1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
  3. [email protected] : wp-needuser : wp-needuser
সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর হস্তান্তর : আরও ৬৮৩ পরিবার পেল স্বপ্নের ঠিকানা

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের ৪র্থ পর্যায়ে ২য় ধাপে স্বপ্নের সেমি পাকা ঘর পেল সুনামগঞ্জ জেলার আরও ৬৮৩টি পরিবার। বুধবার ২শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্তসহ প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ওইদিন সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর আগে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে একযোগে ৪র্থ পর্যায়ের ২য় ধাপে ২২,১০১টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এসময় জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন। গৃহ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা পারভীন, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এমদাদুল হক শরীফ, সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা কেয়া, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল বরকত, রশীদ আহমদসহ জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। এসময় জেলার ধর্মপাশা ও শাল্লা উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হয়। ইতোপূর্বে বিগত ২২/০৩/২০২৩ তারিখে জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, জেলায় এ পর্যন্ত তালিকাভুক্ত ৮৪৪৬টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে ৭৭১৭টি পরিবারে জমি ও গৃহ প্রদান করা হয়।
জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী জানান, ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ মুজিববর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের বাসস্থান নিশ্চিতকল্পে সেমিপাকা একক গৃহ নির্মাণের কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়। সারাদেশের সকল ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষকে মুজিববর্ষে জমিসহ সেমিপাকা ঘর দেয়ার লক্ষ নির্ধারণ করা হয়। প্রাথমিকভাবে “ক” শ্রেণির পরিবারের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি নিষ্কণ্টক খাস জমি, সরকারিভাবে ক্রয়কৃত জমি সরকারের অনুকূলে কারও দানকৃত জমি অথবা রিজিউমকৃত জমিতে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পুনর্বাসন করা হচ্ছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের এ প্রকল্পটিতে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিশেষভাবে সংযোজন করা হয় ৪০০ বর্গফুট আয়তনের দুই কক্ষ বিশিষ্ট সেমিপাকা একক গৃহ। এই ঘরে সুপরিসর দুইটি কক্ষের সামনে টানা বারান্দা, পেছনে রয়েছে রান্নাঘর ও স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটারি ল্যাট্রিন। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগের পাশাপাশি রয়েছে নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থা। ক্লাস্টারভিত্তিক স্থাপিত প্রকল্প গ্রামগুলোতে সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিনন্দন লে-আউটের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ রাস্তা, কমিউনিটি সেন্টার, পুকুর, খেলার মাঠ, পার্ক, বাজার প্রভৃতি নিশ্চিত করা হয়।
জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী বলেন, এ প্রক্রিয়ায় মুজিববর্ষে ১ম পর্যায়ে করোনা মহামারি চলাকালীন সময়ে ২১ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে ৬৩,৯৯৯টি পরিবারকে প্রতিশ্রুত ২ শতক জমিসহ ঘর প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০ জুন ২০২১ তারিখে ৫৩,৩৩০টি পরিবারকে অনুরূপভাবে গৃহ প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে ৩য় পর্যায়ে ১ম ধাপে ২৬ এপ্রিল, ২০২২ তারিখে ৩২,৯০৪টি এবং ৩য় পর্যায়ের ২য় ধাপে ২১ জুলাই ২০২২ তারিখে ২৬২২৯ টি পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান করা হয়। সর্বশেষ ৩য় পর্যায়ে অবশিষ্ট ৮২১০ টি এবং ৪র্থ পর্যায়ের ১ম ধাপে ২৯৫৭৯ টিসহ মোট ৩৭৭৮৯ পরিবারকে ২২ মার্চ ২০২৩ তারিখে জমি ও গৃহ প্রদানসহ এ পর্যন্ত সারাদেশে সর্বমোট ২,১৪,২৫১ জন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান করা হয়। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জ জেলায় ১ম পর্যায়ে ৩৯০৮, ২য় পর্যায়ে ৩৫৮ এবং ৩য় পর্যায়ের ১ম, ২য় ও ৩য় ধাপে ১৯৪৬ টি পরিবার এবং ৪র্থ পর্যায়ের ১ম ধাপে ৮২২ টি পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর করা হয়। ৪র্থ পর্যায়ের ২য় ধাপে ৬৮৩টি পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ জেলায় মোট ৭৭১৭ টি পরিবার জমি ও গৃহ প্রাপ্তির মাধ্যমে পুনর্বাসিত হয়েছেন। তাছাড়া আরও ৩৪৪টি পরিবার আশ্রয়ণ প্রকল্পের বিভিন্ন ব্যারাকে গুচ্ছগ্রামে পুনর্বাসিত হয়েছেন। আশ্রয়ণ প্রকল্পের ব্যারাক/গুচ্ছগ্রাম এবং একক ঘর মিলিয়ে সর্বমোট পুনর্বাসিত পরিবারের সংখ্যা ৮০৬১টি। অবশিষ্ট ৩৮৫টি পরিবারের মধ্যে দোয়ারাবাজার উপজেলায় ১৩৯টি গৃহ বাদে বাকি ২৪৬ টি ঘরের বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং সেগুলোর নির্মাণকাজও চলমান রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com