1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
  3. [email protected] : wp-needuser : wp-needuser
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ০১:০৬ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারি শ্রমিকদের প্রাপ্য নিশ্চিত করুন

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪

মজুরির সমপরিমাণ উৎসবভাতা দাবি করে মিছিল ও সমাবেশ করেছে সুনামগঞ্জ জেলা হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারি শ্রমিক ইউনিয়ন। শহরের রায়পাড়াস্থ কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে লাল পতাকা হাতে শ্রমিকরা এ বিক্ষোভ মিছিল করেন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি আলফাত চত্বরে (ট্রাফিক পয়েন্ট) গিয়ে সমাবেশে পরিণত হয়। সমাবেশে বক্তারা যা বলেন, তার সারার্থ হলো : মুসলমানদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহায় হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারি শ্রমিকরা মজুরির সমপরিমাণ উৎসবভাতা ও মজুরিসহ ছুটি পান না। তাছাড়া হোটেল ব্যবসার ক্ষেত্রে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস মানা হয় না, সে-ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। শ্রম আইন অনুসারে নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদানসহ শ্রম আইন বাস্তবায়ন করার প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা থাকলেও সে-সব কীছুই বাস্তবায়নের বাইরে রেখে দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ শ্রমবিধি-২০১৫ এর বিধি-১১১(৫) অনুযায়ী দেশের সকল শ্রমিককে উৎসবভাতা প্রদান বাধ্যতামূলক, কিন্তু হোটেল মালিকরা এই আইন অমান্য করে শ্রমিকশোষণ করে যাচ্ছেন। এটা কেবল অন্যায় ও অমানবিক নয়, বরং আইনের দৃষ্টিতে শাস্তিযোগ্য অপরাধও বটে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে আইন করা হলেও আইন না মানার প্রতিকার স্বরূপ কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। অথচ এমনিতে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ অথবা মানবাধিকারের দিক থেকে বিবেচনায়ও শ্রমিকদের উৎসবভাতা থেকে বঞ্চিত করা বা বেশি সময় ধরে খাটানো সঙ্গত নয়। আমরা আশা করি, অচিরেই সরকার পক্ষ থেকে হোটেল-রেস্টুরেন্ট ব্যবসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রমবিধি-২০১৫ এর বিধি-১১১(৫) অনুযায়ী অর্থাৎ শ্রম আইনানুসারে হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারি শ্রমিকদের যাবতীয় প্রাপ্য নিশ্চিত করতে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। তা না হলে বিদ্যমান মূল্যস্ফীতির ক্রমাগত বর্ধিত চাপে নি¤œ আয়ের হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারি শ্রমিকরা পরিবার-পরিজনসহ বাচ্চা-কাচ্চা সকলে মিলে অর্ধাহারে-অনাহারে মানবেতর জীবন কাটাতে বাধ্য হবেন এবং সেটা কীছুতেই উচিত হবে না। পরিশেষে কেবল বলি, যাঁরা মালিকের জন্যে মুনাফা তৈরি করতে প্রাণপণে পরিশ্রম করেন তাঁদেরকে এমনভাবে মানবেতর জীবন কাটাতে বাধ্য করবেন না, হিতে বিপরীত হতে পারে। বুঝতে হবে, সে-দিন বেশি দেরি নয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com