স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জে ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি নিয়ে প্রতিবেদনের তথ্য চাইতে গেলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশনার পরও তথ্য দিতে অপারগতা জানিয়েছেন প্রকল্পের উপসহকারী প্রকৌশলী ও কম্পিউটার অপারেটর। তথ্য চাইতে গেলে এই প্রতিবেদককে হুমকি-ধমকিও দেন তারা। জানাগেছে, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় খাল খননের নামে অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত এই জুটি। সমিতির নামে ভুয়া মাস্টাররোল করে সরকারি অর্থ হাতিয়ে নিয়ে কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতি করছেন এমন অভিযোগ আছে। সুনামগঞ্জ জেলায় জাইকার অর্থায়নে বিভিন্ন উপজেলায় এই প্রকল্পে খাল খনন কর্মসূচি চলছে। স্থানীয় একটি সুবিধাবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে আতাত করে প্রকল্পের উপসহকারী প্রকৌশলী শওকত ও কম্পিউটার অপারেটর বেলাল নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়ছেন। প্রকল্পের অনিয়ম নিয়ে ইতোপূর্বে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার বরাবরেও লিখিত অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। দোয়ারাবাজার উপজেলার বাঁশতলায় একটি প্রকল্পের অনিয়ম নিয়ে গত বছর জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভাতেও আলোচনা হয়েছে। যাচ্ছেতাই কাজ করে মনগড়া মাস্টাররোল করে সরকারের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হচ্ছেনা। অভিযোগ আছে মাঠ পর্যায়ে এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত শওকত ও বেলাল জুটি। গত সপ্তাহে এই প্রকল্পের কর্মসূচি বাস্তবায়নাধীন এলাকা, প্রকল্পের নাম, বরাদ্দ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াসহ কাজের অগ্রগতির জন্য জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেনের কাছে গেলে তিনি কম্পিউটার অপারেটর বেলাল ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী শওকতকে তথ্য দেওয়ার নির্দেশনা দেন। এই প্রতিবেদকসহ তার এক বন্ধু তথ্যের জন্য গেলে অপারেটর বিলাল অপারগতা প্রকাশ করেন এবং উপসহকারী প্রকৌশলীর কাছ থেকে নেওয়ার কথা বলেন। উপ-সহকারী প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান এক সপ্তাহ পরে আসেন। রবিবার যোগাযোগ করে গেলে তিনি প্রকল্পের কোনও তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। জনগণের জন্য প্রকাশ্যে কাজ চলছে এবং সাইনবোর্ডেও সেই তথ্য থাকার কথা সেটা না পেয়ে তথ্যের জন্য অফিসে আসা হয়েছে বললে তিনি ও বেলাল রেগে যান। উচ্চস্বরে কথা বলেন এবং এই প্রতিবেদককে হুমকি দেন। এমনকি টেবিল চাপড়ে নিজেকে ‘মস্তান’ উল্লেখ করে উচ্চবাচ্য করেন। পরে এই প্রতিবেদক বেরিয়ে এসে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তার কার্যালয়ে গেলে তাকে না পেয়ে সিনিয়র সহকারি প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেনের মোবাইল ফোনে কথা বলে বিষয়টি শেয়ার করেন। সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন বলেন, শওকত আমার সঙ্গেও গতকাল খারাপ আচরণ করেছে। ওর আচরণে সমস্যা আছে। এদিকে নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিসে যাবার সময় দ্বিতীয়বার এই প্রতিবেদককে পেয়ে অফিসের কয়েকজনের সামনে ক্ষমা চান তিনি। তিনি বলেন, আমি ৮দিন টানা জ্বরে ছিলাম। তাই কথাবার্তা অসংলগ্ন ছিল। মাফ করে দেন।
সুনামগঞ্জে ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি নিয়ে প্রতিবেদনের তথ্য চাইতে গেলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশনার পরও তথ্য দিতে অপারগতা জানিয়েছেন প্রকল্পের উপসহকারী প্রকৌশলী ও কম্পিউটার অপারেটর। তথ্য চাইতে গেলে এই প্রতিবেদককে হুমকি-ধমকিও দেন তারা। জানাগেছে, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় খাল খননের নামে অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত এই জুটি। সমিতির নামে ভুয়া মাস্টাররোল করে সরকারি অর্থ হাতিয়ে নিয়ে কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতি করছেন এমন অভিযোগ আছে। সুনামগঞ্জ জেলায় জাইকার অর্থায়নে বিভিন্ন উপজেলায় এই প্রকল্পে খাল খনন কর্মসূচি চলছে। স্থানীয় একটি সুবিধাবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে আতাত করে প্রকল্পের উপসহকারী প্রকৌশলী শওকত ও কম্পিউটার অপারেটর বেলাল নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়ছেন। প্রকল্পের অনিয়ম নিয়ে ইতোপূর্বে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার বরাবরেও লিখিত অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। দোয়ারাবাজার উপজেলার বাঁশতলায় একটি প্রকল্পের অনিয়ম নিয়ে গত বছর জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভাতেও আলোচনা হয়েছে। যাচ্ছেতাই কাজ করে মনগড়া মাস্টাররোল করে সরকারের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হচ্ছেনা। অভিযোগ আছে মাঠ পর্যায়ে এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত শওকত ও বেলাল জুটি। গত সপ্তাহে এই প্রকল্পের কর্মসূচি বাস্তবায়নাধীন এলাকা, প্রকল্পের নাম, বরাদ্দ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াসহ কাজের অগ্রগতির জন্য জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেনের কাছে গেলে তিনি কম্পিউটার অপারেটর বেলাল ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী শওকতকে তথ্য দেওয়ার নির্দেশনা দেন। এই প্রতিবেদকসহ তার এক বন্ধু তথ্যের জন্য গেলে অপারেটর বিলাল অপারগতা প্রকাশ করেন এবং উপসহকারী প্রকৌশলীর কাছ থেকে নেওয়ার কথা বলেন। উপ-সহকারী প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান এক সপ্তাহ পরে আসেন। রবিবার যোগাযোগ করে গেলে তিনি প্রকল্পের কোনও তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। জনগণের জন্য প্রকাশ্যে কাজ চলছে এবং সাইনবোর্ডেও সেই তথ্য থাকার কথা সেটা না পেয়ে তথ্যের জন্য অফিসে আসা হয়েছে বললে তিনি ও বেলাল রেগে যান। উচ্চস্বরে কথা বলেন এবং এই প্রতিবেদককে হুমকি দেন। এমনকি টেবিল চাপড়ে নিজেকে ‘মস্তান’ উল্লেখ করে উচ্চবাচ্য করেন। পরে এই প্রতিবেদক বেরিয়ে এসে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তার কার্যালয়ে গেলে তাকে না পেয়ে সিনিয়র সহকারি প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেনের মোবাইল ফোনে কথা বলে বিষয়টি শেয়ার করেন। সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন বলেন, শওকত আমার সঙ্গেও গতকাল খারাপ আচরণ করেছে। ওর আচরণে সমস্যা আছে। এদিকে নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিসে যাবার সময় দ্বিতীয়বার এই প্রতিবেদককে পেয়ে অফিসের কয়েকজনের সামনে ক্ষমা চান তিনি। তিনি বলেন, আমি ৮দিন টানা জ্বরে ছিলাম। তাই কথাবার্তা অসংলগ্ন ছিল। মাফ করে দেন।