1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
  3. [email protected] : wp-needuser : wp-needuser
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

সেপটিক ট্যাংকে ‘মিলল’ এমপি আনারের ‘দেহাংশ’

  • আপডেট সময় বুধবার, ২৯ মে, ২০২৪

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় খুন হওয়া ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারের খ-িত ‘দেহাংশ’ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে। নিউ টাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনস আবাসনের যে ফ্ল্যাটে এমপি আনার খুন হয়েছেন, সেই ভবনের সেপটিক ট্যাংকে এই দেহাংশ মিলেছে বলে জানিয়েছেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। তবে পুলিশ বা গোয়েন্দা কর্মকর্তারা কেউ এখনো এ বিষয়ে মুখ খোলেননি। জানাগেছে, এটি এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারের মৃতদেহের খ-িত অংশ কিনা, তা ফরেনসিক পরীক্ষার পর জানা যাবে।
এদিকে, মঙ্গলবার (২৮ মে) বিকেলে সঞ্জীবা গার্ডেনসের কর্মী পরিচয় দেওয়া সিদ্ধেশ্বর মন্ডল এক দলা মাংস উদ্ধারের তথ্য গণমাধ্যমকে জানান। ওই সময় আবাসনটিতে স্থানীয় পুলিশ, সফররত বাংলাদেশের গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) টিম ও অন্যান্যরা অনুসন্ধান চালাচ্ছিলেন। ভবনের সেপটিক ট্যাংকে খোঁজ করা হচ্ছিল আনারের দেহাংশ।
সেসময় সে ভবন থেকে তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে আসা সিদ্ধেশ্বর মন্ডলের কাছে পরিস্থিতি জানতে চান সাংবাদিকরা। তিনি বলেন, সেখানে দেখলাম কয়েকজন লোক জড়ো হয়ে আছে। এগিয়ে দেখলাম, সেপটিক ট্যাংক থেকে (দুই হাত গোল করে দেখিয়ে) এতখানি মাংস তুলেছে। আমি আর বেশিক্ষণ থাকতে পারিনি। ফোনে ছবি ওঠাতে যাচ্ছিলাম। তুলতে দেয়নি। তাই চলে এসেছি। উদ্ধার হওয়া মাংস ওজনে তিন-চার কেজির মতো হবে বলেও জানান সিদ্ধেশ্বর মন্ডল।
তিনি নিজের অনুমানের কথা উল্লেখ করে বলেন, হয়তো তাকে খুনের পর কুচি কুচি করে মাংস কমোডে ফ্ল্যাশ করে থাকতে পারে, সেটা পাইপ হয়ে সেপটিক ট্যাংকে গিয়ে দলা হয়েছিল।
চলতি মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে কলকাতায় গিয়ে নিখোঁজ হন এমপি আনার। এরপর তার হদিস না পেয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় ডায়েরি করা হয়। পরে তদন্তে নেমে স্থানীয় পুলিশ জানতে পারে, আনার নিউ টাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনসের একটি ফ্ল্যাটে খুন হয়েছেন।
এরই মধ্যে এ ঘটনায় কয়েকজন অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন। ঘটনার তদন্তে ভারতের পুলিশের একটি টিম ঢাকায় আসে। এরপর ডিএমপির ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে গোয়েন্দাদের একটি দল কলকাতায় যায়। তারা সংশ্লিষ্ট সব এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি সেখানে গ্রেপ্তার অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বাংলাদেশে গ্রেপ্তারদের কাছে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে নিচ্ছেন। -বাংলানিউজ

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com