1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:২৪ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

বেদেপল্লীতে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৭, বসতঘর ভাঙচুর

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের সোনাপুর বেদেপল্লীতে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে ভূমি সংক্রান্ত জেরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রতিপক্ষের হামলায় ৭ জন আহত হয়েছেন। একই সাথে বেদেপল্লীর বসতঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ব্যাপারে সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ থেকে জানাযায়, গত বৃহ¯পতিবার দুপুর অনুমান ১২টায় সোহেল আহমদ খানের পক্ষের লোকজন তাদের রোপিত গাছের ডালপালা কাটতে যায়। এ সময় বিবাদী ফারুক মিয়া গং এই ভূমি নিয়ে মামলা চলমান আছে বলে বাধা দেন। কিন্তু সোহেল আহমদ খানের লোকজন তা কর্ণপাত না করে গাছের ডাল কাটতে থাকেন। এতে তর্কাতর্কি হয়। পরে ফারুক মিয়ার লোকজন দলবদ্ধ হয়ে সোহেল আহমদ খান ও তার স্বজনদের ৫টি বসতঘরে হামলা করে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটায়। হামলায় সোহেল আহমদ খান (৩৫), তার স্ত্রী অঞ্জনা বেগম (৩০), ছেলে বাবলু মিয়া (১৪), তানিম মিয়া (১২), ভাতিজা মাহিন মিয়া (১৪), ভাই কবির আহমদ (২৫), শ্যালক নেছার খান (২৫) আহত হন। পরে আহতরা সিলেট ও সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। হামলার ঘটনায় ফারুক মিয়া গংরা ২টি ইজিবাইক ব্যাটারিসহ ভাঙচুর, ১টি মোটরবাইক ভাঙচুর করেছে। এছাড়া ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
সোহেল আহমদ খানের পরিবারের লোকজন জানান, তাদের নিজস্ব বাড়ির জায়গার প্রায় ১৫ শতক জায়গা ফারুক আহমদের আত্মীয়দের দখলে নিয়ে গেছে। এই দখল টিকিয়ে রাখতে জায়গা নিয়ে মামলা চলছে আদালতে।
এ সময় আহত সোহেল আহমদ খান জানান, হামলার ঘটনার সময় তার মেয়ে বিয়ে দেয়ার নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় ফারুক আহমদ গংরা। হামলায় তাকে ও তার পরিবারের লোকজনকে বেধড়ক মারপিট করা হয়। তিনি বলেন, মারামারির এক পর্যায়ে তাকে তিন বাড়ি দৌড়ে নিয়ে মারপিট করে ফারুক আহমদ গংরা। তিনি সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক ন্যায় বিচারের দাবি জানান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মমিন মিয়া বলেন, সোহেল আহমদ খানের পরিবারের উপর হামলার ঘটনায় লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং দিনদুপুর প্রকাশ্যে মারপিট করা হয়েছে। এটা ন্যাক্কারজনক ঘটনা। তিনি এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দোষীদের শাস্তির দাবি জানান।
ঘটনার পর আহত সোহেল আহমদ খান বাদী হয়ে ফারুক মিয়া, ইমরান মিয়াসহ ৮ জনকে আসামি করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয়পক্ষের ৪ জনকে আটক করে নিয়ে আসে। আসামিগণ জেলহাজতে রয়েছেন।
অভিযোগ তদন্তকারী অফিসার এসআই কাজী শাহেদ বলেন, বেদেপল্লীর ঘটনায় মামলা হওয়ার পর সরেজমিন তদন্ত করেছি। দুই পক্ষের চার জনকে আটক করেছি। তারা বর্তমানে জেলহাজতে আছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com