মোসাইদ রাহাত::
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে হাওরাঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ব্যাপক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন খাত থেকে অর্থায়নকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন প্রকল্পের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আর এর সাথে ফিরছে টাঙ্গুয়ার হাওরের সহব্যবস্থাপনা প্রকল্প। অর্থ মন্ত্রণালয় প্রকাশিত জলবায়ু বাজেট পরিকল্পনা থেকে এসকল তথ্য জানা যায়।
টাঙ্গুয়ার হাওরের বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় ‘কমিউনিটি-বেসড ম্যানেজমেন্ট অব টাক্সগুয়ার হাওর ওয়েটল্যান্ড ইকোসিস্টেম’ প্রকল্পে মোট প্রায় ২৫৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে জিইএফ অনুদান প্রায় ৪৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং সহ-অর্থায়ন প্রায় ২০৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা। তবে এ বাজেটের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হাওর ও বরেন্দ্র অঞ্চলের খরা ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় ‘ইকোসিস্টেম-বেসড অ্যাপ্রোচেস টু অ্যাডাপটেশন (ইবিএ)’ প্রকল্প। মোট প্রায় ৭৩৪ কোটি ৮১ লাখ টাকার এ প্রকল্পে জিইএফ দিচ্ছে প্রায় ৬৩ কোটি ৯১ লাখ টাকা এবং সহ-অর্থায়ন হিসেবে আসছে আরও প্রায় ৬৬৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। অ্যাডাপটেশন ফান্ডের আওতায় আরেকটি পাইপলাইন প্রকল্পে প্রায় ৬১ কোটি ৪৬ লাখ টাকার অনুদান পাওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। ‘স্ট্রেংদেনিং ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স থ্রু লোকালি লেড হাউজিং সলিউশনস ইন দ্য হাওর রিজিয়ন’ শীর্ষক এ প্রকল্পটি হাওরের আকস্মিক বন্যাপ্রবণ এলাকার বাসিন্দাদের জন্য জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিত করতে কাজ করবে বলে বাজেট দলিলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অনন্য জল ব্যবস্থাপনায় সরকার দেশীয় অর্থেও উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করছে। সুরমা-কুশিয়ারা নদী অববাহিকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বিত পানিস¤পদ উন্নয়নে প্রথম পর্যায়ে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোণার হাওরে ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়নে ব্যয় হবে ৩০ কোটি ৬৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া হবিগঞ্জের সুতাং নদী পুনরুজ্জীবন ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে ২০ কোটি এবং কুশিয়ারা নদীর তীর সংরক্ষণে ২২ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে বাজেট দলিলে। পাশাপাশি হাওরের চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি সামলাতে পারে এমন অবকাঠামো গড়ে তুলতে বাজেটের বিশাল অংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। হাওর এলাকা এলিভেটেড রোড প্রকল্পে (এইচএইআরপিআইআইপি) চলতি অর্থবছরে ব্যয় হবে ২৮৫ কোটি টাকা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কেবল পাঠদানের স্থান নয়, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়কালে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবেও কৌশলগতভাবে ব্যবহৃত হয়। এ লক্ষ্যে হাওরের নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিকাঠামো উন্নয়নে ৩০০ কোটি এবং কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরও ১৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে বাজেট দলিলে জানানো হয়েছে। এছাড়া বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী হাওর-বাঁওর অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নে মৎস্য চাষ, হাঁস পালন, পর্যটন এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে কেন্দ্রে রেখে বহুমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছেন। সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় ভিজিএফ সুবিধা হাওর অঞ্চলের মৎস্যজীবী পরিবারগুলোতে সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। সারা দেশে ১৫ লাখ মৎস্যজীবী পরিবার এ কার্যক্রমের আওতায় আসবে। চর, হাওর ও অনগ্রসর এলাকার জন্য আলাদাভাবে ৫০ কোটি টাকার বিশেষ অনুদান বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ‘সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি’র আওতায় ২৩৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয় হবে হাওরাঞ্চলের বাসিন্দাদের খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যসেবায়।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে হাওরাঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ব্যাপক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন খাত থেকে অর্থায়নকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন প্রকল্পের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আর এর সাথে ফিরছে টাঙ্গুয়ার হাওরের সহব্যবস্থাপনা প্রকল্প। অর্থ মন্ত্রণালয় প্রকাশিত জলবায়ু বাজেট পরিকল্পনা থেকে এসকল তথ্য জানা যায়।
