1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
  3. [email protected] : wp-needuser : wp-needuser
রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী প্রবাসীজন প্রসঙ্গে

  • আপডেট সময় রবিবার, ২ জুন, ২০২৪

সংবাদ প্রকাশ হয়েছে, ‘চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হলেন তিন যুক্তরাজ্য প্রবাসী’। বলা হয়েছে, ‘বুধবার বাংলাদেশে তৃতীয় ধাপে সিলেট বিভাগের ১০টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন তিন যুক্তরাজ্য প্রবাসী। এর মধ্যে সিলেট জেলায় একজন ও সুনামগঞ্জ জেলায় দুই জন।’ আর বেশি উদ্ধৃতির দরকার নেই। যাঁরা একটু ভালোভাবে বাঁচার তাগিদে রোজি-রোজগার করার ইরাদা করে দেশের মায়া ছেড়ে বিদেশবাসের প্রতি লালায়িত এবং তল্পিতল্পা গুটিয়ে দেশের বন্ধন ছেড়ে বিদেশের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তাঁরা আবার কেন দেশের ভেতরে একটি স্থানীয় সরকারের অতীব গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক আসনে নিজেদেরকে অলঙ্কৃত করতে চান কোনও কোনও বিদগ্ধজনের কাছে তার নিহিতার্থ বোধগম্য সহজে হতে চায় না। তাঁরা মনে করেন বিদেশ থেকে এসে এইসব আগন্তুকেরা এখানে টাকার জোরে ক্ষমতার উচ্চাসনে আরোহণ করে প্রকৃতপ্রস্তাবে নিজেদের সামাজিক মর্যাদা সমুন্নত করতেই বেশি ব্যাকুল। প্রকারান্তরে নির্বাচনপ্রেমী এইসব আগন্তুকেরা জনসেবার কিংবা সমাজোন্নয়নের কার্যক্রম গ্রহণ করার চেয়ে নিজেদের শানশওকত বাড়ানোর কাজে নিজেদেরকে বেশি ব্যাপৃত রাখেন, যদি তাই না হতো তাহলে তাঁরা নির্বাচনে দাঁড়িয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ না করে দেশের মাটিতে দেশের মানুষের কর্মসংস্থান করা ও তা বাড়ানোর কাজে নিয়োজিত হয়ে সে-টাকা কোনও না কোনও শিল্পপ্রতিষ্ঠান কিংবা কলকারখানা প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী হতেন। কিন্তু তাঁরা তা করছেন না। তাঁরা যা করছেন, সেটা প্রচলিত লুটপাটের ধাঁচের কিংবা আত্মসাৎ প্রবণ আর্থসামাজিক বিন্যাসের নিয়মে প্রকারান্তরে জনগণের মঙ্গলের অজুহাতে আত্মশ্রী বর্ধনের অনিবার্য ব্যবস্থা হয়ে উঠবে অচিরেই, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিদগ্ধজনের কেউ কেউ আরও মনে করেন যে, এই উপজেলা চেয়ারম্যান পদের আসনটা আর কটা উচ্চনিচ আসনের মতোই আসীন ব্যক্তিত্বকে জনগণ থেকে আসলেই বিচ্ছিন্ন করে তোলে, অর্থাৎ ক্ষমতাসীনজন জনগণের ঊর্ধ্বে উঠে তাদেরকে শাসন করেন মাত্র কিংবা প্রভু হয়ে উঠেন, এর বেশি কীছু করতে পারেন না। বাংলাদেশের প্রশাসনিক বৈশিষ্ট্যটাই এমন এখনও তা জনগণের তাঁবেদার হয়ে উঠে নি, প্রভুত্বের ভূমিকায়ই অবতীর্ণ হয়ে আছে। আমাদের প্রশ্ন হলো, প্রবাসী চেয়ারম্যানরা প্রতিষ্ঠিত এই আত্মসাৎপ্রবণ জনবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল ধারা কিংবা প্রবণতা কি বদলে দিতে পারবেন? যদি না পারেন তবে সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপাড় থেকে এসে এখানে চেয়ারম্যান হওয়ার কোনও সার্থকতা আছে বলে মনে করি না।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com