1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

আওয়ামী লীগের কৌশলে শঙ্কা

  • আপডেট সময় রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
আসন্ন উপজেলা পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা তুলে দেওয়ার আওয়ামী লীগের নতুন কৌশল এখন শঙ্কা বাড়াচ্ছে। কারণ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকায় দলটির তৃণমূল পর্যায়ে বেড়েছে দ্বন্দ্ব। ফলে উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক তুলে দেওয়ায় দলের স্থানীয় পর্যায়ের অনেক নেতাই প্রার্থী হবেন। এতে করে নৌকা ও স্বতন্ত্র দ্বন্দ্ব আরও বাড়বে। যদিও দলটির দাবি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা তুলে দেওয়ায় তৃণমূলের রাজনীতিতে প্রভাব পড়া, না পড়া কোনো বিষয় নয়। ঝুঁকি তো বাড়বেই। আওয়ামী লীগ কোনো কিছুতেই ঝুঁকি মনে করে না।
মূলত তৃণমূল নেতাকর্মীদের ওপরে প্রভাব যাতে না পড়ে সে জন্যই নৌকা প্রতীক উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বরং নৌকা প্রতীক থাকলে তৃণমূল পর্যায়ে আরও প্রভাব বেশি পড়ে। বরং আওয়ামী লীগের দেশব্যাপী যে জনপ্রিয়তা রয়েছে, তাতে দলের সরাসরি কোনো প্রার্থী না থাকলেও দলীয় নেতারা জয়ী হবেন বেশি। কারণ বিএনপি গত দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নিয়ে যে ভুল করেছে, সেই প্রভাব পড়বে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। তাই এখানে আশঙ্কার কিছু নেই।
আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা বলেন, অনেক হিসাব-নিকাশ করেই আওয়ামী লীগ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা তুলে দিয়েছে। এতে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো অংশগ্রহণমূলক হবে। এখানে কোনো প্রার্থীকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সমর্থন দেওয়া হবে না। এতে নৌকার বিপক্ষে কেউ কাজ করবে না। নৌকা নিয়ে কোনো বিভক্তি দেখা দেবে না। নৌকার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলবে না। এসব বিচার বিবেচনা করেই নতুন কৌশল নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন মানেই মতভেদ হবে। আবার নির্বাচনের পর সেটি মিটে যাবে। আর বিএনপিসহ অন্য দলগুলো নির্বাচনে আসুক সেটি সবসময়ই আওয়ামী লীগ চায়। ফলে এটি একটি রাজনৈতিক কৌশল। গত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিয়ে যে ভুল করেছে, সেটি অনুধাবন করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে অংশগ্রহণ করলে তাদের ভুল ভেঙে যাবে।
তারা বলেন, সারাদেশে বিএনপির কোনো জনপ্রিয়তা নেই। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের যে জনপ্রিয়তা তাতে আমাদের নেতারাই জয়ী হবেন বেশি। আর বিএনপি নেতারা জয়ী হলেও সরকার তো পরিবর্তন হবে না। আগামী জাতীয় নির্বাচনে কী হবে, সেটি নিয়ে আওয়ামী লীগ এখনই কিছু ভাবছে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ এর আগের নির্বাচনগুলোতে ভোটাররা নির্বাচন-বিমুখ ছিল। অনেকেই ভোটকেন্দ্রে আসেনি। ভোটারদের নির্বাচন-বিমুখতা কাটিয়ে উঠতেই মূলত আওয়ামী লীগ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা তুলে নিয়েছে। তবে এটি কিন্তু আওয়ামী লীগের জন্য আরেকটি নতুন পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত হতে হবে। এই নতুন কৌশল সামনের দিনগুলোতে দলটির জন্য শঙ্কা হয়ে দেখা দেবে। কারণ তৃণমূল পর্যায়ে নেতায়-নেতায় মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। এই দূরত্ব আগামীতে আরও বাড়বে। অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ নিয়েই আওয়ামী লীগকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো করতে হবে। যেহেতু নৌকা প্রতীক তুলে দেওয়া হয়েছে, তাই এই নির্বাচনে বিএনপিসহ অনেক দলই অংশগ্রহণ করবে। সেখানে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে কতটি স্থানে আওয়ামী লীগ জিততে পারবে, তা এখনই বলা যাবে না। এর প্রভাব আগামী জাতীয় নির্বাচনেও পড়তে পারে।
অন্যদিকে শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে দলের সাধারণ স¤পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকায় প্রার্থীদের ওপর এমপিদের প্রভাব বাড়া, না বাড়া বড় বিষয় নয়। কোনো বড় কাজ করতে হলে, কিছু ছোট ছোট বিষয় আছে, এগুলোর মধ্যে এসে পড়বে। কারও ইচ্ছায় নির্বাচন প্রভাবিত হবে এমন কোনো কারণ নেই। নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী, এবার তারা প্রমাণ করেছে। বরং নির্বাচন কমিশন এতে আরও শক্তিশালী হবে। তাদের ওপর আরোপিত দায়িত্ব পালন করতে পারবে। তাতে নির্বাচনি ব্যবস্থায় সামনের দিকে আমাদের জন্য শুভ দিন অপেক্ষা করছে।
