1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
  3. [email protected] : wp-needuser : wp-needuser
বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১১:১০ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

তাহিরপুরে আব্দুল হাই হত্যাকাণ্ড ৬ আসামি অধরা

  • আপডেট সময় বুধবার, ২৯ মার্চ, ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার ::
তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের গাঘটিয়া টেকেরগাঁও গ্রামে আব্দুল হাই হত্যাকা-ের দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনো অধরা মামলার প্রধান আসামি আব্দুল হেকিমসহ ৬ আসামি।
প্রসঙ্গত, গত ১৩ মার্চ সন্ধ্যায় তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে মৃত সমেদ আলীর ছেলে বৃদ্ধ আব্দুল হাই (৬৫)-কে পিটিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ তাৎক্ষণিক একই গ্রামের রইছ মিয়ার ছেলে অনফর আলীকে গ্রেপ্তার করে। পরে নিহতের স্ত্রী মিনারা খাতুন (৬০) বাদী হয়ে তাহিরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, রবিবার (১২মার্চ) সকালে আব্দুল হাইয়ের মেয়ের জামাই ফারুক মিয়া একটি অটো রিকশা নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে যান। এসময় শ্বশুর বাড়ির পার্শ্ববর্তী হেকিমের ঘরের টিনের বেড়ার মধ্যে অটোরিকশা লেগে একটু ভেঙে যায়। এই নিয়ে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন হেকিম মিয়া ও তার স্ত্রী। তখন ফারুক মিয়া একটি নতুন টিন এনে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে চলে যান। পরদিন সোমবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘরের টিন এনে না দেওয়ায় আব্দুল হাইয়ের মেয়ে আছমা ও হেকিমের স্ত্রীর মধ্যে কয়েক দফা ঝগড়াঝাটি হয়। এক পর্যায়ে হেকিমের ফুফাতো ভাই আনফর আলী উত্তেজিত হয়ে আছমাকে মারপিট করতে থাকে। এসময় আছমার চিৎকার শুনে তার বৃদ্ধ পিতা আব্দুল হাই ও তার ভাই আক্তার হোসেন এগিয়ে আসলে উভয়ের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে বৃদ্ধ আব্দুল হাই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে বাদাঘাট বাজারের পল্লী চিকিৎসক হাফিজ উদ্দিনের কাছে নিয়ে গেলে তিনি তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় ১৩ মার্চ নিহতের স্ত্রী মিনারা বেগম বাদী হয়ে একই গ্রামের মৃত সোনা মিয়ার ছেলে আব্দুল হেকিম (৬৫), তার জেঠাত ভাই গ্রেপ্তারকৃত আনফর আলী (৩২), লস্কর আলী (৬৫) ও তার ছেলে রকফিকুল ইসলাম (২১), আসকর আলী (৬০), তার ছেলে ছয়ফুল ইসলাম (২২), সাইফুল ইসলাম (১৯)-এর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই আসামির পলাতক রয়েছে।
নিহতের স্ত্রী মিনার খাতুন বলেন, আমার স্বামীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই। আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আনা হোক।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাহিরপুর থানার এস আই আরেফিন সিদ্দিক জানিয়েছেন, পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com