1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
  3. [email protected] : wp-needuser : wp-needuser
সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

নতুন ১১৭ প্রকল্পে ৫৩ কোটি টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধির পাঁয়তারা

  • আপডেট সময় সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২২

শামস শামীম ::
যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই না করেই আগাম বন্যা থেকে সুনামগঞ্জের হাওরের বোরো ফসল রক্ষায় নির্মিত অস্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্প ও বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে চলতি বোরো মওসুমে। যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই না করে এবং হাওরের প্রকৃত কৃষকদের মতামত না নিয়ে হাওর সম্পর্কে ধারণা নেই এমন সার্ভেয়ার দিয়ে প্রাথমিক জরিপ করে প্রকল্প ও বরাদ্দ বাড়ানোর তৎপরতা সম্পন্ন করা হয়েছে। তাই এবার অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে অস্বাভাবিক প্রকল্প ও বরাদ্দ বৃদ্ধি করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে হাওর আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তারা আশঙ্কা করছেন এতে সরকারি অর্থ অপচয় ও লোপাট হবে।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়নে নিয়োজিত ‘কাবিটা স্কীম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত মনিটরিং কমিটি’ ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে হাওরের বোরো ফসল রক্ষায় প্রকল্প ও বরাদ্দ বৃদ্ধির ঘোষণা দেয়। তাদের মতে গত বছরের তুলনায় এবার ১১৭টি প্রকল্প ও ৮৯ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সরকারের খরচ হবে অতিরিক্ত প্রায় ৫৩ কোটি টাকা। চলতি বোরো মওসুমে প্রাথমিক প্রকল্পের প্রাথমিক প্রাক্কলনে প্রায় ১৭১ কোটি টাকার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। গত বন্যায় ফসলরক্ষা বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করলেও গতবারের ৭২৭টি প্রকল্পের মধ্যে কতটি প্রকল্প বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেটির প্রকৃত পরিসংখ্যান জানাতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা।
‘কাবিটা স্কীম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত মনিটরিং কমিটি’ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে জেলার ছোট-বড়ো ৪৮টি হাওরে প্রায় ৫৩৬ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। কাজ বাস্তবায়নে গঠিত হয় ৭২৭টি পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি)। এতে বরাদ্দ ছিল ১২৪ কোটি টাকা। ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সার্ভেয়ার ও সেকশন অফিসারদের নেতৃত্বে জরিপ কমিটি হাওরের ১২০০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ জরিপ করে ৬২৫ কিলোমিটারে অস্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের যে সার্ভেয়াররা জরিপ করেছেন তাদের হাওর সম্পর্কে কোন ধারণা নেই। অনেকে প্রথমবারের মতো হাওরে এসে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে জরিপ করেছেন। তাদেরকে পিছনে থেকে সমর্থন দিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেকশন অফিসাররা (এসও)। সার্ভেয়ারদের জরিপের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এসওরা মিলে ৯০৪টি পিআইসি জমার প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও বরাদ্দ আরো অন্তত ৭১ কোটি কোটি টাকা বাড়বে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। ইতোমধ্যে ৬২৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণের লক্ষ্যে ১২ টি উপজেলা থেকে ৯০৪ টি প্রকল্প জমা হয়েছে। বর্ধিত প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হলে গত বছরের তুলনায় এবার ৪৭ কোটি টাকা বেশি খরচ হবে। সবমিলিয়ে প্রকল্প ও বরাদ্দ বাড়ায় সরকারের প্রায় ৫৩ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে এবার। এদিকে নতুন ও অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সভায় উপস্থিত বেসরকারি পর্যায়ের সদস্যবৃন্দ। সুনামগঞ্জ সদর, শান্তিগঞ্জ, দোয়ারাবাজার, বিশ্বম্ভরপুর ও দিরাই উপজেলায় এবার অস্বাভাবিক বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ উপজেলাগুলোতে অস্বাভাবিক বরাদ্দের প্রস্তাব করায় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণে যুক্ত ‘কাবিটা স্কীম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত মনিটরিং কমিটি’ সূত্র জানিয়েছে, গত মওসুমে জেলায় ৪৮টি হাওরে ৫৩৬ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে ৭২৭টি পিআইসি দিয়ে ১২৪ কোটি টাকায় কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। এবার প্রতিটি উপজেলাতেই প্রকল্প ও বরাদ্দ বাড়ানোর প্রাথমিক প্রাক্কলন করা হয়েছে। সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী গত বছর সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৬ টি প্রকল্পের মাধ্যমে ১৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের কাজ করা হয়। এবার বাড়িয়ে ৭১টি প্রকল্পের মাধ্যমে ৫২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের কাজ নির্মাণ করা হবে। প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৪ কোটি টাকা। বিশ^ম্ভরপুর উপজেলায় গেলবার ৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩৫ টি প্রকল্পে ২৩ কিলোমিটার কাজ করা হয়েছিল। এ বছর ৫৬টি প্রকল্পে ৩০ কিলোমিটারের জন্য প্রায় ১১ কোটি ৬০ লাখ টাকার প্রাথমিক প্রাক্কলন করা হয়েছে। তাহিরপুর উপজেলায় গতবার ১৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬৮টি প্রকল্পে প্রায় ৬০ কিলোমিটার কাজ করা হয়েছিল। এবার ৭৯টি প্রকল্পে ৫৫ কিলোমিটার কাজের ১৪ কোটি টাকার প্রাক্কলন করা হয়েছে। ধর্মপাশা উপজেলায় গতবার ৩০ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৫৮টি প্রকল্পে ১৭০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের কাজ করা হয়। এবার ১১১টি প্রকল্পে ১১৫ কিলোমিটার কাজের প্রায় ২৩ কোটি টাকার প্রাক্কলন তৈরি করা হয়েছে। নবগঠিত মধ্যনগর উপজেলায় চলতি বছর ১৪ টি প্রকল্পে ২০ কিলোমিটার কাজে দুই কোটি ৬৯ লাখ টাকার প্রাক্কলন তৈরি করা হয়েছে। জামালগঞ্জ উপজেলায় গতবার ৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪০ টি প্রকল্পে ৪৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এবার ৫৯টি প্রকল্পে ৫৩ কিলোমিটার কাজের জন্য ১০ কোটি টাকার প্রাক্কলন করা হয়েছে। শান্তিগঞ্জ উপজেলায় সাড়ে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৬ টি প্রকল্পে প্রায় ২৮ কিলোমিটার কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। চলতি বছর ৮৭ টি প্রকল্পে ৪৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৭ কোটি ২০ লাখ টাকা। জগন্নাথপুর উপজেলায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে ২৮ টি প্রকল্পে প্রায় ১৫ কিলোমিটার কাজ বাস্তবায়ন করা হলেও এ বছর ৩৮টি প্রকল্পে ৪৮ কিলোমিটার কাজে সাড়ে ৫ কোটি টাকার প্রাক্কলন করা হয়েছে। দিরাই উপজেলায় ১৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০৪টি প্রকল্পে ৫৪ কিলোমিটার কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। চলতি মওসুমে ১৬৭টি প্রকল্পে ৯৬ কিলোমিটার কাজের জন্য ২৮ কোটি টাকার প্রাক্কলন করা হয়েছে। শাল্লা উপজেলায় ২৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩৮টি প্রকল্পে ৮৬ কিলোমিটার কাজ করা হয়। এ বছর ১২৭ প্রকল্পে ৬৫ কিলোমিটার কাজের জন্য ২৫ কোটি টাকার প্রাক্কলন করা হয়েছে। ছাতক উপজেলায় তিন কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৪টি প্রকল্পে ১৬ কিলোমিটার কাজ করা হয়েছিল। এবার ২৩টি প্রকল্পে ১৮ কিলোমিটার কাজের জন্য ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকার প্রাক্কলন করা হয়েছে। দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫০টি প্রকল্পে ২৩ কিলোমিটার কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। এ বছর ৭২টি প্রকল্পে প্রায় ৪৯ কিলোমিটার কাজের জন্য ১৫ কোটি টাকার প্রাক্কলন করা হয়েছে।
