স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে বৌলাই নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় চার ঘণ্টা পর সুলতানা বেগম (২৪) নামে দুই সন্তানের এক জননীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধুতমা গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত বৌলাই নদী থেকে তাহিরপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। এর আগে একই দিন দুপুর ১টার দিকে নিজ বাড়ির ঘাটসংলগ্ন বৌলাই নদীতে গোসল করতে নেমে তিনি নিখোঁজ হন। নিহত সুলতানা বেগম ধুতমা গ্রামের আবুল বাসারের স্ত্রী। তাঁদের এক ছেলে (৩) ও এক মেয়ে (৫) রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুলতানা বেগম সাঁতার জানতেন না এবং তিনি মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাহিরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুনাব আলী জানান, দুপুরে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে গোসল করতে নদীর ঘাটে যান সুলতানা বেগম। গোসলের একপর্যায়ে তিনি পানিতে তলিয়ে যান। পরে তাঁর মেয়ে বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানালে স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। খবর পেয়ে তাহিরপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় বৌলাই নদীতে তল্লাশি অভিযান চালান। প্রায় চার ঘণ্টা পর নদী থেকে সুলতানা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে বৌলাই নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় চার ঘণ্টা পর সুলতানা বেগম (২৪) নামে দুই সন্তানের এক জননীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধুতমা গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত বৌলাই নদী থেকে তাহিরপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। এর আগে একই দিন দুপুর ১টার দিকে নিজ বাড়ির ঘাটসংলগ্ন বৌলাই নদীতে গোসল করতে নেমে তিনি নিখোঁজ হন। নিহত সুলতানা বেগম ধুতমা গ্রামের আবুল বাসারের স্ত্রী। তাঁদের এক ছেলে (৩) ও এক মেয়ে (৫) রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুলতানা বেগম সাঁতার জানতেন না এবং তিনি মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাহিরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুনাব আলী জানান, দুপুরে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে গোসল করতে নদীর ঘাটে যান সুলতানা বেগম। গোসলের একপর্যায়ে তিনি পানিতে তলিয়ে যান। পরে তাঁর মেয়ে বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানালে স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। খবর পেয়ে তাহিরপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় বৌলাই নদীতে তল্লাশি অভিযান চালান। প্রায় চার ঘণ্টা পর নদী থেকে সুলতানা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।