1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602
সংবাদ শিরোনাম
তাহিরপুরে প্রকল্প বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা : এক বাঁধে অর্ধকোটি টাকার বরাদ্দ বাংলাদেশ ভারত আন্তসম্পর্ক-৩ করোনাকালে বাংলাদেশের পাশে ভারত ২৮ দিন পর বই পেয়ে পৃষ্ঠা ওল্টিয়ে বিস্মিত শিশুরা আমার নির্বাচনী এলাকা আর অবহেলিত থাকবে না -পীর মিসবাহ এমপি  প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও শীতবস্ত্র বিতরণ অর্ধশত গাছ কেটে বাঁধ মেরামত! প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ছাতকে পিকআপ ভ্যানের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু পীরপুর বাণীতলায় অষ্টপ্রহর ব্যাপী নাম ও লীলা সংকীর্ত্তণ সমাপ্ত অসহায় পরিবারের মাঝে আর্ন এন্ড লাইভ সংস্থার ছাগল প্রদান ১-৭ মার্চ মোবাইলে কল করলেই শোনা যাবে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ

ধান-চালের বাজার মনিটরিং করবে সরকার

  • আপডেট সময় বুধবার, ২ জুন, ২০২১

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
সরকার ধান ও চালের বাজার, বিশেষ করে ধান ও চালের আড়তদার বা পাইকারি ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম মনিটরিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি জানিয়ে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রককে চিঠি পাঠিয়েছে খাদ্য অধিদফতর। অতিরিক্ত দাম ঠেকাতে ধান ও চালের অবৈধ মজুত রোধ করতেই সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। মঙ্গলবার (১ জুন) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
খাদ্য অধিদফতর থেকে সোমবার (৩১ মে) আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে ধানের পরিপূর্ণ মৌসুম চলছে। বর্তমান সময়ে খোলা বাজারে ধানের প্রচুর সরবরাহ থাকে। মাঠ পর্যায়ে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে জানা যায়, দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্তমান ভরা মৌসুমে ধানের বাজারদর কিছুটা বৃদ্ধির প্রবণতা লক্ষ্যে করা যাচ্ছে।
‘বাজারে সক্রিয় বিভিন্ন ধরনের মিলার ও ব্যবসায়ী কর্তৃক সরকারি বিধি-বিধান অমান্য করে অধিক পরিমাণ ধান-চাল ক্রয়ের প্রবণতা রয়েছে। বিশেষ করে পাইকারি ও আড়তদাররা কোনও কোনও ক্ষেত্রে খাদ্যশস্য লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে প্রতীয়মান হয়। লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা পরিচালনা করার কারণে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বিপুল পরিমাণ ধান-চাল ক্রয় ও মজুত করার সুযোগ পাচ্ছেন। এতে খোলা বাজারে ধান-চালের কৃত্রিম চাহিদা সৃষ্টি হচ্ছে এবং বাজারমূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা চলমান বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে।’
চিঠিতে আরও বলা হয়, খোলা বাজারে ধানের কৃত্রিম মূল্যবৃদ্ধি রোধে তিনটি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে- লাইসেন্সবিহীন খাদ্যশস্য ব্যবসায়ীদের (বিশেষ করে আড়তদার ও পাইকারি) বাধ্যতামূলক খাদ্যশস্য লাইসেন্স প্রদান নিশ্চিত করবেন। খাদ্যশস্য ব্যবসায়ীদের প্রতি ৭ দিনের ক্রয়-বিক্রয় প্রতিবেদন (চালান, রশিদ ইত্যাদিসহ) আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দফতরে প্রেরণ নিশ্চিত করবেন এবং আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকরা খাদ্য অধিদফতরের সরবরাহ, বণ্টন ও বিপণন বিভাগ ও সংগ্রহ বিভাগে সামারি প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন। কেউ যাতে অনুমোদিত পরিমাণের বেশি পরিমাণ খাদ্যশস্য অবৈধভাবে মজুত করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে পরিবীক্ষণ জোরদার করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও খাদ্য পরিদর্শকদের কার্যকরী নির্দেশ দিতে বলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com