এভাবে চলতি মওসুমে পাল্লা দিয়ে প্রকল্প ও বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই না করে এবং স্থানীয় কৃষকদের মতামত না নিয়ে প্রকল্প ও বরাদ্দ বৃদ্ধি করায় সরকারের মোটা অংকের টাকা লোপাটের আশঙ্কা করছেন হাওর আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সার্ভেয়ার, সেকশন অফিসার ও উপজেলা কমিটির সভাপতিরা মিলে প্রকল্প বাড়িয়েছেন বলে তাদের অভিমত। জেলা কমিটি একটি কারিগরি কমিটি করে প্রকল্পগুলো যাচাই-বাছাই করার চিন্তা-ভাবনা করছে বলে জানা গেছে। জেলা কমিটির সভাপতি এখন পুরনো প্রকল্পের মধ্যে ৪৮টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়ে কাজ শুরুর নির্দেশনা দিয়েছেন।
হাওর বাঁচাও আন্দোলন, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান বলেন, সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে বাঁধগুলো বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আমরা জানিয়েছি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যদি ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ ফসলহানির আশঙ্কা থাকে তাহলে বিবেচনা করা যেতে পারে। নাহলে এমন গণহারে প্রকল্প অনুমোদন না করার কথা জানিয়েছি আমরা। এতে সরকারের বিপুল অর্থ লোপাটের আশঙ্কা আছে। তাই প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলো যাচাই-বাছাই কমিটির মাধ্যমে অধিকতর যাচাই-বাছাই করতে হবে।
হাওরের কৃষি ও কৃষক রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সদস্যসচিব অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন তালুকদার বলেন, যাদেরকে মওসুমের শুরুতে জরিপের জন্য নিয়ে আসা হয় তারা হাওর সম্পর্কে কিছু জানেননা। বাঁধের বিষয়েও তারা অভিজ্ঞ নন। অথচ হাস্যকরভাবে তাদেরকে দিয়েই জরিপ করে প্রকল্প গ্রহণ ও অনুমোদন করা হয়। তারা মূলত উপরের নির্দেশনা মেনেই নামকাওয়াস্তে জরিপ করে প্রকল্প বাড়িয়ে দেওয়ার কাজ করেন। তবে এবার অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে প্রকল্প ও বরাদ্দ বাড়ানোর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।
বাঁধের জরিপকাজে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় নিযুক্ত গৌতম চাকমা চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডে কাজ করেন। তিনি প্রথম বারের মতো হাওরে আসেন। তার নেতৃত্বে জরিপ হয়েছে। তিনি বলেন, আমি প্রথম বার দুই মাস আগে হাওরে এসে জরিপকাজ করেছি। তখনো পানি ছিল হাওরে। অতীতে অন্যান্য সার্ভেয়াররা যেভাবে জরিপ করেছেন সেভাবে নিয়ম মেনেই জরিপ করেছি।
‘কাবিটা স্কীম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত মনিটরিং কমিটি’র সদস্যসচিব ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার বলেন, উপজেলা থেকে আমাদের কাছে ৯০৪টি প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। বলা হয়েছে গেলবারের বাঁধ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কি পরিমাণ বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেই তথ্য নেই। আমরা তাদেরকে প্রকৃত তথ্য পাঠানোর কথা বলেছি। যেহেতু যাচাই-বাছাই কাজ এখনো চলমান তাই প্রকল্পগুলো যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেওয়া হবে। প্রকল্প বাড়লে বরাদ্দও বাড়বে বলে জানান তিনি।
‘কাবিটা স্কীম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত মনিটরিং কমিটি’র সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী বলেন, বাঁধের বিভিন্ন পয়েন্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই আগে দেখেশুনে যেগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলো মেরামত করা হবে। পরে নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে। কোন অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প দেওয়া হবে না। উপজেলা থেকে যে বাড়তি প্রকল্প এসেছে তা অধিকতর যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ১৫ ডিসেম্বর কাজ শুরু করে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ শেষ করার কথা। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মাত্র ৪৮টি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ১৯৩টি প্রকল্প।

 

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com