ধর্মপাশা প্রতিনিধি ::
ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ও পাইকুরাটি ইউনিয়নের মধ্যবর্তী শৈলচাপড়া হাওরে ট্রলারডুবিতে ২০১৬ সালের ৮জুন সকালে উপজেলার বালিজুরী গ্রামের শিশু, নারী ও আটজন ছাত্রীসহ ১৬জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে বাদশাগঞ্জ পাবলিক হাইস্কুলের (বর্তমানে বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়) তিনজন ছাত্রী ও বাদশাগঞ্জ পাবলিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাঁচজন ছাত্রী ছিল। ট্রলার ডুবিতে নিহত ছাত্রীরা হলো বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী হাসি আক্তার, নুপূর আক্তার, দশম শ্রেণির ছাত্রী মালা আক্তার এবং বাদশাগঞ্জ পাবলিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ঝরিয়া আক্তার, নাহিদা আক্তার, অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী রনি আক্তার, সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী আছমা আক্তার ও স্বপ্না আক্তার। ওই দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ট্রলারডুবিতে নিহত
আটজন ছাত্রীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজারের তিনটি জামে মসজিদে সোমবার বাদ জোহর মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া উপজেলার বালিজুরী গ্রামবাসীর উদ্যোগে একইদিন বাদ আসর বালিজুরী পূর্বপাড়া গ্রাম জামে মসজিদে নিহত ১৬জনের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হয়েছে।
বাদশাগঞ্জ পাবলিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম ও বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ খলিলুর রহমান জানান, ট্রলারডুবিতে নিহত শিক্ষার্থীরা ছিল তাঁদের সন্তানের মতো। তাই তাদের হারানোর শূন্যতা কখনো পূরণ হবার নয়।