1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

মোল্লাপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা ব্যাহত

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি ::
দোয়ারাবাজার উপজেলার মোল্লাপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকে গত ৬ মাসেও স্বাস্থ্য সহকারী ও ফ্যামেলি প্ল্যানিং কর্মীর উপস্থিতি না থাকায় প্রান্তিক পর্যায়ের জনগোষ্ঠীদের চিকিৎসা সেবা বিঘিœত হচ্ছে। এছাড়া নানা অব্যবস্থাপনার কারণে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সীমান্ত এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। নিয়মানুযায়ী, সপ্তাহে তিনদিন অফিস করার কথা স্বাস্থ্য সহকারী এবং ফ্যামিলি প্ল্যানিং কর্মীর। কিন্তু গত ৬ মাসেও তারা ক্লিনিকে আসেননি। নানা অজুহাত দেখিয়ে কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে নিজের দায়িত্বপালনে ফাঁকিবাজি করে আসছেন।
সরেজমিনে গিয়ে, মোল্লাপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হওয়ার সত্যতাও পাওয়া যায়।
ওই ক্লিনিকের দায়িত্বরত সিএইচসিপি রিমা বেগম জানালেন, তিনি নিজে প্রতিদিন অফিস করে আসছেন। কিন্তু স্বাস্থ্যসহকারী আব্দুল বাতেন এবং এফডব্লিউএ আজিজুন নাহার গত ৬ মাসেও উপস্থিতি না থাকায় কার্যত স্বাস্থ্যসেবা বিঘিœত হচ্ছে।
চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে এ যাবৎ হাজিরা খাতায় তাদের স্বাক্ষর নেই। স্থানীয়রা বলেছেন, আব্দুল বাতেন ও তার স্ত্রী এই কমিউনিটি ক্লিনিকে চাকরি করেন তা আমাদের জানাই নেই। কারণ তারা কোনোদিন এখানে আসেননি।
গত বুধবার (৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মোল্লাপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায়, অফিস কক্ষ খোলা থাকলেও কেউ নেই। গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতির কথা জেনে ১২টার দিকে সিএইচসিপি রিমা বেগম অফিসে আসলেও ক্লিনিকের এফডব্লিউএ আজিজুন নাহার এবং স্বাস্থ্য সহকারী আব্দুল বাতেনকে পাওয়া যায়নি।
মুঠোফোনো স্বাস্থ্য সহকারী আব্দুল বাতেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে জিজ্ঞাসা করার কথা বলেন।
এদিকে, প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, খোদ পরিবার পরিকল্পনার কার্যক্রম নিয়ে। এক সমীক্ষায় দেখা যায়, বোগলাবাজার ইউনিয়নে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয় তিনটি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে। গত আগস্ট মাসে তিন ওয়ার্ডে ৬৯ জন গর্ভবতী মাকে নিবন্ধিত করা হয়। নিবন্ধনের বাইরে আরও অর্ধশত মা রয়েছেন। এক বছরে এমন পরিস্থিতি হয়েছে যার জন্য দায়ী পরিবার পরিকল্পনা স্বাস্থ্যকর্মী। সচেতন মহল জানান, আজিজুন নাহার ওই এলাকায় তিনি কোন কাজ করেননি।
এফডব্লিউএ আজিজুন নাহার গত ৬ মাসেও উপস্থিত না থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, নানা কারণে উপস্থিত হতে পারেননি। তবে এ বিষয়ে কোনও সংবাদ পরিবেশন না করার অনুরোধ জানান।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চৌধুরী রাজিব মোস্তফা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবু সালেহীন খান বলেন, জনবল সঙ্কটের কারণে পালাবদল করে স্বাস্থ্য সহকারীদের কাজ করাতে হচ্ছ। তবে ফ্যামিলি প্ল্যানিং কর্মী কোন কাজ করছে না এটা নিশ্চিত হয়েছি।
সিভিল সার্জন ডা. আহমদ হোসেন বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের সকল কর্মীর নিয়মিত অফিস করার কথা। স্বাস্থ্য সহকারী, ফ্যামিলি প্ল্যানিং কর্মী অফিসে না আসার বিষয়ে তদন্ত করা হবে। সত্যতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com