1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01867-379991, 01716-288845

দেড় যুগ ধরে সেবাবঞ্চিত ৩৩ গ্রামের মানুষ

  • আপডেট সময় রবিবার, ৬ জুন, ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি ::
দুর্গম শাল্লা উপজেলার শাল্লা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা পাচ্ছেন না ইউনিয়নের ৩৩ গ্রামের মানুষ। পরিবার কল্যাণ কর্মীদের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে এটি। ইউনিয়নের একমাত্র স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় পার্শ্ববর্তী জেলা হবিগঞ্জের আজমিরিগঞ্জ গিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে ইউনিয়নবাসীকে।
দুর্গম এলাকার মা ও শিশুসহ সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রায় দেড় যুগ আগে উপজেলার সবচেয়ে দুর্গম উপজেলা শাল্লা ইউনিয়নের শাল্লা নিজগাঁও বাজারের পাশে দৃষ্টিনন্দন ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে সরকার। এখানে আবাসিক ডাক্তার ও নার্সসহ সংশ্লিষ্টদের থাকারও ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু চালুর পর এখানে এখন পর্যন্ত কেউ অবস্থান করেননি। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ফার্মাসিস্ট, ভিজিটর, আয়া, একজন চিকিৎসকসহ পাঁচটি পদ রয়েছে। কিন্তু একজনকেও কখনো স্থায়ী নিয়োগ দেওয়া হয়নি এখানে। দুর্গম এলাকা হওয়ায় এখানে কেউ আসতেও চায় না। তাই বছরের বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ থাকে এটি। যার ফলে মা ও শিশুরা অসুস্থ হলে পার্শ্ববর্তী হবিগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হয়। এতে সময় ও অর্থ অপচয়সহ চরম দুর্ভোগও পোহাতে হচ্ছে ইউনিয়নবাসীকে। তারা দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালটি চালু করে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত রাখার দাবি জানালেও তারা এখনো বঞ্চিত রয়েছেন।
নিজ শাল্লা গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও উপজেলা যুবলীগ নেতা তফসির চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বন্ধ আছে। মাঝে-মধ্যে কয়েক ঘণ্টার জন্য খোলা হয়। সরকার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সেবার লক্ষ্যে কোটি কোটি টাকা খরচ করে দৃষ্টিনন্দন এই হাসপাতালটি তৈরি করে দিলেও মানুষের উপকারে আসছেনা।
শাল্লা বাজারের ব্যবসায়ী ঝুটন দাস বলেন, আমরা সুনামগঞ্জের সবচেয়ে দুর্গম এলাকার বাসিন্দা। আমাদের এলাকার সঙ্গে শাল্লা উপজেলা সদর এবং জেলা সদরেরও কোন সরাসরি যোগাযোগ নেই। ১৫-১৬ বছর আগে সরকারি সুন্দর একটি হাসপাতাল নির্মাণ করে দিয়েছিল। আমরা খুশি হয়েছিলাম যে মা ও শিশুসহ সাধারণ রোগীরা সেবা পাবে। কিন্তু আমাদের কোনো লাভ হয়নি। আমরা এই হাসপাতালটি স্থায়ীভাবে চালু থাকুক এটা চাই।
সুনামগঞ্জ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক নিরঞ্জন বন্ধু দাম স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বন্ধ থাকার কথা স্বীকার করে জানান, লোকবলের কারণে স্বাভাবিক সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীকে এই কেন্দ্রে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে ইউনিয়নবাসী নিয়মিত সেবা পাবেন। তাছাড়া এই কেন্দ্রসহ অন্যান্য বন্ধ কেন্দ্রগুলো চালুর ব্যাপারেও আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com