1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
  3. [email protected] : wp-needuser : wp-needuser
রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

সংশোধিত আইনে পশ্চিমবঙ্গসহ ৩ রাজ্যে নাগরিকত্ব দিল ভারত

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৩১ মে, ২০২৪

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) আওতায় নাগরিকত্ব দেওয়া শুরু করেছে ভারত। এরই মধ্যে দেশটির পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরাখ- ও হরিয়ানা রাজ্যে বেশ কয়েকজনকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে ঠিক কতজনকে দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত বুধবার জানিয়েছে, তারা এই তিন রাজ্যে বেশ কয়েকজনকে নতুন সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে নাগরিকত্ব দিয়েছে। একটি সূত্র জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে অন্তত আটজনকে এই আইনের আওতায় নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। এই আটজনের সবাই বাংলাদেশ থেকে যাওয়া বলে জানিয়েছে সূত্রটি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন, ২০২৪-এর অধীনে নাগরিকত্বের পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে পাওয়া আবেদনের ভিত্তিতে সেখানকার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটি নাগরিকত্ব দিয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, হরিয়ানা ও উত্তরাখ-ের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটিগুলোও আবেদনকারীদের প্রথম একটি দলকে সিএএর অধীনে বেশ কয়েকজনকে নাগরিকত্ব দিয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আসা অমুসলিম অভিবাসীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সিএএ আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। দেশগুলো থেকে হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পরেই মোদি সরকার ঘোষণা করেছিল, ভারতে নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করা হবে। সেই অনুয়ায়ী সংশোধনী বিল আনে কেন্দ্র সরকার। ওই বছরের ডিসেম্বরে ভারতের সংসদে পাস হয় সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন। ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিলে সই করেন।
বিল পাসের চার বছর পর চলতি বছরের ১১ মার্চ বিতর্কিত এই আইন চালু করার বিজ্ঞপ্তি জারি করে ভারত সরকার। ক্ষমতাসীন বিজেপি তাদের ২০১৯ সালের ইশতেহারে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকরের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে দেরি হওয়ার কারণ প্রসঙ্গে করোনা মহামারির কথা বলেছে দলটি।
সিএএ চালুর বিজ্ঞপ্তি নিয়েও বিরোধী দলগুলো তীব্র সমালোচনা করেছে। বৈষম্যমূলক এবং লোকসভা নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের জন্যই এ রকম সময়ে আইনটি চালুর বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন বিরোধীরা।
তবে কেন্দ্রের দাবি, ভারতের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সিএএ আইনের কারণে কোনোভাবেই প্রভাবিত হবে না। ভারতের মুসলিমদেরও ওপরও এর প্রভাব পড়বে না। কোনো ভারতীয় নাগরিককে তার নাগরিকত্ব থেকেও সিএএ বঞ্চিত করবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্র। আরও বলা হয়েছে যে, বিদ্যমান আইনের অধীনে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে ধর্মচর্চার ক্ষেত্রেও সিএএ কোনো নির্যাতিত মুসলিমকে বাধা দেবে না।
ভারতের বেশ কিছু অংশে সিএএ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন যে, আইনটি তাঁদের অবৈধ অভিবাসী ঘোষণা করতে এবং তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব কেড়ে নিতেও ব্যবহার করা হতে পারে।
ভারত সরকার এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) স¤পর্কে আমাদের মুসলিম ভাইদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। আইনটির বিরুদ্ধে তাদের প্ররোচিত করা হচ্ছে। সিএএ শুধু পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশে নিপীড়নের মুখোমুখি হয়েছে ভারতে আসা ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য। এটি কারও ভারতীয় নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com