স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জ-১ (তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও মধ্যনগর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্যাতন, মামলা-হামলা ও জেল-জুলুমের শিকার বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের সম্মান জানাতে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
আজ ১২ জুন শুক্রবার তিনি তার নির্বাচনী এলাকার প্রায় ৬ শতাধিক নির্যাতিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীকে নিয়ে মাটিয়ান হাওরে আনন্দযাত্রায় ভাসবেন। নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার পাশাপাশি হাওরের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষা ও হাওরে পরিকল্পিত ইকোট্যুরিজমের আহ্বানও জানাবেন এই যাত্রায়।
বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাকর্মীরা জানান, তাহিরপুর উপজেলা সদর থেকে নৌকাযোগে তিনি ভ্রমণে বের হবেন। এর মধ্যে গত ১৭ বছরে যারা জেল-জুলুম খেটেছেন এমন ১২১জনসহ মামলা-হামলায় নির্যাতিত ৬শতাধিক নেতাকর্মীদের নিয়ে হাওরে নৌকাযোগে ভাসবেন এমপি। তাদেকে সম্মাননা ও শুভেচ্ছা স্মারকও উপহার দিবেন।
এছাড়াও ভ্রমণে সাংস্কৃতিক পর্বে গানও পরিবেশিত হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, আনন্দভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য হলো দীর্ঘদিন রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার নেতাকর্মীদের মানসিকভাবে উজ্জীবিত করা এবং তাদের ত্যাগ ও অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া।
এছাড়াও কর্মসূচিতে হাওরের প্রাণ, প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্রের বিষয়েও সচেতনতা অভিযানও পরিচালনা করা হবে। এ লক্ষ্যে ব্যানার ফেস্টুনে ‘হাওর বাঁচলে বাঁচবে দেশ, রক্ষা করি পরিবেশ’, ‘টাঙ্গুয়ার হাওর দেশের প্রাণ, প্লাস্টিক বর্জ্যে করবেন না ম্লান’, ‘প্রকৃতি মোদের পরম বন্ধু, হাওর রক্ষায় হই এক সিন্ধু’, ‘পাখি-মাছ জলাবন, টাঙ্গুয়ার হাওর মোদের ধন’, ‘ট্যুরিজম হোক পরিবেশবান্ধব, ধ্বংস না হোক হাওরের বৈভব’সহ নানা সচেতনতামূলক স্লোগান লেখা ফেস্টুন রয়েছে আনন্দযাত্রায়। স্লোগানে নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামকেও স্মরণ করেছেন এমপি। এর মধ্যে উদ্দীপক স্লোগানগুলো হলো, ‘জুলুম-নির্যাতন সয়েছি, হাওরের বুকে আজ মুক্ত বাতাসে হেসেছি’, ‘অত্যাচারের আঁধার কেটেছে, হাওরে বিজয়ের জোয়ার এসেছে’, ‘নির্যাতিত ভাইদের মিলনমেলা, মাটিয়ান হাওরে আনন্দের ভেলা’, ‘ফ্যাসিস্টকালের কষ্ট ও ত্যাগ, হাওরের জলে ধুয়ে যাক সব ক্ষোভ ও রাগ’, ‘সুনামগঞ্জ-১ আসনের অঙ্গীকার, সুশাসন ও সুন্দর পরিবেশ হোক সবার’। আনন্দভ্রমণ উপলক্ষে হাওরের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিষয়েও সচেতনতামূলক এসব বার্তা লেখা হয়েছে ব্যানার ফেস্টুনে। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের সম্মাননা প্রদানসহ তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং সুখদুখের গল্প করবেন সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। ভ্রমণযাত্রায় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদের আধার হাওরাঞ্চলে পরিবেশবান্ধব ইকো ট্যুরিজমের সম্ভাবনা এবং এর বিকাশের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরা হবে।
তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল বলেন, গত ১৭ বছর যারা নির্যাতন-নিপীড়ন সয়েছেন, জেল-জুলুম সয়েছেন, হুলিয়া মাথায় নিয়ে কষ্ট করেছেন তাদেরকে খুঁজে খুঁজে এমপি আনন্দভ্রমণের আয়োজন করেছেন। এমন সৃজনশীল আয়োজনে নির্যাতিত নেতাকর্মীরা উৎফুল্ল। তারা বিশ্বাস করেন সুদিনে এসে দুর্দিনের বন্ধুদের ভুলে যাননি এমপি। তাহিরপুর উপজেলা সদর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সাইদুল কিবরিয়া বলেন, আমাদের এমপি একাধিক মিথ্যা মামলায় আসামি ছিলেন। জেল খেটেছেন টানা বছরকাল। নির্যাতন নিপীড়নের যন্ত্রণা তিনি অনুভব করেন। এখন সুখের সময়ে তিনি দুঃখের ঘটনাকে স্মরণ করে রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়ে যারা মাঠে সক্রিয় ছিলেন এবং দলীয় কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অংশ হিসেবেই এই আয়োজন করছেন। নির্যাতিত হিসেবে তিনি চারটি উপজেলার নেতাকর্মীদের আনন্দযাত্রায় যুক্ত করেছেন। আমরা খুবই খুশি। এদিকে এমপি কামরুজ্জামান কামরুলের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সুধীজন। তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মীদের এমন সম্মান ও হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ইকো ট্যুরিজমের গুরুত্ব তুলে ধরার এই আনন্দযাত্রাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন তারা।
সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, এখন নির্যাতিত নেতাকর্মীদের নিয়ে এই আনন্দভ্রমণ করছি। আগামীতে দলের দুঃসময়ে যারা নানাভাবে কাজ করেছেন তাদেরকে নিয়েও এমন আয়োজন করা হবে। তবে এটি শুধু আনন্দভ্রমণ নয়, হাওরের পরিবেশ প্রতিবেশ সচেতনতার বার্তাও দেব আমরা।
সুনামগঞ্জ-১ (তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও মধ্যনগর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্যাতন, মামলা-হামলা ও জেল-জুলুমের শিকার বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের সম্মান জানাতে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
আজ ১২ জুন শুক্রবার তিনি তার নির্বাচনী এলাকার প্রায় ৬ শতাধিক নির্যাতিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীকে নিয়ে মাটিয়ান হাওরে আনন্দযাত্রায় ভাসবেন। নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার পাশাপাশি হাওরের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষা ও হাওরে পরিকল্পিত ইকোট্যুরিজমের আহ্বানও জানাবেন এই যাত্রায়।
বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাকর্মীরা জানান, তাহিরপুর উপজেলা সদর থেকে নৌকাযোগে তিনি ভ্রমণে বের হবেন। এর মধ্যে গত ১৭ বছরে যারা জেল-জুলুম খেটেছেন এমন ১২১জনসহ মামলা-হামলায় নির্যাতিত ৬শতাধিক নেতাকর্মীদের নিয়ে হাওরে নৌকাযোগে ভাসবেন এমপি। তাদেকে সম্মাননা ও শুভেচ্ছা স্মারকও উপহার দিবেন।
এছাড়াও ভ্রমণে সাংস্কৃতিক পর্বে গানও পরিবেশিত হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, আনন্দভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য হলো দীর্ঘদিন রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার নেতাকর্মীদের মানসিকভাবে উজ্জীবিত করা এবং তাদের ত্যাগ ও অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া।
