বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্ভাবন ও আইডিয়া প্রদর্শন

গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের ‘হাওর সুরক্ষা ও পানি ব্যবস্থাপনা’ মডেল সেরা

আপলোড সময় : ১৪-০৬-২০২৬ ১০:২৮:৫১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৪-০৬-২০২৬ ১০:২৯:৫৪ অপরাহ্ন
আকরাম উদ্দিন::
হাওর সুরক্ষা, পরিকল্পিতভাবে সম্পদ-সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশেষ মডেল উপস্থাপন করে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এ জেলা পর্যায়ে সেরা হয়েছে ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়।
রবিবার দিনব্যাপী পৌর শহরের সরকারি সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে জেলা পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতা, মূল্যায়ন ও পুরস্কার বিতরণ হয়। এতে উপজেলা পর্যায়ে প্রথম হওয়া ১২টি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। বিকেলে পুরস্কার বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিমের আওতায় প্রথমবারের মতো এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। ২৮ জুন রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ১০০টি দলকে নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের প্রদর্শনী ও চূড়ান্ত অনুষ্ঠান হবে।
সুনামগঞ্জে রবিবারের জেলা পর্যায়ের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা একাডেমিক অফিসার আরিফুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আয়েশা আক্তার, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ জুলফিকার হোসেন, সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান খান এবং সরকারি সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসীম চন্দ্র বর্মণ। সুনামগঞ্জে জেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় শান্তিগঞ্জ উপজেলার সাতগাঁও জীবদারা উচ্চ বিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীল কর্মকা-ে উৎসাহিত করে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, তোমরা যেভাবে উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করেছো, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই সৃজনশীলতা সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে হবে। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণামুখী কার্যক্রমে আরও বেশি সম্পৃক্ত হলে তোমরা ভবিষ্যতে দেশের নেতৃত্ব দেবে। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের উন্নয়ন, আনন্দময় শিক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যতের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, বিশ্লেণধর্মী চিন্তা ও উদ্ভাবনী দক্ষতার বিকাশ ঘটানো। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তা ও বাস্তব জীবনের সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার প্রতি উৎসাহিত করা। প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা-থানা পর্যায়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলো পুরস্কার পাবে। সেখান থেকে নির্বাচিত সেরা দলগুলো রবিবার জেলা পর্যায়ের প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। জেলা ও মহানগর পর্যায় থেকে বাছাই করা হবে সেরা ১০০টি দল। ২৮ জুন রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এই ১০০টি দলকে নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। জাতীয় পর্যায়ে দলগুলো তাদের স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করবে। সেখান থেকে সেরা ১০টি দল নির্বাচিত হবে। বিজয়ী শিক্ষার্থীরা পাবে ২০ হাজার টাকা ও সনদপত্র। আর বিজয়ী শিক্ষকেরা পাবেন ৩০ হাজার টাকা ও সনদপত্র।

সম্পাদকীয় :

  • সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মো. জিয়াউল হক
  • সম্পাদক ও প্রকাশক : বিজন সেন রায়
  • বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : মোক্তারপাড়া রোড, সুনামগঞ্জ-৩০০০।

অফিস :

  • ই-মেইল : [email protected]
  • ওয়েবসাইট : www.sunamkantha.com