1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01867-379991, 01716-288845

স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১

বঙ্গবন্ধু প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বাস্তবায়নের যে রূপরেখা দিয়েছিলেন তাতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন সাবসেন্টারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা থানা পর্যায়ে প্রসারিত হয়েছিল। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে সেবা তৃণমূলে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতে আটটি মেডিকেল কলেজ, একটি স্নাতকোত্তর মেডিকেল ইনস্টিউট, ৩৭টি যক্ষ্মা নিরাময় ক্লিনিক, ১৫১টি গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ৯১টি মাতৃ ও শিশু কল্যাণকেন্দ্রের মাধ্যমে জনগণকে সেবা দেয়া হচ্ছে। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি, শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে। ১৯৭৯ সালে শুরু হয় ইপিআই কর্মসূচি, ১৯৭৫ সালে পোলিও নির্মূল ও মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার নির্মূল কর্মসূচি শুরু হয়। ২০০৩ সালে শুরু হয় হেপাটাইটিস বি টিকা দেওয়া। ২০১২ সালে এমআর টিকা এবং হামের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হয়। ২০১৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে পোলিও নির্মূল সনদ পায় বাংলাদেশ। ২০১৯ সালে ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ টিকার ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ হিসেবে পুরস্কৃত করে। বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যেও বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। উল্লেখযোগ্য অবদান হলো ওআরএস উদ্ভাবন। ১৯৭১ সালে শরণার্থীদের জীবন রক্ষায় এর ব্যবহার ব্যাপক হয়েছিল। উদ্ভাবনের পর থেকে এ পর্যন্ত ৮ কোটি মানুষের জীবন রক্ষা করেছে ওআরএস বা মুখে খাবার স্যালাইন। কলেরা ডায়রিয়া হলে মুখে খাবার স্যালাইন হলো মহৌষধ। এটা বিশ্বে পরীক্ষিত যে, কম খরচে ভালো স্বাস্থ্যসেবার জন্য বাংলাদেশ রোল মডেল।
স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এগিয়ে থাকলেও আমাদের পরিপূর্ণ সাফল্য আনতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সার্কের অন্যান্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ সর্বনিম্ন। নন কমিউনিকেবল ডিজিজ বা অসংক্রামক রোগ দেশে যেমন বাড়ছে, তেমনি রোগ নির্ধারণ পদ্ধতির সম্প্রসারণ ও রোগ নির্ণয়ের ওপর গুরুত্ব বাড়াতে হবে। দেশের গরিব মানুষ বেশি উপকার পাওয়ার জন্য রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের ক্ষমতা ও ব্যাপ্তি যেমন বাড়াতে হবে তেমনি আরও কয়েকটি জরুরি স্বাস্থ্য পরিসেবা ও কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে সমন্বয়হীনতা ও ব্যবস্থাপনার সংকট নিরসন করতে হবে। তাছাড়া স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি দূর করতে হবে। গবেষণা ক্ষেত্রে জোর দিতে হবে।
আশার বিষয় প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসা গবেষণার বিষয় অনুধাবন করে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন। তবে আরও অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সফলতা আনতে হলে সরকারকে আরও নতুন নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সচেষ্ট হতে হবে। এককথায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com