1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
  3. [email protected] : wp-needuser : wp-needuser
সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৮:২১ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

ধর্মপাশা ও শাল্লা উপজেলা ভূমি-গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার ::
ধর্মপাশা ও শাল্লাসহ দেশের ১২৩টি উপজেলা ও ১২টি জেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের একজন মানুষও অবহেলিত থাকবে না-বঙ্গবন্ধুর এ আকাক্সক্ষা পূরণে সরকার সবার জন্য বাড়ির ব্যবস্থা করে যাচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
বুধবার (৯ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২২ হাজার ১০১টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের কাছে জমিসহ বাড়ি হস্তান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন এবং ১২টি জেলার সব উপজেলাসহ মোট ১২৩টি উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তিনটি গৃহনির্মাণ স্থল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ, পাবনার বেড়া এবং খুলনার তেরখাদা উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।
এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এসব উপজেলার প্রত্যেক ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষকে দুই কাঠা করে জমিসহ ঘর দেওয়া হয়েছে। এসব ঘরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার, সেই অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে জীবন জীবিকার ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি। কাজেই এসব জেলা-উপজেলাকে আমি আজ ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত উন্নত জেলা-উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করছি। জাতির পিতা এ দেশ স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। দেশে একটি মানুষও অবহেলিত থাকবে না-এটাই তার আকাক্সক্ষা ছিল, আমরা তার সেই আকাক্সক্ষাটাই পূরণ করছি।
এ পর্যন্ত ৩৩৪ উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত হলো। এ পর্যন্ত পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭টি পরিবারকে ঘর দিয়ে জীবন জীবিকার পথ করে দেওয়া হয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে জানান। যে ১২টি জেলার সব উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত হলো, সে জেলাগুলো হলো- মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ময়মনসিংহ, শেরপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, কুষ্টিয়া, পিরোজপুর, ঝালকাঠি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ অন্যান্য প্রকল্পের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৪১ লাখ ৪৮ হাজার ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষ পুনর্বাসিত হয়েছে। শুধু আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে পুনর্বাসিত হয়েছে ২৮ লাখ মানুষ। আর মুজিববর্ষের বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে পুনর্বাসিত হয়েছে ১১ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫ জন ছিন্নমূল মানুষ, যাদের জন্য ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৫১টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ১৯৯৭ সালের ১৯ মে কক্সবাজার ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০ মে ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্ত কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্ট মার্টিন পরিদর্শন করেন এবং ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্ত গৃহহীন ও ছিন্নমূল পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার দান করা জমিতে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হয়।
ঘূর্ণিঝড় ও নদীভাঙনকবলিত ভূমিহীন, গৃহহীন ও ছিন্নমূল পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ‘আশ্রয়ণ’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৭ সাল থেকে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।
এ ছাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের ব্যারাক নির্মাণের কাজ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মাধ্যমে এবং ‘জমি আছে ঘর নেই’ প্রকল্পে দুই কক্ষবিশিষ্ট একক ঘর নির্মাণের কাজটি উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দেশের সব উপজেলায় প্রায় ২৫ হাজার স্থানে এসব ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com