1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৭:১২ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

 দোয়ারাবাজারে সড়ক ধসে নদীতে : দুর্ভোগে লাখো মানুষ

  • আপডেট সময় সোমবার, ১২ জুলাই, ২০২১

আশিস রহমান ::
মেরামত করেও টিকিয়ে রাখা যায়নি সড়ক। দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরের পশ্চিম বাজার খেয়াঘাট সংলগ্ন সড়কটি সম্প্রতি ধসে পড়েছে সুরমা নদীতে। এরপর থেকেই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ধসে যাওয়া সড়ক দিয়ে প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে লোকজন। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দোয়ারা পশ্চিম বাজার খেয়াঘাটের প্রায় ৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই পাকা সড়কটি দিয়ে উপজেলার সদর, সুরমা, লক্ষ্মীপুর, বাংলাবাজার এবং নরসিংপুর ইউনিয়নের প্রায় দেড় লাখ মানুষ জেলা সদরে যাতায়াত করে থাকেন। এছাড়াও মান্নারগাঁও ইউনিয়নের ৩৯ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ খেয়াপার হয়ে এই সড়ক দিয়ে দোয়ারাবাজারে আসা যাওয়া করেন। সড়কের পাশ ঘেঁষে বাজিতপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র হওয়ায় বয়স্ক রোগীরাও সেবা নিতে এদিক দিয়ে আসা যাওয়া করেন। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি গত বছর উপজেলা পরিষদের আওতায় এডিপির বরাদ্দে মেরামত করা হয়। কিন্তু মেরামতের এক বছর না পেরুতেই সড়কটির গার্ডওয়ালের বিভিন্ন অংশ দেবে যায়। সম্প্রতি পাকা সড়কটি সুরমা নদীতে ধসে গেছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত ধসে যাওয়া সড়কটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এখন এই সড়ক দিয়ে কোনো ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। বাজারের ব্যবসায়ীদের মালামাল পরিবহনে বাড়তি সময় ও টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, নিম্নমানের কাজ হওয়ায় সড়কটি মেরামত করেও টিকিয়ে রাখা যায়নি। দ্রুত সড়কটি টেকসই মেরামত করে চলাচল উপযোগী করে তোলা হোক এমনটাই দাবি এলাকাবাসীর।
নৈনগাঁও গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন বলেন, খেয়া পার হয়ে সুনামগঞ্জে যাতায়াত করতে এই সড়কটি ব্যবহার করতে হয়। আগে এই সড়ক দিয়ে সিএনজি চলাচল করতো। কিন্তু এখন মোটর সাইকেল নিয়েও যাওয়া যায়না। চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মাছিমপুর গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, সড়ক ধসে পড়ায় আমরা গাড়ি দিয়ে ব্যবসার মালামল আনা-নেওয়া করতে পারছি না। বাড়তি টাকা ও সময় ব্যয় হচ্ছে। সড়কটি দ্রুত মেরামতের দাবি জানাই।
দোয়ারাবাজার উপজেলা এলজিইডি’র সাব এসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার সাদিরুল ইসলাম বলেন, এটা এলজিইডি’র আওতাধীন সড়ক নয়। উপজেলা পরিষদ কর্তৃক এডিপির বরাদ্দে এই সড়কের মেরামত কাজ করা হয়েছিল।
বাজিতপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার এসএম সফিক বলেন, প্রতিদিনই শিশুসহ নারী পুরুষ, বয়োবৃদ্ধ রোগীরা সেবা নিতে আসেন। এই সড়কপথে আসতে তাদেরকে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়।
এ ব্যাপারে দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আব্দুর রহিম বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। ইউএনও’র সাথে আলাপ করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com