1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

জলাবদ্ধতায় কয়েক হাজার একর জমিতে বোরো চাষ অনিশ্চিত

  • আপডেট সময় শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩

হোসাইন আহমদ ::
হাওরে আমার এক হাল (৩৬০ শতক) পরিমাণ জমি রয়েছে। পানি না নামার কারণে আমি এক কেয়ার (৩০ শতক) জমিও চাষ করতে পারিনি। জমি চাষ না করলে আমরা কি খাবো? কিভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে চলবো? চাষের সময় পার হয়ে গেলেও বিলের ইজারাদাররা এখনো হাওরের পানি ছাড়ছে না। এই আকুতি শান্তিগঞ্জের পাখিমারা হাওরের কৃষক মুহিবুর রহমানের। ইজারাদাররা হাওরের পানি আটকে রাখায় চাষবাদ আটকে আছে এই কৃষকের।
শুধু মুহিব নয়, হাওরের পানি প্রবাহ আটকে রাখায় জলাবদ্ধতার কারণে শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাখিমারা হাওর ও বড় হাওরের কয়েক হাজার একর জমি চাষাবাদের অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। ভুক্তভোগী মুহিবের মতো অনেক কৃষক রয়েছেন, যাদের উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম হাওরের জমিতে ফসলের চাষাবাদ।
জানা যায়, উপজেলার পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের বোরো ধানের অন্যতম হাওর পাখিমারা ও বড় হাওর। এই হাওর দু’টির পানি প্রবাহের ভারসাম্যতা বজায় রাখে মহাসিং নদীর তীরবর্তী বীরগাঁও বাজার সংলগ্ন স্লুইসগেইট। স্থানীয় পাখিমারা রামগোটা জলমহাল গ্রুপ স্লুইসগেটটির তত্ত্বাবধান করে থাকেন। দীর্ঘদিন থেকে চলমান নিয়মানুযায়ী বাংলা পঞ্জিকার অগ্রহায়ণের শেষের দিকে স্লুইসগেট ছেড়ে পানি অপসারণ করার কথা থাকলেও রহস্যজনক কারণে হাওরের পানি আটকে রেখেছে ইজারাদার কর্তৃপক্ষ। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট হাওরের কৃষকরা। হাওরে পানি থাকায় জমিতে হালচাষ, চারা রোপণসহ চাষাবাদ করতে পারেননি চাষীরা। চাষাবাদের উপযোগী সময় পেরিয়ে গেলেও পানি অপসারণের কোনো উদ্যোগ না নেয়ায় অনিশ্চয়তায় পড়েছে হাওর দুটির কয়েক হাজার একর বোরো ফসলি জমি। দ্রুততম সময়ে পানি ছেড়ে না দিলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখোমুখি হবেন বলে জানিয়েছেন একাধিক চাষী।
পাখিমারা হাওরের কৃষক ফারুক আহমদ বলেন, কয়েক হাজার একর জমিতে এখনো পানি রয়েছে। বিলের ইজারাদার কেন পানি ছাড়ছে না তা আমাদের বোধগম্য নয়।
ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম বলেন, স্লুইসগেট বিলের লোকেরা দেখভাল করেন। আমরা এতে হস্তক্ষেপ করিনা। তবে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা সকিনা আক্তার বলেন, সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে পানি অপসারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুকান্ত সাহা বলেন, আমি বিষয়টি স¤পর্কে জানতে পেরেছি। শীঘ্রই ব্যবস্থা নিচ্ছি। আশা করছি দুয়েকদিনের মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com