মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী::
দোয়ারাবাজার উপজেলার বোগলাবাজার ইউনিয়নে চিলাই নদীর বেড়িবাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) ব্লকের নিচ থেকে বালি সরে যাওয়ায় প্রায় দেড় শ’ মিটার এলাকাজুড়ে বাঁধ ও সংলগ্ন সড়ক নদীগর্ভে ধসে পড়ছে। এতে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে সীমান্তবর্তী এলাকার ১০ থেকে ১৫টি গ্রামের হাজারো মানুষ। সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, মধ্য ক্যাম্পের ঘাটে শফিকের বাড়ির নিকটে প্রায় দেড় শ’ মিটার এবং দক্ষিণ ক্যা¤েপর ঘাটে সুজনের বাড়ির সামনে ১২০ মিটার রাস্তা ধ্বসে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ক্ষতির মুখে পড়েছে বিএডিসির চিলাই নদী রাবারড্যাম প্রকল্পটিও। পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাওয়ায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিগত সরকারের আমলে বিএডিসি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ঠিকাদার দায়সারা ও নি¤œমানের কাজ করেছে। তার খেসারত দিতে হচ্ছে সীমান্তবর্তী অর্ধশত গ্রামের সাধারণ মানুষকে। মধ্য ক্যাম্পের ঘাট গ্রামের কৃষক সাদ্দাম হোসেন বলেন, বিএডিসির কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ঠিকাদারের দায়সারা ও নি¤œমানের কাজের কারণে এখন পুরো বেড়িবাঁধ কাম সড়ক বড় ফাটল ও নদীগর্ভে ধসে যাচ্ছে। অবিলম্বে টেকসই সংস্কার না হলে আমাদের ফসল ও ঘরবাড়ি রক্ষা করা সম্ভব হবে না। একই গ্রামের কৃষক বাদল মিয়া বলেন, বছরের পর বছর এই বাঁধের উপর ভরসা করে চাষাবাদ করে আসছি। এখন বাঁধ ভেঙে পড়ছে, অথচ কর্তৃপক্ষের কোনো নড়াচড়া নেই। চলতি মৌসুমে যদি মেরামত না হয়, তাহলে এবার আমন ফসল বাঁচানো যাবে না, ঘরও ডুববে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুছ সামাদ বলেন, কাজ করার সময় বালু দিয়ে ভরাট করে উপরে ব্লক বসিয়ে দিয়েছে, ভেতরে কোনো শক্ত ভিত্তি নেই। এটা আমরা তখনই বুঝেছিলাম। এখন সেটাই প্রমাণ হচ্ছে। দায়িত্বশীলদের বিচার চাই, আর স্থায়ী সংস্কার চাই। বোগলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মিলন খান বলেন, পরিস্থিতি সত্যিই উদ্বেগজনক। বাঁধ ভেঙে গেলে শুধু ফসল নয়, গোটা এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। আমি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। দ্রুত ও টেকসই পদক্ষেপ না নিলে ক্ষতির পরিমাণ হবে অপূরণীয়। চিলাই নদী রাবারড্যাম পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি হারুনুর রশীদ বলেন, রাবারড্যাম প্রকল্পটি এই অঞ্চলের কৃষিসেচের প্রাণ। বেড়িবাঁধ ধসে গেলে পুরো প্রকল্পই হুমকিতে পড়বে। শত শত কৃষক পরিবার সেচসুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। নি¤œমানের কাজের তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং অবিলম্বে স্থায়ী সংস্কার কাজ শুরু করার দাবি জানাচ্ছি। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সুনামগঞ্জ বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী কাজী হোসেন আর রাফি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত স্থান সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে। শিগগিরই বালি ফেলে আপদকালীন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয়রা বলছেন, আপদকালীন ব্যবস্থা নয়, এখনই স্থায়ী সংস্কার না হলে আসন্ন বর্ষায় পুরো বাঁধ ভেসে যেতে পারে। তখন ফসলহানি ও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে গোটা এলাকা। এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা অবিলম্বে বেড়িবাঁধের স্থায়ী ও টেকসই সংস্কার, নিম্নমানের কাজের তদন্ত এবং দায়ী ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