দলীয় প্রতীক না দিলেও প্রার্থীদের ওপর প্রচ্ছন্ন সমর্থন থাকবে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা কোনো সমর্থন দেব না। জনগণ যাকে পছন্দ তাকে নির্বাচিত করবে, যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ স¤পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ওপরে প্রভাব যাতে না পড়ে সে জন্যই নৌকা প্রতীক উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বরং নৌকা প্রতীক থাকলে তৃণমূল পর্যায়ে আরও প্রভাব বেশি পড়ে। এখানে সুবিধা হলো নৌকার বিপক্ষে কেউ কাজ করবে না। নৌকা নিয়ে কোনো বিভক্তি দেখা দেবে না। নৌকার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলবে না। এসব বিচার বিবেচনা করেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন মানেই মতভেদ হবে। নির্বাচনে মতবিরোধ হবেই। আবার নির্বাচন পরে সেটি মিটে যাবে। আর বিএনপিসহ অন্যান্য দলগুলো নির্বাচনে আসুক সেটি আওয়ামী লীগ চায়। এটা আমাদের রাজনৈতিক কৌশল। গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি না এসে যে ভুল করেছে সেটি তারা অনুধাবন করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে অংশগ্রহণ করলে তাদের ভুল ভেঙে যাবে। এতে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে কোনো প্রভাব পড়বে না। কারণ বিএনপির কোনো জনপ্রিয়তা নেই। বিএনপির নেতারা কয়টি উপজেলা নির্বাচনে জয়ী হবে। বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের ভুলের কারণে তাদের তৃণমূলের নেতারা নির্বাচন-বিমুখ হয়ে পড়েছে। আওয়ামী লীগের যে জনপ্রিয়তা তাতে বিএনপির বেশি প্রার্থী উপজেলা নির্বাচনে জয়ী হবেন না। আর তারা নির্বাচনে জয়ী হলেও সরকারের তো কোনো পরিবর্তন হবে না। আওয়ামী লীগও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কোনো অংশে কম জয়ী হবে না।
আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক স¤পাদক বিএম মোজাম্মেল হক বলেন, নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকায় দলের তৃণমূল পর্যায়ে কিছুটা বিভক্তি দেখা দিয়েছে। এই সংকট নিরসনে কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে ইতিমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আশা করি, আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগেই এর সমাধান হয়ে যাবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা তুলে দেওয়া আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কৌশল। এতে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে। এখানে শঙ্কার কিছু নেই। উপজেলা নির্বাচনে নৌকা তুলে দেওয়ায় যে বিভক্তি হবে, সেটি নির্বাচনের পর কাটিয়ে ওঠার সক্ষমতা আওয়ামী লীগের আছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সাবের আহমেদ চৌধুরী বলেন, গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিসহ অনেক দলই অংশগ্রহণ করেনি। এ কারণে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থীর সঙ্গে দলের নেতাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়েছিল। এতে দলটির তৃণমূল পর্যায়ে বিভক্তি বেড়েছে। নেতাদের মধ্যে দূরত্ব রয়েছে। শুধু আওয়ামী লীগের মধ্যে নয়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেও আমরা দেখেছি আওয়ামী লীগের লোকজন দ্বিধাবিভক্ত। একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিশেষ করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা তুলে দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এটি কিন্তু আওয়ামী লীগের জন্য আরেকটি পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত হতে হবে। হয়তো বিগত নির্বাচনগুলোতে ভোটাররা যে নির্বাচন-বিমুখ হয়েছিল, সেটি কাটিয়ে উঠতেই আওয়ামী লীগ নতুন কৌশল নিয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের এই নতুন কৌশল সামনের দিনগুলোতে আওয়ামী লীগের জন্য শঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে। কারণ এলাকায় তৃণমূল পর্যায়ে নেতায়-নেতায় মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। এই দূরত্ব আগামীতে আরও বাড়বে। তবে আগামী ৬ মাসের