1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602
সংবাদ শিরোনাম

কপ-২৮ সম্মেলন : ভবিষ্যতের পরিকল্পিত নগরায়ন নিয়ে আলোচনা

  • আপডেট সময় রবিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩

শামস শামীম, দুবাই থেকে ::
দুবাইয়ে শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় এক্সপো সিটি ২০২২তে ব্লুজোনের বিটু ভবনের ৩২ নম্বর কক্ষে ক্লাইমেট ট্রান্সফারেন্স নিয়ে আলোচনা হয়। যেখানে দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, ভুটানসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সেখানে বিভিন্ন দেশের ভবিষ্যতের পরিকল্পিত নগরায়ন নিয়ে আলোচনা করেন ভারতের বিশেষজ্ঞ অনুমিতা রায় চৌধুরী।
প্রতিদিন সকাল স্থানীয় সময় সাড়ে ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ইস্যুভিত্তিক আলোচনা চলে। আলোচনা সভায় তিনি জানান, তাপমাত্রা কমানোর জন্য নগরে পরিবেশবান্ধব বাসস্থানের পরিকল্পনা করতে হবে এখনই। পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগের মধ্যে কাঁচের ব্যবহার কমিয়ে ভেন্টিলেশনের ব্যবহার বৃদ্ধি, ইটের বদলে ব্লকের ব্যবহার, বৃক্ষরোপণ, বনভূমি রক্ষা, নদী খাল বিল উদ্ধার ও সুরক্ষা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবেশ সম্মত ব্যবস্থার উন্নতি করতে হবে।
তিনি বিভিন্ন দেশের নগরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব তুলে ধরে বলেন, ঢাকা শহরে ফ্লাইওভাররের কারণে গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত পরিবহনের পথ বেড়েছে। এতে জ্বালানি বেড়ে তাপমাত্রা বাড়াচ্ছে। তাই নগরকে শীতল রাখতে হলে সুষ্ঠু পরিকল্পনার প্রয়োজন। পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলতে না পারলে দুর্যোগে বিপর্যয় বাড়বে। যা সাম্প্রতিক বন্যার সময় দেখা গেছে।
জলবায়ু উদ্বাস্তুরা শহরমুখি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরো জানান, জলবায়ু উদ্বাস্তুরা এই শহরকে আপন করে নিতে পারছে না। তাদের জন্য সমান সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা নেই। তাই নগরের বাসিন্দাদের সবাইকেই সমান সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। তাদেরকে মানসিক শক্তি ও সাহস জোগানোর পাশাপাশি তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। বাংলাদেশে ক্রমশ জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা উদ্বাস্তুরা নগরে ভিড় করছে তাতে ২০৬০ সালে ৬৫ ভাগ মানুষের বসবাস হবে নগরে। ঢাকা শহরে গাড়ি অনুপাতে রাস্তাঘাট ২০ ভাগ কমে গেছে উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞ অনুমিতা রায় চৌধুরী জানান, এতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় চাপ বাড়ছে। তাপমাত্রা বাড়ছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে স্টেপ জিরো বাস্তবায়নে রাষ্ট্রগুলো অঙ্গিকার রক্ষা করলে ৯০ ভাগ কার্বন নির্গমন কমে যাবে।
এভাবে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে সম্মেলনস্থলের বিভিন্ন কক্ষে জলবায়ুঝুঁকির তথ্য ও তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা চলে। পাশাপাশি রাষ্ট্রপক্ষও আলাদাভাবে সম্মেলনে কপ২১ বা প্যারিস নীতির অঙ্গিকার কতটুকু বাস্তবায়ন করেছে তার অবস্থান ব্যাখ্যা করছে। এছাড়াও ব্লু, রেড, ইয়েলো, গ্রীন জোনেও আলাদাভাবে নানা কর্মসূচি পালন করছেন অংশগ্রহণকারীরা।
ব্লুজোনের ভবনগুলোর পথের ধারে পরিবেশসম্মত উপকরণ দিয়ে বিশ্বব্যাংক, এডিবি, বিভিন্ন দাতা ও উন্নয়নসংস্থা, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্টল করে জলবায়ুবিষয়ক তথ্য উপস্থাপন করে ভবিষ্যতের পরিবেশবান্ধব পৃথিবীর আহ্বান জানাচ্ছে। অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রগুলোর প্যাভিলিয়নেও আলাদাভাবে কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। সেখানে জলবায়ু সুরক্ষার অঙ্গিকারগুলোর বাস্তবায়নের তথ্যসহ পরিবেশসম্মত নানা উপকরণ ও আচারাদিও পরিবেশর করছেন তারা।
শনিবার (২ ডিসেম্বর) কপ-২৮ এবং ব্রাজিলের পরিবেশ পরিবর্তনের ট্রানজিশন, কার্বন ড্রাই অক্সাইড অপসারণে প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাসহ ৫টি আলাদা বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com