দোয়ারাবাজার উপজেলার বোগলাবাজার ইউনিয়নে চিলাই নদীর বেড়িবাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) ব্লকের নিচ থেকে বালি সরে যাওয়ায় প্রায় দেড় শ’ মিটার এলাকাজুড়ে বাঁধ ও সংলগ্ন সড়ক নদীগর্ভে ধসে পড়ছে। এতে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে সীমান্তবর্তী এলাকার ১০ থেকে ১৫টি গ্রামের হাজারো মানুষ। সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, মধ্য ক্যাম্পের ঘাটে শফিকের বাড়ির নিকটে প্রায় দেড় শ’ মিটার এবং দক্ষিণ ক্যা¤েপর ঘাটে সুজনের বাড়ির সামনে ১২০ মিটার রাস্তা ধ্বসে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ক্ষতির মুখে পড়েছে বিএডিসির চিলাই নদী রাবারড্যাম প্রকল্পটিও। পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাওয়ায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিগত সরকারের আমলে বিএডিসি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ঠিকাদার দায়সারা ও নি¤œমানের কাজ করেছে। তার খেসারত দিতে হচ্ছে সীমান্তবর্তী অর্ধশত গ্রামের সাধারণ মানুষকে। মধ্য ক্যাম্পের ঘাট গ্রামের কৃষক সাদ্দাম হোসেন বলেন, বিএডিসির কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ঠিকাদারের দায়সারা ও নি¤œমানের কাজের কারণে এখন পুরো বেড়িবাঁধ কাম সড়ক বড় ফাটল ও নদীগর্ভে ধসে যাচ্ছে। অবিলম্বে টেকসই সংস্কার না হলে আমাদের ফসল ও ঘরবাড়ি রক্ষা করা সম্ভব হবে না। একই গ্রামের কৃষক বাদল মিয়া বলেন, বছরের পর বছর এই বাঁধের উপর ভরসা করে চাষাবাদ করে আসছি। এখন বাঁধ ভেঙে পড়ছে, অথচ কর্তৃপক্ষের কোনো নড়াচড়া নেই। চলতি মৌসুমে যদি মেরামত না হয়, তাহলে এবার আমন ফসল বাঁচানো যাবে না, ঘরও ডুববে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুছ সামাদ বলেন, কাজ করার সময় বালু দিয়ে ভরাট করে উপরে ব্লক বসিয়ে দিয়েছে, ভেতরে কোনো শক্ত ভিত্তি নেই। এটা আমরা তখনই বুঝেছিলাম। এখন সেটাই প্রমাণ হচ্ছে। দায়িত্বশীলদের বিচার চাই, আর স্থায়ী সংস্কার চাই। বোগলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মিলন খান বলেন, পরিস্থিতি সত্যিই উদ্বেগজনক। বাঁধ ভেঙে গেলে শুধু ফসল নয়, গোটা এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। আমি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। দ্রুত ও টেকসই পদক্ষেপ না নিলে ক্ষতির পরিমাণ হবে অপূরণীয়। চিলাই নদী রাবারড্যাম পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি হারুনুর রশীদ বলেন, রাবারড্যাম প্রকল্পটি এই অঞ্চলের কৃষিসেচের প্রাণ। বেড়িবাঁধ ধসে গেলে পুরো প্রকল্পই হুমকিতে পড়বে। শত শত কৃষক পরিবার সেচসুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। নি¤œমানের কাজের তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং অবিলম্বে স্থায়ী সংস্কার কাজ শুরু করার দাবি জানাচ্ছি। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সুনামগঞ্জ বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী কাজী হোসেন আর রাফি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত স্থান সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে। শিগগিরই বালি ফেলে আপদকালীন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয়রা বলছেন, আপদকালীন ব্যবস্থা নয়, এখনই স্থায়ী সংস্কার না হলে আসন্ন বর্ষায় পুরো বাঁধ ভেসে যেতে পারে। তখন ফসলহানি ও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে গোটা এলাকা। এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা অবিলম্বে বেড়িবাঁধের স্থায়ী ও টেকসই সংস্কার, নিম্নমানের কাজের তদন্ত এবং দায়ী ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।