মধ্যে বোঝা যাবে, আওয়ামী লীগ কতটুকু কী করতে পারবে। কারণ আগামী দিনে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ নিয়েই আওয়ামী লীগকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো করতে হবে। যেহেতু নৌকা প্রতীক তুলে দেওয়া হয়েছে, তাই এই নির্বাচনে বিএনপিসহ অনেক দলই অংশগ্রহণ করবে। সেখানে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে কতটি স্থানে আওয়ামী লীগ জিততে পারবে এখনই তা বলা যাবে না। যেহেতু সরকারে আওয়ামী লীগ। তাই দলটির বেশির ভাগ নেতাই চাইবেন উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিতে। এতে দলের মধ্যে বিভক্তি আরও বাড়বে। এই সংকট মোকাবিলা করে দলটি কতটুকু সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে, সেটিই দেখার বিষয়।
উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ড. হারুন-অর-রশীদ হাওলাদার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক উঠিয়ে দেওয়া আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক কৌশল। এই দলীয় প্রতীক নিয়ে এর আগে অনেক রাজনীতি হয়েছে। একসময় তো দলীয় প্রতীক ছিল না। তখন তো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। যদিও মাঝখানে দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়েছে। আগে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলেও তখন যেহেতু কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। আশা করি, আগামী দিনেও দলীয় প্রতীক উঠিয়ে দেওয়ায় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে না। যদিও দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন করার যে উদ্দেশ্য ছিল সেটি কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। তবে দলীয় প্রতীক উঠিয়ে দেওয়ায় অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব কিছুটা বাড়তে পারে। কিন্তু সব দলের অংশগ্রহণে একটি সুন্দর নির্বাচন হবে। এতে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে কোনো প্রভাব পড়বে না।
নেত্রকোনার মদন উপজেলার চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকায় মনোনয়ন দেওয়া হতো। কিন্তু হঠাৎ করে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রতীক বন্ধ করে দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে দ্বন্দ্ব আরও বাড়িয়ে দিল। গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকায় তৃণমূল পর্যায়ে দ্বন্দ্ব বেড়েছে। এই দ্বন্দ্ব নৌকা প্রতীক উঠিয়ে দেওয়ায় আরও বেড়ে গেল। কারণ স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা সবাই চাইবেন উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন করার জন্য। কেউ কাউকে ছাড় দেবেন না। এতে করে গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃণমূল পর্যায়ে যে দ্বন্দ্ব ছিল সেটি আরও বেড়ে গেল। এটা ঠিক হয়নি।
কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা আগে যে চিন্তা করেছিলাম নৌকায় হয়তো থাকবে। জাতীয় নির্বাচনের পর মনে করেছিলাম, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নৌকা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকবে। কিন্তু এখন দেখছি দলীয় প্রতীক নৌকা উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে যেভাবে নির্বাচন হতো সেভাবে হবে। এতে কিছু অসুবিধার সঙ্গে সুবিধাও আছে। প্রার্থীর ইমেজের ওপর নির্ভর করে ভোটাররা ভোট দেবেন। ভোটারদের উপস্থিতির হার বাড়বে। কারণ বিগত নির্বাচনগুলোতে নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের বিমুখতা চলে আসছিল। ফলে আগামী উপজেলা পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটাররা নির্বাচনমুখী হবেন। ভোটারদের মধ্যে যে বিরূপ মনোভাব ছিল সেটি কেটে যাবে। স্থানীয় পর্যায়ে কেউ কাউকে দোষারোপ করতে পারবেন না। সবাই সমান। নির্বাচনের সময় নেতাকর্মীদের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব তৈরি হবে, সেটি নির্বাচন পরবর্তীকালে কেটে যাবে। এর প্রভাব থাকবে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির যদি কেউ অংশগ্রহণ করে করবে, সেটা তো ভালো। তবে এখন পর্যন্ত যতটুকু শোনা যায়, তারা হয়তো নির্বাচনে অংশ নেবে না। আর তারা অংশ নিয়ে জয়ী হলেও আগামী জাতীয় নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে না।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com