এছাড়াও কর্মসূচিতে হাওরের প্রাণ, প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্রের বিষয়েও সচেতনতা অভিযানও পরিচালনা করা হবে। এ লক্ষ্যে ব্যানার ফেস্টুনে ‘হাওর বাঁচলে বাঁচবে দেশ, রক্ষা করি পরিবেশ’, ‘টাঙ্গুয়ার হাওর দেশের প্রাণ, প্লাস্টিক বর্জ্যে করবেন না ম্লান’, ‘প্রকৃতি মোদের পরম বন্ধু, হাওর রক্ষায় হই এক সিন্ধু’, ‘পাখি-মাছ জলাবন, টাঙ্গুয়ার হাওর মোদের ধন’, ‘ট্যুরিজম হোক পরিবেশবান্ধব, ধ্বংস না হোক হাওরের বৈভব’সহ নানা সচেতনতামূলক স্লোগান লেখা ফেস্টুন রয়েছে আনন্দযাত্রায়। স্লোগানে নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামকেও স্মরণ করেছেন এমপি। এর মধ্যে উদ্দীপক স্লোগানগুলো হলো, ‘জুলুম-নির্যাতন সয়েছি, হাওরের বুকে আজ মুক্ত বাতাসে হেসেছি’, ‘অত্যাচারের আঁধার কেটেছে, হাওরে বিজয়ের জোয়ার এসেছে’, ‘নির্যাতিত ভাইদের মিলনমেলা, মাটিয়ান হাওরে আনন্দের ভেলা’, ‘ফ্যাসিস্টকালের কষ্ট ও ত্যাগ, হাওরের জলে ধুয়ে যাক সব ক্ষোভ ও রাগ’, ‘সুনামগঞ্জ-১ আসনের অঙ্গীকার, সুশাসন ও সুন্দর পরিবেশ হোক সবার’। আনন্দভ্রমণ উপলক্ষে হাওরের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিষয়েও সচেতনতামূলক এসব বার্তা লেখা হয়েছে ব্যানার ফেস্টুনে। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের সম্মাননা প্রদানসহ তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং সুখদুখের গল্প করবেন সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। ভ্রমণযাত্রায় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদের আধার হাওরাঞ্চলে পরিবেশবান্ধব ইকো ট্যুরিজমের সম্ভাবনা এবং এর বিকাশের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরা হবে।
তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল বলেন, গত ১৭ বছর যারা নির্যাতন-নিপীড়ন সয়েছেন, জেল-জুলুম সয়েছেন, হুলিয়া মাথায় নিয়ে কষ্ট করেছেন তাদেরকে খুঁজে খুঁজে এমপি আনন্দভ্রমণের আয়োজন করেছেন। এমন সৃজনশীল আয়োজনে নির্যাতিত নেতাকর্মীরা উৎফুল্ল। তারা বিশ্বাস করেন সুদিনে এসে দুর্দিনের বন্ধুদের ভুলে যাননি এমপি। তাহিরপুর উপজেলা সদর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সাইদুল কিবরিয়া বলেন, আমাদের এমপি একাধিক মিথ্যা মামলায় আসামি ছিলেন। জেল খেটেছেন টানা বছরকাল। নির্যাতন নিপীড়নের যন্ত্রণা তিনি অনুভব করেন। এখন সুখের সময়ে তিনি দুঃখের ঘটনাকে স্মরণ করে রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়ে যারা মাঠে সক্রিয় ছিলেন এবং দলীয় কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অংশ হিসেবেই এই আয়োজন করছেন। নির্যাতিত হিসেবে তিনি চারটি উপজেলার নেতাকর্মীদের আনন্দযাত্রায় যুক্ত করেছেন। আমরা খুবই খুশি। এদিকে এমপি কামরুজ্জামান কামরুলের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সুধীজন। তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মীদের এমন সম্মান ও হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ইকো ট্যুরিজমের গুরুত্ব তুলে ধরার এই আনন্দযাত্রাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন তারা।
সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, এখন নির্যাতিত নেতাকর্মীদের নিয়ে এই আনন্দভ্রমণ করছি। আগামীতে দলের দুঃসময়ে যারা নানাভাবে কাজ করেছেন তাদেরকে নিয়েও এমন আয়োজন করা হবে। তবে এটি শুধু আনন্দভ্রমণ নয়, হাওরের পরিবেশ প্রতিবেশ সচেতনতার বার্তাও দেব আমরা।