1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
  3. [email protected] : wp-needuser : wp-needuser
সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

দিরাই ইউএনওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • আপডেট সময় বুধবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার ::
দিরাই উপজেলায় হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের কাজে নির্ধারিত বরাদ্দের চেয়ে দ্বিগুণ অর্থ বৃদ্ধির অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুর রহমান খোন্দকারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সুনামগঞ্জ সিনিয়র ¯েপশাল জজ আদালতে বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সদস্য জেবেল মিয়া। মামলায় অন্য বিবাদিরা হলেন দিরাই উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-সহকারী প্রকৌশলী এটিএম মোনায়েম হোসেন, বাঁধের কাজের ২৭নং প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সভাপতি মো. জগলু মিয়া ও ২৮নং পিআইসির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, হাওরের বোরো ধান রক্ষায় সরকার প্রতিবছর এখানে অস্থায়ী বাঁধের ব্যবস্থা করে এবং সেই বাঁধ নির্মাণ, সংস্কারের জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। এ বছরও দিরাই উপজেলার টাঙ্গুয়ার হাওরের জলডোপ বাঁধের কাজের জন্য ২৭নম্বর পিআইসিতে ১৫ লাখ ১৮ হাজার ৩৪৪ টাকা ও ২৮ নম্বর পিআইসিতে ১৪ লাখ ৮ হাজার ৭৯৬ টাকা বরাদ্দ দেয় পাউবো। তবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দিরাই ইউএনও মো. মাহমুদুর রহমান খোন্দকার ও পাউবো উপসহকারী প্রকৌশলী এটিএম মোনায়েম হোসেন এই দুটি বাঁধের মধ্যে ২৭ নম্বর পিআইসির বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩১ লাখ ৭১ হাজার টাকা ও ২৮ নম্বর পিআইসির বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩৭ লাখ ৯৬ হাজার টাকা করেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে প্রাণনাশেরও হুমকি দেন মামলার বিবাদিরা। এছাড়া পিআইসির নীতিমালা
না মেনেই যাদের জমি নেই বাঁধের পাশে, তাদের দিয়ে বাঁধের কাজ করানোসহ এখন পর্যন্ত বাঁধের কাজ শেষ না করার বিষয়টিও মামলায় উল্লেখ করেন বাদী।
মামলার বাদী জেবেল মিয়া বলেন, দিরাইয়ে দুইটি ফসলরক্ষা বাঁধের কাজে টাকা ইউএনও, পাউবোর সেকশন কর্মকর্তারা (এসও) মিলে কাগজ-কলমে দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। যেখানে ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রথমে দেওয়া হয়েছিল, সেখানে তারা ৩১ লাখ ৭১ হাজার এবং আরেকটিতে ১৪ লাখের জায়গায় ৩৭ লাখ টাকা করে টাকা আত্মসাতের পাঁয়তারা করেছিলেন। আমরা প্রতিবাদ করলে তারা আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দেন।
জেবেল মিয়া আরও বলেন, আমি আজকে মামলা করেছি। আশা করি ন্যায়বিচার পাব। আমরা কৃষকের স্বার্থে কাজ করা সংগঠন কৃষকের ওপর নির্যাতন জুলুম এবং তার স্বপ্নের ফসল নিয়ে কাউকে খেলার সুযোগ দেব না।
এ ব্যাপারে জানতে দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুর রহমান খোন্দকারের মোবাইলফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
পাউবো উপসহকারী প্রকৌশলী এটিএম মোনায়েম হোসেন বলেন, আমার শ্বশুর মারা গেছেন, তাই কর্মস্থলে নেই আমি। আর বাঁধের কাজের জন্য টাকা বেশি লাগবে। তাই টাকার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com