1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
মঙ্গলবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৩, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

জীবনের নিরাপত্তা চান শিক্ষক!

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি ::
দোয়ারাবাজারে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে এক শিক্ষক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের প্যাকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জহিরুল হক।
বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দোয়ারাবাজার প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো. জহিরুল হক স্থানীয় এক পুলিশ সদস্য কর্তৃক হয়রানির অভিযোগ করে বলেন, বাংলাবাজার ইউনিয়নের রামশাইরগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের পুত্র খুর্শেদ আলম। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের একজন সদস্য হয়েও দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছেন। তিনি করোনাকালে আমার দ্বিতীয় পুত্র স্বল্পমাত্রার বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মো. মমিনুল হক শাওনকে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে সবজি ব্যবসার সাথে জড়িত করেন। এরই সুবাদে উভয়ের মধ্যে আর্থিক লেনদেন হয়। পরবর্তীতে লেনদেন নিয়ে ব্যবসায় সমস্যা সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সমিতি কর্তৃপক্ষ খুর্শেদ আলমের কাছে থাকা শাওনের একটি খালি চেকের পাতা রেখে তাদের হিসাব-নিকাশ নিষ্পত্তি করে দেন।
তিনি বলেন, আমার পুত্রের দেওয়া চেকটি ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও পুলিশ সদস্য খুর্শেদ আলম ওই চেকটি আর ফেরত দেননি। চাকরির ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে দেই দিচ্ছি বলে টালবাহানা করতে থাকেন। আমার জানামতে আমার পুত্রের কাছে তিনি কোনো টাকা-পয়সা পাননা। এদিকে এরই জেরে গত ৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্থানীয় বাংলাবাজারে আমাকে দেখতে পেয়ে খুর্শেদ আলম কিছু উশৃঙ্খল লোকজন নিয়ে হঠাৎ আমার দিকে তেড়ে আসেন এবং আমি কিছু ঝুঝে উঠার আগেই আমাকে টানাহেচড়া করে আমাকে আটকে রাখেন। এসময় খুর্শেদ আলম আমার ছেলের কাছে ৫০ লাখ টাকা পাবেন বলে দাবি করেন এবং আমাকে মারধর করতে উদ্যত হন। দাবিকৃত টাকা না দিলে আমাকে মারধর করবে এমনকি আমার ছেলেকে কখনো পেলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেন। ওই সময় খুর্শেদ আলম আমাকে প্রায় এক ঘণ্টা আটকে রাখেন। পরে স্থানীয়রা এসে আমাকে তার কবল থেকে উদ্ধার করে নেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক মো. জহিরুল হক কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, আমি একজন নিরীহ মানুষ। এখানে আমার আত্মীয়-স্বজন বলতে কেউ নেই। খুর্শেদ আলম পুলিশে চাকরি করার সুবাদে প্রভাব প্রতিপত্তি দেখিয়ে আমাকে নিজ বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার হুমকি দিয়ে আসছেন। আমি ও আমার পরিবারের লোকজন এখন নিরাপত্তাহীনতায় আছি। আমি ও আমার পরিবার পরিজন তার কবল থেকে বাঁচতে চাই। এব্যাপারে আমি ন্যায়বিচার পেতে মাননীয় প্রধামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক জহিরুল হকের অভিযোগের বিষয়ে জানতে পুলিশ সদস্য মো. খুর্শেদ আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়গুলো সত্য নয় বলে মোবাইলফোন কল কেটে দেন।
দোয়ারাবাজার থানার ওসি বদরুল হাসান বলেন, এব্যাপারে শিক্ষকের স্ত্রী আমার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে থানায় এসে বিষয়টি সমাধান হয়েগেছে বলে অভিযোগপত্র ফিরিয়ে দেওয়ার কথাও বলেছেন। এরপরে কী হলো আমার জানা নেই।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com