছামিরুল ইসলামকে (১৫) উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য একই গ্রামের মেয়ে (২৮) নিজেকে অন্তঃসত্ত্বা দাবি করেন। পরে ওই দাবির পক্ষে প্রমাণ তৈরির উদ্দেশ্যে জামালগঞ্জের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট সংগ্রহের চেষ্টা করেন। অভিযোগে আরো বলা হয়, অভিযুক্ত ওই নারী একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দায়িত্বরত ব্যক্তিদের কাছে পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রেগন্যান্সির ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। তবে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে কাক্সিক্ষত রিপোর্ট সংগ্রহে ব্যর্থ হওয়ার পর ওই নারী নতুন কৌশল অবলম্বন করে তার গ্রাম থেকে এক সন্তানসম্ভবা নারীকে সঙ্গে নিয়ে জামালগঞ্জ মেহেরুন্নেছা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান এবং ওই নারীর আলট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষা করিয়ে নিজের নামে প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট নেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে এবং পূর্বে টাকা দিয়ে ভুয়া রিপোর্ট সংগ্রহের চেষ্টা করা একই নারী বলে নিশ্চিত হলে তাকে আটক করা হয়। পরে হট্টগোল সৃষ্টি হলে লোকজন জড়ো হয়। এসময় স্থানীয় ইউপি সদস্য, উপজেলা বিএনপি নেতা এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে অভিযুক্ত ওই নারী ভুয়া রিপোর্ট সংগ্রহের চেষ্টার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন। এ ব্যাপারে মেহেরুন্নেছা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক মিসবাহ উদ্দিন বলেন, বিষয়টি অনিয়মপূর্ণ নিশ্চিত হয়ে অভিযুক্ত নারীর নামে কোনো রিপোর্ট সরবরাহ করা হয়নি। মেডিকো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দায়িত্বে থাকা মো. এফাউল মিয়া বলেন, একজন মহিলা আমাদের প্রতিষ্ঠানে এসে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ভুয়া প্রেগন্যান্সির রিপোর্ট সংগ্রহের চেষ্টা করেছে। আমরা তাকে এ ব্যাপার অস্বীকৃতি জানিয়েছি। অভিযোগকারী আলী মিয়া বলেন, আমার ছোট ভাই এখনো অপ্রাপ্তবয়স্ক। তাকে ফাঁসিয়ে আমাদের পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ওই নারী ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই। অভিযোগের বিষয়ে ওই নারীর কাছে গণমাধ্যকর্মীরা বক্তব্য জানতে চাইলে সংবাদ প্রকাশ করলে তিনি মানহানির মামলা করবেন বলে জানান। যার রেকর্ড সাংবাদিকদের হাতে রয়েছে। ওই মহিলা পরে আরো বলেন, টাকার বিমিময়ে ভুয়া প্রেগন্যান্সির রিপোর্ট নেওয়ার ব্যাপারটি মিথ্যা। আমাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বন্দে আলী জানান, একজন নারীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।