1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ১২:৪৯ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01867-379991, 01716-288845

প্রতিযোগিতা করে দখল হচ্ছে খাল

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন, ২০২১

শহীদনূর আহমেদ ::
সুনামগঞ্জ পৌরসভার তেঘরিয়া ও পশ্চিম হাজীপাড়া খালের উপর নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন ৭ ও ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।
বর্ষায় জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান ও পানি নিষ্কাশনের জন্য তেঘরিয়া ও পশ্চিম হাজীপাড়া খালের দুইপাশের অবৈধ দখলদার এবং খালের উপর নির্মিত বসতবাড়িসহ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সম্প্রতি জেলা প্রশাসক ও পৌরসভার মেয়র বরাবরে আবেদন করেন বড়পাড়া ও তেঘরিয়া এলাকার কয়েক’শ বাসিন্দা। খাল দুটি পুনরুদ্ধারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।
আবেদন সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জ শহরের উপর দিয়ে প্রবাহিত খালগুলোর মধ্যে তেঘরিয়া ও পশ্চিম হাজীপাড়া খাল অন্যতম। যা সুরমা নদী থেকে উৎপত্তি হয়ে বড়পাড়া হয়ে পশ্চিম তেঘরিয়া ও পশ্চিম হাজীপাড়া সাবেক ভাঙ্গারপুল হয়ে ঝাউয়ার হাওরে প্রবাহিত হয়েছে। খালের বড়পাড়া অংশে পৌরসভার ড্রেন নির্মিত হয়েছে। পশ্চিম তেঘরিয়া অংশের দৃশ্যমান খালের উপর অবৈধ স্থাপনা নির্মিত হওয়ায় দিন দিন খালটি দখলদারদের পেটে চলে যাচ্ছে। খালের উপর অন্তত ২০টি অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করায় পানির প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। ফলে একটু বৃষ্টি হলেই তৈরি হয় জলাবদ্ধতা। পানির ধারা বন্ধ হওয়ায় অতিবৃষ্টি কিংবা নদী থেকে আসা পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদী জলাবদ্ধতায় বিড়ম্বনায় পড়তে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের।
স্থানীয়দের আবেদন থেকে জানা যায়, খালের দুইপাশের অবৈধ দখলদাররা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রতিযোগিতা করে দখল করা হচ্ছে খালের দুইপাশের অংশ। দখলকৃত স্থান নগদ টাকায় বেচাকেনাও হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে কোনো একদিন তেঘরিয়া ও পশ্চিম হাজীপাড়া খাল অস্তিত্ব হারায়ে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। এতে নাগরিক দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করবে বলে জানান তারা।
পশ্চিম তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা দিলদার হোসেন বলেন, এক সময় এই খাল দিয়ে নৌকা চলাচল করতো। দখলদারদের থাবায় খাল আজ অস্তিত্ব সংকটে। খাল পুনরুদ্ধারে আমরা দুইটি আবেদন করেছি। এখনই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন উদ্যোগ না নিলে এই দখলবাজ চক্রই একদিন কাল হয়ে দাঁড়াবে। শহরের বর্জ্য ও পানি নিষ্কাশনের অন্যতম খালটি অস্তিত্ব হারালে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে।
এদিকে এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে সরেজমিন তদন্ত করে গত ৬ জুন তেঘরিয়া ও পশ্চিম হাজীপাড়া খালের উপর অবৈধভাবে স্থাপিত বস্তি অপসারণে নোটিশ করেছে সুনামগঞ্জ পৌরসভা। নোটিশে স্থাপনা অপসারণে ১৫ দিন সময় ধরে দিলে দিনক্ষণ পার হওয়ার পরও দৃশ্যমান কোনো সুফল মিলছে না। এক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের পরামর্শে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান পৌর মেয়র নাদের বখত।
তিনি বলেন, যেহেতু পৌরসভার খালগুলো জেলা প্রশাসকের সেহেতু উনার সাথে কথা বলে উচ্ছেদের দিকে অগ্রসর হবো। প্রশাসনকে সার্বিক দিক দিয়ে সহযোগিতা করবে পৌরসভা।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com