1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:২২ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

ডিসেম্বরের শেষ দিকে বিএনপির চূড়ান্ত আন্দোলনের প্রস্তুতি

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
আসন্ন নির্বাচন কীভাবে ঠেকানো যায় বর্তমানে তার চূড়ান্ত পরিকল্পনা করছে বিএনপি। বিশেষ করে রাজধানীকে মাথায় রেখে পরবর্তী আন্দোলনের পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। ফলে বিচ্ছিন্নভাবে মাঠে নেমে এখনই শক্তি ক্ষয় করতে চাচ্ছে না দলটি। ভোটের আগ মুহূর্তে বড় ধরনের ঝাঁকুনি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তার আগে সাধারণ মানুষকে এখন ভোটকেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।
২৮ অক্টোবর নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ প- ও সংঘর্ষের পর কয়েক দিন কিছুটা কঠোর কর্মসূচি পালন করা হলেও ক্রমে তাতে ঢিলেঢালা ভাব চলে আসে। বিএনপির অবরোধ-হরতালে কিছু ঝটিকা মিছিল ছাড়া বড় ধরনের কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। সবশেষ ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবসের কর্মসূচিতে প্রথম ও মধ্যম সারির বেশ কয়েকজন নেতাকে মাঠে দেখা গেছে। এভাবে বিভিন্ন ইস্যুভিত্তিক কর্মসূচিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা মাঠে নামার পরিকল্পনা করছে। এর জন্য চলমান কর্মসূচির সঙ্গে দেওয়া হবে সভা-সমাবেশের কর্মসূচিও।
বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বলছেন, গ্রেফতার এড়াতে গিয়ে আন্দোলনের গতি অনেকটা কমে গেছে। এ নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। রাজধানীতে আন্দোলন জোরালো করার কথাও ভাবছেন তারা। কারণ, রাজধানীকে সচল রেখে ৬৪ জেলা অচল করে কোনো লাভ হবে না। ২০১৪ সালের মতো আন্দোলন চলতে থাকলে চূড়ান্ত ফল পাওয়া যাবে না।
ঢাকা উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েল বলেন, আমাদের লক্ষ্য যেকোনো মূল্যে নির্বাচন ঠেকানো। সে জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। এর জন্য মাঠে নামার প্রস্তুতিও নিচ্ছি। সরকারকে মাঠ ফাঁকা করে দেওয়া হবে না।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা বিএনপির সাধারণ স¤পাদক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর বলেন, রাজধানীতে আন্দোলন জোরালো হচ্ছে না। রাজধানীতে আন্দোলনের উত্তাপ ছড়াতে না পারলে তৃণমূলে আন্দোলন সফল করে কোনো লাভ নেই। ২০১৪ সালের মতো আন্দোলন চলতে থাকলে চূড়ান্ত ফল পাওয়া যাবে না।
ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক বলেন, হাইকমান্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা মাঠে আছি। রাজধানীর দায়িত্ব আমাদের নয়। আমাদের দায়িত্ব ঢাকা জেলার উপজেলাগুলোয় আন্দোলন জমিয়ে তোলা। ২৮ অক্টোবরের পর কারা মাঠে আছে, কারা নিষ্ক্রিয়, হাইকমান্ডের কাছে সব তথ্য আছে।
ঢাকা উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা আর বিচ্ছিন্নভাবে মাঠে নামতে চাই না। ডিসেম্বরের শেষে চূড়ান্ত আন্দোলনে রাজপথে নামব আমরা। ফলে এখন শক্তি ক্ষয় করতে চাইছি না। আত্মগোপনে থাকা কেন্দ্রীয় নেতারা বেরিয়ে এলে কর্মীরাও আগের মতো মাঠে নামবে।
বগুড়ার শেরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল বাবলু বলেন, নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের হাঙ্গামা বাঁধবে। মানুষ ভোট দিতে যাবে না। একতরফা ভোটে অংশ নিতে আমরা সবাইকে নিরুৎসাহিত করছি, আর অপেক্ষা করছি নতুন কর্মসূচির। ভোটের আগ মুহূর্তে একযোগে মাঠে নামব আমরা। তার আগে দলের মহাসচিবের মুক্তির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। মহাসচিব ফিরে এলে নেতাকর্মীরা আবার চাঙ্গা হয়ে উঠবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com