1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

তাহিরপুরে ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ : ইউপি সদস্যের পরিবারেই ৩ পিআইসি

  • আপডেট সময় রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৩

জাহাঙ্গীর আলম ভুঁইয়া ::
তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নে বাঁধ নির্মাণে একই পরিবারে ৩টি পিআইসি অনুমোদন নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ তিনটি প্রকল্পের প্রায় অর্ধেক টাকা উত্তোলন হলেও সে অনুপাতে বাঁধের কাজ হয়নি। দায়সারাভাবে কাজ করে প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে। তিনি বাদাঘাট ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার।
জানাগেছে, তিনটি পিআইসির মধ্যে ৭৮নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন ইউপি সদস্য দ্বীন ইসলাম রাজু নিজে, ৭৭নং পিআইসিতে দ্বীন ইসলামের আপন ছোট ভাই রমজান আলী সদস্য সচিব এবং ৭৬নং পিআইসিতে দ্বীন ইসলামের ভগ্নিপতি সাজিদ মিয়া খন্দকার সভাপতি ও দ্বীন ইসলামের স্ত্রীর বড়ভাই আরিজ মিয়া সদস্য সচিব।
এ বিষয়ে গত ১৯ মার্চ জেলা প্রশাসক বরাবরে এলাকার ৩২জন সচেতন নাগরিক অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পাউবো’র উপ সহকারী প্রকৌশলীকেও প্রদান করা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৭৬, ৭৭ ও ৭৮নং পিআইসির কাজ শেষ করার কথা। কিন্তু ইউপি সদস্য দ্বীন ইসলাম রাজু কোন পিআইসির কাজেই শেষ শতভাগ সম্পন্ন করেননি। অথচ পাউবো কর্মকর্তাদেরকে পার্সেন্টিজ দিয়ে প্রায় ৫০ভাগ বিল পকেটস্থ করেছেন।
এছাড়াও এছাড়া ৩টি পিআইসির মধ্যে বরাদ্দ হচ্ছে ৭০লক্ষ ৪৯ হাজার ১১৭টাকা। এর মধ্যে ৩টি পিআইসিতে তিনি মাত্র ২৫লাখ টাকার কাজ করেছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
অভিযোগ রয়েছে, পাউবো’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মোটা অংকের আগাম উৎকোচ নিয়ে দ্বীন ইসলামের পরিবারের মধ্যে ৩টি পিআইসি অনুমোদন করেছেন। এছাড়া বাদাঘাট ইউনিয়নে একাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষক থাকার পরও ৩টি পিআইসিতেই মাত্র একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার জানান, এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। একই কথা বলেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এসও) মো. শওকত উজ্জামান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্য দ্বীন ইসলাম রাজু বলেন, পিআইসির কাজ নেয়ার জন্য তিনি ও তার আত্মীয় স্বজনরা ৮টি পৃথক আবেদন করেছিলেন। ৭৭নং পিআইসিতে সদস্য সচিব হিসেবে আমার আপন ছোট ভাই রমজান আলী এবং ৭৬নং পিআইসির সদস্যসচিব হিসেবে আমার স্ত্রীর বড়ভাই আরিজ মিয়াকে ইউএনও এবং এসও সাহেব রেখেছেন। এখানে আমার কোন হাত নেই। ২টা বিলে ৫০% টাকা ইতিমধ্যে পেয়েছি। পিআইসির কাজে দুর্বা ঘাস নয়, বস্তা ফেলে বাকি কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টায় আছেন বলে জানান তিনি।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুপ্রভাত চাকমা জানান, বাঁধ ও পিআইসির কাজে কমবেশী অনেক অভিযোগ প্রতিকারের ব্যবস্থা নিচ্ছি। অনিয়মকারীদের ছাড় দেয়া হবে না।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com