1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
  3. [email protected] : wp-needuser : wp-needuser
বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ০২:২৭ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

অস্ত্র বাণিজ্য বেড়েছে ইউরোপে

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৪

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
সর্বশেষ পাঁচ বছরে (২০১৯-২৩ সাল) পূর্ববর্তী একই সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক অস্ত্র বাণিজ্য কমেছে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। তবে একই সময়ে ইউরোপে অস্ত্র আমদানি বেড়েছে প্রায় ৯৪ শতাংশ। একই সঙ্গে ইউক্রেন ও গাজা যুদ্ধ এ সময় অস্ত্র বাণিজ্যকে প্রভাবিত করেছে বলে স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। খবর ইউরো নিউজ।
ইউরোপে ২৩ শতাংশ হিস্যা নিয়ে ২০১৯-২৩ সাল মেয়াদে বিশ্বের বৃহত্তম আমদানিকারক ছিল ইউক্রেন। এরপর রয়েছে যুক্তরাজ্য, ইউরোপের মোট অস্ত্র আমদানির ১১ শতাংশ দেশটির দখলে। নেদারল্যান্ডস আমদানি করেছে ৯ শতাংশ।
এ সময়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর আমদানি করা অস্ত্রের ৫৫ শতাংশ সরবরাহকারী ছিল যুক্তরাষ্ট্র, ২০১৪-১৮ সাল সময়সীমায় বৈশ্বিক অস্ত্র বাণিজ্যে এ হিস্যা ছিল ৩৫ শতাংশ। সর্বশেষ পাঁচ বছরে ইউরোপে আমদানি করা অস্ত্রের অন্যান্য উৎস হলো এশিয়া, ওশেনিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য।
ইউরোপের যুক্তরাষ্ট্রনির্ভরতা প্রসঙ্গে এসআইপিআরআইয়ের ডিরেক্টর ড্যান স্মিথ বলেন, প্রযুক্তি, সামরিক ও ব্যয়-স¤পর্কিত বিষয়ের পাশাপাশি ট্রান্স-আটলান্টিক স¤পর্ক বজায় রাখার লক্ষ্যসহ অনেক কারণে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র আমদানি করে। ভবিষ্যতে ট্রান্স-আটলান্টিক স¤পর্কের সঙ্গে ইউরোপীয় অস্ত্র সংগ্রহের নীতি বদলে যেতে পারে।
সর্বশেষ পাঁচ বছরে অস্ত্র বিক্রেতা হিসেবে এগিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স। ওয়াশিংটন ২০১৪-১৮ সালের তুলনায় ২০১৯-২৩ সাল মেয়াদে ১৭ শতাংশ এবং প্যারিস ৪৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখেছে।
এ সময় ১০৭টি দেশে অস্ত্র সরবরাহ করে মোট বৈশ্বিক রফতানির ৪২ শতাংশ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ঝুলিতে। অন্যদিকে ভারত, কাতার ও মিসরে যুদ্ধবিমান সংগ্রহের কারণে ফ্রান্সের রফতানি বেড়েছে।
এছাড়া প্রথমবারের মতো অস্ত্র রফতানিতে রাশিয়ার তুলনায় এগিয়ে গেছে ফ্রান্স। এবার রাশিয়ার রফতানি কমেছে ৫৩ শতাংশ। ২০১৯ সালের ৩১টি দেশে মস্কো অস্ত্র রফতানি করলেও গত বছর নেমে আসে ১২-তে।
এ বিষয়ে এসআইপিআরআইয়ের গবেষক ক্যাটরিনা জোকিক বলেন, শক্তিশালী বৈশ্বিক চাহিদার সুযোগ ব্যবহার করছে ফ্রান্স। ইউরোপের বাইরে যুদ্ধবিমান বিক্রিতে বিশেষভাবে সফল হয়েছে দেশটি।
ফরাসি অস্ত্রের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ছিল ভারত, যা দেশটির মোট রফতানির প্রায় ৩০ শতাংশ। তবে ভারতের অস্ত্রের প্রধান সরবরাহকারী ছিল রাশিয়া। মস্কো থেকে মোট আমদানির ৩৬ শতাংশ পেয়েছে দিল্লি।
একই সময়ে কিছু দেশে অস্ত্র রফতানি কমেছে। চীন ৫ দশমিক ৩ শতাংশ, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য ১৪, ¯েপন ২ দশমিক ২ ও ইসরায়েলের ২৫ শতাংশ অস্ত্র রফতানি কমেছে।
২০১৯-২৩ সালে পশ্চিম ইউরোপের ৭২ শতাংশ আমদানি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে, আবার একই সময়ের বৈশ্বিক রফতানির এক-তৃতীয়াংশ করেছে ইউরোপ। বিশ্বের শীর্ষ ১০ অস্ত্র রফতানিকারকের মধ্যে রাশিয়া বাদে মোট পাঁচটি দেশই ইউরোপীয়— ফ্রান্স (দ্বিতীয়), জার্মানি (পঞ্চম), ইতালি (ষষ্ঠ), যুক্তরাজ্য (সপ্তম) ও ¯েপন (অষ্টম স্থান)। একই সময়ে আন্তর্জাতিক অস্ত্র স্থানান্তরের প্রায় ৩০ শতাংশ গেছে মধ্যপ্রাচ্যে, এ অঞ্চলের শীর্ষ তিন ক্রেতা ছিল সৌদি আরব, কাতার ও মিসর। মধ্যপ্রাচ্যে বেশির ভাগ অস্ত্র সরবরাহ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র (৫২ শতাংশ), ফ্রান্স (১২ শতাংশ), ইতালি (১০ শতাংশ) ও জার্মানি (৭ দশমিক ১ শতাংশ)।
বিশ্বে চলমান সংঘাতের মধ্যে সামনে রয়েছে গাজায় ইসরায়েলি হামলা। গত বছরের অক্টোবরে শুরু হওয়া এ সর্বাত্মক হামলায় ৩০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের বেশির ভাগই বেসামরিক নাগরিক। প্রতিবেদনে বলা হয়, সর্বশেষ পাঁচ বছরে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অস্ত্র রফতানি করেছে ইসরায়েলে, যথাক্রমে ৬৯ ও ৩০ শতাংশ।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com