টাঙ্গুয়ার হাওরের বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় ‘কমিউনিটি-বেসড ম্যানেজমেন্ট অব টাক্সগুয়ার হাওর ওয়েটল্যান্ড ইকোসিস্টেম’ প্রকল্পে মোট প্রায় ২৫৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে জিইএফ অনুদান প্রায় ৪৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং সহ-অর্থায়ন প্রায় ২০৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা। তবে এ বাজেটের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হাওর ও বরেন্দ্র অঞ্চলের খরা ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় ‘ইকোসিস্টেম-বেসড অ্যাপ্রোচেস টু অ্যাডাপটেশন (ইবিএ)’ প্রকল্প। মোট প্রায় ৭৩৪ কোটি ৮১ লাখ টাকার এ প্রকল্পে জিইএফ দিচ্ছে প্রায় ৬৩ কোটি ৯১ লাখ টাকা এবং সহ-অর্থায়ন হিসেবে আসছে আরও প্রায় ৬৬৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। অ্যাডাপটেশন ফান্ডের আওতায় আরেকটি পাইপলাইন প্রকল্পে প্রায় ৬১ কোটি ৪৬ লাখ টাকার অনুদান পাওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। ‘স্ট্রেংদেনিং ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স থ্রু লোকালি লেড হাউজিং সলিউশনস ইন দ্য হাওর রিজিয়ন’ শীর্ষক এ প্রকল্পটি হাওরের আকস্মিক বন্যাপ্রবণ এলাকার বাসিন্দাদের জন্য জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিত করতে কাজ করবে বলে বাজেট দলিলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অনন্য জল ব্যবস্থাপনায় সরকার দেশীয় অর্থেও উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করছে। সুরমা-কুশিয়ারা নদী অববাহিকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বিত পানিস¤পদ উন্নয়নে প্রথম পর্যায়ে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোণার হাওরে ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়নে ব্যয় হবে ৩০ কোটি ৬৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া হবিগঞ্জের সুতাং নদী পুনরুজ্জীবন ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে ২০ কোটি এবং কুশিয়ারা নদীর তীর সংরক্ষণে ২২ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে বাজেট দলিলে। পাশাপাশি হাওরের চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি সামলাতে পারে এমন অবকাঠামো গড়ে তুলতে বাজেটের বিশাল অংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। হাওর এলাকা এলিভেটেড রোড প্রকল্পে (এইচএইআরপিআইআইপি) চলতি অর্থবছরে ব্যয় হবে ২৮৫ কোটি টাকা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কেবল পাঠদানের স্থান নয়, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়কালে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবেও কৌশলগতভাবে ব্যবহৃত হয়। এ লক্ষ্যে হাওরের নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিকাঠামো উন্নয়নে ৩০০ কোটি এবং কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরও ১৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে বাজেট দলিলে জানানো হয়েছে। এছাড়া বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী হাওর-বাঁওর অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নে মৎস্য চাষ, হাঁস পালন, পর্যটন এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে কেন্দ্রে রেখে বহুমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছেন। সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় ভিজিএফ সুবিধা হাওর অঞ্চলের মৎস্যজীবী পরিবারগুলোতে সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। সারা দেশে ১৫ লাখ মৎস্যজীবী পরিবার এ কার্যক্রমের আওতায় আসবে। চর, হাওর ও অনগ্রসর এলাকার জন্য আলাদাভাবে ৫০ কোটি টাকার বিশেষ অনুদান বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ‘সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি’র আওতায় ২৩৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয় হবে হাওরাঞ্চলের বাসিন্দাদের খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যসেবায়।